📄 রোগীর সেবা শুশ্রুষায় রয়েছে রোগমুক্তি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগীকে সান্ত্বনা দিতেন এবং তার জন্য দোয়া করতেন। বিশ্বাসের শক্তিই মানসিক সুস্থতার উৎস। যে আত্মা শক্তির এ উৎস থেকে বঞ্চিত, সে অন্যান্য সমস্যায় জর্জরিত না হলেও অন্তত রোগ-ব্যাধি তাকে 'যা তা' করে ছাড়বে। এটা মানুষের দুর্ভাগ্য যে বর্তমান অভিজ্ঞ ডাক্তাররা মনোরোগ এবং স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা অনুসন্ধানে যথেষ্ট বিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে; কিন্তু নতুন নতুন রোগগুলির সঠিক চিকিৎসা দানে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।
📄 খৃস্টান মনীষীর উক্তি (The Words of a Christian Misromia)
একজন খ্রিস্টান মনীষী বলেছেন, মনস্তাত্ত্বিকগণ (Psychiatrists) 'শুধুমাত্র সেই তালার (চাবি ব্যতীত) সূক্ষ্ম বিষয়াদির বিস্তারিত আলোচনায় নিজেদের শ্রম ব্যয় করেন যেগুলো আমাদের সুস্থতার দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে।' নতুন প্রজন্ম প্রতি মুহূর্তে দুটি বিপরীতমুখী স্রোতে চালিত হচ্ছে। একদিকে তারা বস্তুজগতের নানা উপকরণ সংগ্রহে পূর্ণ শক্তি ব্যয় করছে। অপরদিকে ধর্মকে পরিত্যাগ করে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, তাতে জীবন বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত। এদের দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির ন্যায় যাকে একই সাথে ঔষধও সেবন করানো হয় আবার বিষাক্ত ইনজেকশনও দেওয়া হয়।
📄 কিছু দিক-নির্দেশক আলোচনা
আমার জীবন ইউরোপ ও কানাডায় কেটেছে। আমি একজন মুসলমান হিসাবে ইউরোপীয় জীবন কেমন পেয়েছি, তার কিঞ্চিৎ নিরীক্ষণ ও অভিজ্ঞতা আপনাদের সম্মুখে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। আশা করি তা সুন্নাতে নববী ও আধুনিক বিজ্ঞান বিষয়ক আলোচনায় অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে হবে না।
📄 চরম বেয়াদবি ও মানসিক ব্যাধি
ইউরোপের খ্রিষ্টানরা যখন শরীরের কোন স্থানে আঘাত পায়, তখন হযরত ঈসা আ.-কে অত্যন্ত জঘন্য ও অশ্লীল ভাষায় গালি দেয় (নাউযুবিল্লাহ)। এতে তাদের অন্তরের ক্রোধ প্রশমিত হয়। তারা এই গর্হিত আচরণে দুটি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। প্রথমত, তারা আল্লাহ তা'আলার ক্রোধের পাত্র হয়। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন প্রকার আত্মিক ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। পক্ষান্তরে কোন মুসলমানের শরীরে বা অন্তরে যখন আঘাত লাগে, সাথে সাথে সে দোয়া পাঠ করে। দোয়াটি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য মনে হলেও ইউরোপীয় বিদ্যানদের কাছে বিরাট গুরুত্বের বিষয়।