📄 রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অদ্বিতীয় কর্মপদ্ধতি এবং পূর্বপুরুষের অবদান
মৃত্যুর পূর্বে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেকে সর্ব সাধারণের সামনে বদলা নেওয়ার জন্য পেশ করেন। এ জন্য বাদশা মুরাদ বিচারকের সামনে বদলা হিসেবে কাটার জন্য নিজের হাত পেশ করেন। ইবনে বতুতার ভাষ্য মতে সুলতান মুহাম্মদ তোঘলককে বিচারকের ফয়সলা অনুযায়ী এক বালক বদলা হিসেবে একুশটি দোররা মারেন। এক পর্যায়ে তার টুপিও পড়ে যায়। অনেক মন্ত্রী এমন ছিল, যদি তাদের মুখ থেকে ঘটনাচক্রে কারো ব্যাপারে গাধা শব্দ বের হতো, তবে বদলা হিসেবে ঐ মন্ত্রীকে গাধা বলার জন্য ঐ লোকটিকে আদেশ দেয়া হতো। বাদশা আব্দুল মালেকের যুগে ঘুষ গ্রহণ করা সম্ভব ছিল না। (আল বয়ান ওয়াত তীবয়ান-৩/২০৩)
📄 খেদমতে খালকের জন্য কোন জিনস ওয়াক্ফ করা
আল্লাহর রাস্তায় নিজের সম্পদ ওয়াক্ফ করা খুবই উত্তম আমল। যদি কোন ব্যক্তি কোন কিছু ওয়াক্ফ করতে চায়, তবে মূল জিনিষকে ওয়াক্ফ করবে এবং তা থেকে অর্জিত আয় আল্লাহর রাস্তায় খরচ করবে। ওয়াক্ফকৃত জিনিষ বিক্রি করা, দান করা, উত্তরাধিকার হিসেবে ওয়ারিশদের মাঝে বন্টন করা যাবে না। মুতাওয়াল্লী অছিয়ত অনুযায়ী জিনিসের আমদানি নিজেও খেতে পারবে ও বন্ধু-বান্ধবদেরকেও খাওয়াতে পারবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমগ্র জীবন পরোপকার ও উৎসর্গে পরিপূর্ণ এবং সাহাবায়ে কেরামের জীবনেরও একই অবস্থা। হযরত ওসমান রাযি. পানির কূপ ক্রয় করে উম্মতের কল্যাণের জন্য ওয়াক্ফ করে দিয়েছেন। কোন কোন সাহাবী নিজের বাগান জনসাধারণের কল্যাণের জন্য ওয়াক্ফ করে দিয়েছেন। বনু উমাইয়া ও বনু আব্বাসের যুগে কূপ খনন করা, হাসপাতাল তৈরি করা, মুসাফির খানা বানানো, বিধবা ও এতিমদের লালন পালনের জন্য বিশেষ নিবাস তৈরি করা ইত্যাদি সব ধরনের ওয়াক্ফের কাজ মুসলমানদের দায়িত্বে ছিল।
📄 ইউরোপীয় জীবনের এক ঝলক (A view of European life)
১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ইংরেজরা মানুষের সুবিধার জন্য অগণিত হাসপাতাল, মুসাফির খানা, পশু হাসপাতাল ইত্যাদি তৈরি করছে। লেডী ওলিংটন হাসপাতাল এর মতো অগণিত ওয়াক্ফের উদাহরণ রয়েছে। এ সব প্রতিষ্ঠান থেকে লক্ষ লক্ষ লোক উপকৃত হচ্ছে। এ সব ওয়াক্ফের মূল ভিত্তি ইসলামের ওয়াক্ফ নিয়মের অনুরূপ।
📄 অনুকরণ (Imitate)
বহু হাদীসে অবিকল অনুকরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। (আদাবে জিন্দেগী)