📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পাদ্রি জেমস মুলার এর বর্ণনা

📄 পাদ্রি জেমস মুলার এর বর্ণনা


ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।

মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।

ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।

মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।

ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।

মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মি. কিং এর মতবাদ

📄 মি. কিং এর মতবাদ


মি. সি.এম. কিং লিখেন, মানুষের স্বভাবগত প্রবণতা হলো, দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হলে অথবা বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে আত্মসংশোধনের ভাবনা তার থাকে না। কোন কোন বিনোদন তো এমন যে, এতে অংশগ্রহণকারীরা স্রষ্টাকে পর্যন্ত ভুলে যায়। এই অবস্থায় যখন আমি চিন্তা করি, ইসলাম তার অনুসারীদের উপর চব্বিশ ঘন্টার ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছে এবং সর্বাবস্থায় তা আদায় করা বাধ্যতামূলক করেছে, তখন আমাকে স্বীকার করতেই হয় যে, নামায হল হেদায়াতের একটা সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। একজন একনিষ্ঠ বিশ্বাসী মানুষ যদি সব দিক থেকে মুক্ত হয়ে ভালবাসা ও একনিষ্ঠতার সাথে আপন স্রষ্টাকে স্মরণ করে এবং তার গুণগান বর্ণনা করে সাহায্য ও সন্তুষ্টি প্রার্থনা করে, তাহলে তার আত্মা পবিত্র ও আবর্জনামুক্ত হয়। তার মন ও মস্তিষ্ক থেকে কুপ্রবৃত্তি অনুসরণের প্রবণতা দূর হয়।

আমি অনেক উচ্চ শ্রেণির মুসলমানকে দেখেছি যারা ক্ষমতা ও দাপটের কারণে অন্যদের তুলনায় এক বিশিষ্ট প্রভাবের অধিকারী। নিম্ন শ্রেণির কোন মানুষ তাদের সাথে কথা বলতে সাহস পায় না। কিন্তু নামাযের সময় হলে তারাও বিনয়াবনত মনোভাব নিয়ে মসজিদে গমন করে এবং অপর ও অপরিচিত ভাইয়ের সাথে নামায আদায় করে। এই দৃশ্য প্রমাণ করে যে, নামাযে বিনয়, নম্রতা ও ভদ্রতার শিক্ষা রয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সাম্যের শিক্ষা রয়েছে। ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত সুনিপুণভাবে আমীর-গরীব, উঁচু-নিচু সর্বস্তরের লোককে একই কাতারে দাঁড় করিয়েছেন। তাদের গর্ব অহংকার নিঃশেষ করে দিয়েছেন।

আমি বিশ্বাস করি, নামায হল একটি সর্বোত্তম ইবাদত। (হাক্কানিয়াতে ইসলামী)

মি. সি.এম. কিং লিখেন, মানুষের স্বভাবগত প্রবণতা হলো, দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হলে অথবা বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে আত্মসোধনের ভাবনা তার থাকে না। কোন কোন বিনোদন তো এমন যে, এতে অংশগ্রহণকারীরা স্রষ্টাকে পর্যন্ত ভুলে যায়। এই অবস্থায় যখন আমি চিন্তা করি, ইসলাম তার অনুসারীদের উপর চব্বিশ ঘণ্টার ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছে এবং সর্বাবস্থায় তা আদায় করা বাধ্যতামূলক করেছে, তখন আমাকে স্বীকার করতেই হয় যে, নামায হল হেদায়াতের একটা সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। একজন একনিষ্ঠ বিশ্বাসী মানুষ যদি সব দিক থেকে মুক্ত হয়ে ভালবাসা ও একনিষ্ঠতার সাথে আপন স্রষ্টাকে স্মরণ করে এবং তার গুণগান বর্ণনা করে সাহায্য ও সন্তুষ্টি প্রার্থনা করে, তাহলে তার আত্মা পবিত্র ও আবর্জনামুক্ত হয়। তার মন ও মস্তিষ্ক থেকে কুপ্রবৃত্তি অনুসরণের প্রবণতা দূর হয়।

আমি অনেক উচ্চ শ্রেণির মুসলমানকে দেখেছি যারা ক্ষমতা ও দাপটের কারণে অন্যদের তুলনায় এক বিশিষ্ট প্রভাবের অধিকারী। নিম্ন শ্রেণির কোন মানুষ তাদের সাথে কথা বলতে সাহস পায় না। কিন্তু নামাযের সময় হলে তারাও বিনয়াবনত মনোভাব নিয়ে মসজিদে গমন করে এবং অপর ও অপরিচিত ভাইয়ের সাথে নামায আদায় করে। এই দৃশ্য প্রমাণ করে যে, নামাযে বিনয়, নম্রতা ও ভদ্রতার শিক্ষা রয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সাম্যের শিক্ষা রয়েছে। ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত সুনিপুণভাবে আমীর-গরীব, উঁচু-নিচু সর্বস্তরের লোককে একই কাতারে দাঁড় করিয়েছেন। তাদের গর্ব অহংকার নিঃশেষ করে দিয়েছেন।

আমি বিশ্বাস করি, নামায হল একটি সর্বোত্তম ইবাদত। (হাক্কানিয়াতে ইসলামী)

মি. সি.এম. কিং লিখেন, মানুষের স্বভাবগত প্রবণতা হলো, দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হলে অথবা বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে আত্মসোধনের ভাবনা তার থাকে না। কোন কোন বিনোদন তো এমন যে, এতে অংশগ্রহণকারীরা স্রষ্টাকে পর্যন্ত ভুলে যায়। এই অবস্থায় যখন আমি চিন্তা করি, ইসলাম তার অনুসারীদের উপর চব্বিশ ঘণ্টার ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছে এবং সর্বাবস্থায় তা আদায় করা বাধ্যতামূলক করেছে, তখন আমাকে স্বীকার করতেই হয় যে, নামায হল হেদায়াতের একটা সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। একজন একনিষ্ঠ বিশ্বাসী মানুষ যদি সব দিক থেকে মুক্ত হয়ে ভালবাসা ও একনিষ্ঠতার সাথে আপন স্রষ্টাকে স্মরণ করে এবং তার গুণগান বর্ণনা করে সাহায্য ও সন্তুষ্টি প্রার্থনা করে, তাহলে তার আত্মা পবিত্র ও আবর্জনামুক্ত হয়। তার মন ও মস্তিষ্ক থেকে কুপ্রবৃত্তি অনুসরণের প্রবণতা দূর হয়।

আমি অনেক উচ্চ শ্রেণির মুসলমানকে দেখেছি যারা ক্ষমতা ও দাপটের কারণে অন্যদের তুলনায় এক বিশিষ্ট প্রভাবের অধিকারী। নিম্ন শ্রেণির কোন মানুষ তাদের সাথে কথা বলতে সাহস পায় না। কিন্তু নামাযের সময় হলে তারাও বিনয়াবনত মনোভাব নিয়ে মসজিদে গমন করে এবং অপর ও অপরিচিত ভাইয়ের সাথে নামায আদায় করে। এই দৃশ্য প্রমাণ করে যে, নামাযে বিনয়, নম্রতা ও ভদ্রতার শিক্ষা রয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সাম্যের শিক্ষা রয়েছে। ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত সুনিপুণভাবে আমীর-গরীব, উঁচু-নিচু সর্বস্তরের লোককে একই কাতারে দাঁড় করিয়েছেন। তাদের গর্ব অহংকার নিঃশেষ করে দিয়েছেন।

আমি বিশ্বাস করি, নামায হল একটি সর্বোত্তম ইবাদত। (হাক্কানিয়াতে ইসলামী)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাউসেকি এর অভিজ্ঞতা

📄 মাউসেকি এর অভিজ্ঞতা


বর্তমান বিশ্বে ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা আনার জন্য নানান নিয়ম-নীতি ও আইন-কানুনের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় এ উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু মাউসেকি তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, 'ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা দানে নামাযের চেয়ে উত্তম ও কার্যকর কোন প্রশিক্ষক নেই। একজন ইমামের অনুসরণ করে লাখো মানুষ উঠাবসা করে। এর চেয়ে ভাল কোন ডিসিপ্লিন দুনিয়াতে আর কিছুই হতে পারে না।' (ইসলাম মুস্তাশরিকীন কি নজর)

বর্তমান বিশ্বে ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা আনার জন্য নানান নিয়ম-নীতি ও আইন-কানুনের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় এ উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু মাউসেকি তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, 'ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা দানে নামাযের চেয়ে উত্তম ও কার্যকর কোন প্রশিক্ষক নেই। একজন ইমামের অনুসরণ করে লাখো মানুষ উঠাবসা করে। এর চেয়ে ভাল কোন ডিসিপ্লিন দুনিয়াতে আর কিছুই হতে পারে না।' (ইসলাম মুস্তাশরিকীন কি নজর)

বর্তমান বিশ্বে ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা আনার জন্য নানান নিয়ম-নীতি ও আইন-কানুনের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় এ উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু মাউসেকি তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, 'ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা দানে নামাযের চেয়ে উত্তম ও কার্যকর কোন প্রশিক্ষক নেই। একজন ইমামের অনুসরণ করে লাখো মানুষ উঠাবসা করে। এর চেয়ে ভাল কোন ডিসিপ্লিন দুনিয়াতে আর কিছুই হতে পারে না।' (ইসলাম মুস্তাশরিকীন কি নজর)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 এক ম্যানেজারের স্বীকারোক্তি

📄 এক ম্যানেজারের স্বীকারোক্তি


মক্কার প্রতিনিধি দল বোস্টন থেকে গ্লাসগো-এডিনবরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। জনাব ইকবাল ঢাল তার পারিবারিক গাড়ি ছাড়াও প্রতিনিধি দলের জন্য আরেকটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন। বৃটেনে অবস্থানকালে তার ড্রাইভার মুসাভাই আমাদের সাথেই থাকতেন। তিনি সৌদি রিয়াল প্রস্তুতকারক বৃটেনের এক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি একজন খোদাভীরু, দুনিয়াত্যাগী মুসলমান। এক বছর ধরে তিনি দাওয়াতের কাজেও জড়িত রয়েছেন। তিনি আলেম ও বুযুর্গ ব্যক্তিদের খেদমতের সুযোগ পেলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতেন।

তিনি তার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ফ্যাক্টরির ইংরেজ ম্যানেজার কর্মবণ্টনের পর আমাকে জিজ্ঞেস করতেন, 'মুসা সাহেব! আপনি তো নামাযের সময়ের কথা আমাকে বলেন নি।' আমি উত্তরে বলতাম, 'আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ আদায়ের জন্য কোন সৃষ্টির কাছে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই।' আমরা যারা নামাযী ছিলাম, তারা সবাই কর্মদক্ষতা ও বিশ্বস্ততায় ম্যানেজারের আস্থাভাজন ছিলাম। তিনি আমাকে এ দায়িত্ব দিলেন যে, এ ফ্যাক্টরিতে নতুন কর্মচারী আনতে হলে নামাযী লোকদেরকেই আনতে হবে। নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি নামায নষ্ট করে, সে অন্যান্য দায়িত্ব পালনেও অবিশ্বস্ততার পরিচয় দিবে।' অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা নামায আদায়ের বরকতে অন্যান্য দায়িত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে পালন করার অনুভূতি সৃষ্টি করে দেন। এই কথাটুকু আমাদের বস্তুবাদী মুসলিম ভাইদের মস্তিষ্কে আসে না। নামাযের সময় কর্মচারীদের ছুটি দেওয়াটাকে তাদের কাছে বোঝা মনে হয়।

মক্কার প্রতিনিধি দল বোস্টন থেকে গ্লাসগো-এডিনবরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। জনাব ইকবাল ঢাল তার পারিবারিক গাড়ি ছাড়াও প্রতিনিধি দলের জন্য আরেকটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন। বৃটেনে অবস্থানকালে তার ড্রাইভার মুসাভাই আমাদের সাথেই থাকতেন। তিনি সৌদি রিয়াল প্রস্তুতকারক বৃটেনের এক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি একজন খোদাভীরু, দুনিয়াত্যাগী মুসলমান। এক বছর ধরে তিনি দাওয়াতের কাজেও জড়িত রয়েছেন। তিনি আলেম ও বুযুর্গ ব্যক্তিদের খেদমতের সুযোগ পেলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতেন।

তিনি তার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ফ্যাক্টরির ইংরেজ ম্যানেজার কর্মবণ্টনের পর আমাকে জিজ্ঞেস করতেন, 'মুসা সাহেব! আপনি তো নামাযের সময়ের কথা আমাকে বলেন নি।' আমি উত্তরে বলতাম, 'আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ আদায়ের জন্য কোন সৃষ্টির কাছে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই।' আমরা যারা নামাযী ছিলাম, তারা সবাই কর্মদক্ষতা ও বিশ্বস্ততায় ম্যানেজারের আস্থাভাজন ছিলাম। তিনি আমাকে এ দায়িত্ব দিলেন যে, এ ফ্যাক্টরিতে নতুন কর্মচারী আনতে হলে নামাযী লোকদেরকেই আনতে হবে। নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি নামায নষ্ট করে, সে অন্যান্য দায়িত্ব পালনেও অবিশ্বস্ততার পরিচয় দিবে।' অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা নামায আদায়ের বরকতে অন্যান্য দায়িত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে পালন করার অনুভূতি সৃষ্টি করে দেন। এই কথাটুকু আমাদের বস্তুবাদী মুসলিম ভাইদের মস্তিষ্কে আসে না। নামাযের সময় কর্মচারীদের ছুটি দেওয়াটাকে তাদের কাছে বোঝা মনে হয়।

মক্কার প্রতিনিধি দল বোস্টন থেকে গ্লাসগো-এডিনবরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। জনাব ইকবাল ঢাল তার পারিবারিক গাড়ি ছাড়াও প্রতিনিধি দলের জন্য আরেকটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন। বৃটেনে অবস্থানকালে তার ড্রাইভার মুসাভাই আমাদের সাথেই থাকতেন। তিনি সৌদি রিয়াল প্রস্তুতকারক বৃটেনের এক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি একজন খোদাভীরু, দুনিয়াত্যাগী মুসলমান। এক বছর ধরে তিনি দাওয়াতের কাজেও জড়িত রয়েছেন। তিনি আলেম ও বুযুর্গ ব্যক্তিদের খেদমতের সুযোগ পেলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতেন।

তিনি তার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ফ্যাক্টরির ইংরেজ ম্যানেজার কর্মবণ্টনের পর আমাকে জিজ্ঞেস করতেন, 'মুসা সাহেব! আপনি তো নামাযের সময়ের কথা আমাকে বলেন নি।' আমি উত্তরে বলতাম, 'আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ আদায়ের জন্য কোন সৃষ্টির কাছে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই।' আমরা যারা নামাযী ছিলাম, তারা সবাই কর্মদক্ষতা ও বিশ্বস্ততায় ম্যানেজারের আস্থাভাজন ছিলাম। তিনি আমাকে এ দায়িত্ব দিলেন যে, এ ফ্যাক্টরিতে নতুন কর্মচারী আনতে হলে নামাযী লোকদেরকেই আনতে হবে। নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি নামায নষ্ট করে, সে অন্যান্য দায়িত্ব পালনেও অবিশ্বস্ততার পরিচয় দিবে।' অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা নামায আদায়ের বরকতে অন্যান্য দায়িত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে পালন করার অনুভূতি সৃষ্টি করে দেন। এই কথাটুকু আমাদের বস্তুবাদী মুসলিম ভাইদের মস্তিষ্কে আসে না। নামাযের সময় কর্মচারীদের ছুটি দেওয়াটাকে তাদের কাছে বোঝা মনে হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00