📄 নামাযের সুমহান উপকারিতার স্বীকৃতি
নামায হল ধর্মের স্তম্ভ। ইউরোপীয় বিজ্ঞানী ও জ্ঞানীগণ নামায সম্পর্কে কি বলেন লক্ষ্য করুন-
মিশরের সুপ্রসিদ্ধ পত্রিকা 'আল-মুআইয়াদ' (কায়রো)-এ 'নামাযের ফযীলত' শিরোনামে একটি সারগর্ভ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে লেখক যথেষ্ট পড়াশুনা ও তথ্যানুসন্ধান করে নামাযের নিগূঢ় তাৎপর্য প্রকাশ করেছেন। নামাযের ফজিলত সম্পর্কে পশ্চিমা দার্শনিকদের মতামতসমূহ একত্রিত করেছেন। এরপর ঐ প্রবন্ধে সেসব মতামত তুলে ধরা হয়েছে। এই পবিত্র ইবাদতের দ্বারা কি কি জাগতিক বা আধ্যাত্মিক উপকার পাওয়া যায় তাও তিনি ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন-
'ইউরোপ তার কৃষ্টি-কালচার নিয়ে গর্বিত হলেও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নাস্তিক্যবাদের লালনকেন্দ্র। এ দুনিয়াতে নাস্তিক্যবাদের যত রূপ মাথা চাড়া দিয়েছে, তার সবকটিরই মূলে রয়েছে আজকের ইউরোপ। কিন্তু আল্লাহ কি কুদরত! নাস্তিক্য পোষণকারী এই ইউরোপে এমন সত্যপ্রিয় লোকও রয়েছে যারা পূর্ণ শক্তিতে সত্যের সাহায্যে সদা নিয়োজিত। তারা চলমান মুক্ত চিন্তার স্রোতকে অতি দ্রুত বিলুপ্ত করতে অস্থির। এখানে 'পশ্চিমা বিজ্ঞানী' বলতে তাদের কথা বলা হয়েছে, যারা মুক্ত মনের হয়েও ধর্মের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের প্রচারক। যাদের দর্শন অহংকেন্দ্রিক নয়; বরং সত্যকেন্দ্রিক। এ রকম অকপট উদার চিন্তাধারী কয়েকজন নামায সম্পর্কিত তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। আমরা বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শুধু নাস্তিকতাই নয়; বরং এক সর্বগ্রাসী অলক্ষুণে কালবৈশাখীর বিপরীতে ঈমানের আলো বিকিরণ করছি। তাই তাদের অভিমত প্রচার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
📄 নামায এবং ইউরেন্ড লেবান
বিশিষ্ট দার্শনিক ইউরেন্ড লেবান নামাযের উপকারিতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে লিখেন, 'আমি কয়েকবার ইহুদী ও অন্যান্য ধর্মে নামাযের যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তার সাথে ইসলাম নামাযের যে রূপরেখা উপস্থাপন করেছে, তার তুলনা করেছি। এতে আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে-ইসলামী নামাযই উত্তম। আমি মনে করি, কয়েকটি ইবাদতের সামষ্টিক রূপ হল নামায। এতে আল্লাহর প্রশংসা, পবিত্রতা, গুণগান ও মর্যাদা বর্ণনা করা হয়। দোয়া ও সকাতর প্রার্থনা, বিনয় ও নম্রতার এক বিস্ময়কর আবহ এতে ফুটে উঠে। আমি শুধু ইসলামী নামাযের এই মহামহিম দৃশ্য দেখার জন্য প্রতি শুক্রবারই ইস্কান্দারিয়ার জামে মসজিদে গিয়ে থাকি। খতীবের জোরালো বক্তব্য, কাতারের শৃঙ্খলা, রুকু সেজদার ভক্তি এ সব বিষয় নিয়ে যখন আমি চিন্তা করি, তখন আমার হৃদয়ে এমন এক আশ্চর্য রকমের প্রতিক্রিয়া হয় যাকে বর্ণনা করার ভাষা আমি পাই না। আমার মনে হয় যেন ইসলাম আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে এবং তার ইবাদতের এই মনোহরী দৃশ্য আমার হৃদয় জয় করে নিচ্ছে।' (দি লেকচার অব এলচাজস-৪৬)
📄 সেন্ট হিলারের কথা
রোমের বিখ্যাত পাদ্রি সেন্ট হিলার 'দি প্রে' নামক বইয়ে লিখেন, আমি মুসলিম বিশ্বের যেসব দেশে গিয়েছি সে সবের প্রতিটির উপাসনালয় প্রত্যক্ষ করেছি। এতে করে নামায নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ হয়েছে। আমার মতে, নামায এক সর্বোৎকৃষ্ট ইবাদত। এক আল্লাহতে বিশ্বাসী বান্দা যখন যাবতীয় কর্মব্যস্ততা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে এবং তাঁর গুণকীর্তন করে, তখন তাদের আত্মা উন্মুক্ত হয় এবং নিজেকে ধর্মীয় বিধির একান্ত অনুসারীতে পরিণত করে এবং নিঃসন্দেহে আল্লাহর সমীপে নিজেকে সেজদাবনত দেখতে পায়। তার যাবতীয় শক্তি সামর্থ্য আল্লাহতে নিবেদিত থাকে। অবশেষে তার হৃদয়-মন পবিত্র ও নিষ্কলুষ হয়। এছাড়াও এই ইবাদতকালে শরীরের যে অনুশীলন হয় সে দিকটাও দৃষ্টি এড়ানোর মতো নয়। এর ফলে দেহ শক্তিশালী হয়। আমি লক্ষ্য করেছি, নামায আদায়কারীরা অবসন্ন ও অলস হয় না। নামাযের জন্য প্রত্যুষে জাগরণ স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
রোমের বিখ্যাত পাদ্রি সেন্ট হিলার 'দি প্রে' নামক বইয়ে লিখেন, আমি মুসলিম বিশ্বের যেসব দেশে গিয়েছি সে সবের প্রতিটির উপাসনালয় প্রত্যক্ষ করেছি। এতে করে নামায নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ হয়েছে। আমার মতে, নামায এক সর্বোৎকৃষ্ট ইবাদত। এক আল্লাহতে বিশ্বাসী বান্দা যখন যাবতীয় কর্মব্যস্ততা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে এবং তাঁর গুণকীর্তন করে, তখন তাদের আত্মা উন্মুক্ত হয় এবং নিজেকে ধর্মীয় বিধির একান্ত অনুসারীতে পরিণত করে এবং নিঃসন্দেহে আল্লাহর সমীপে নিজেকে সেজদাবনত দেখতে পায়। তার যাবতীয় শক্তি সামর্থ্য আল্লাহতে নিবেদিত থাকে। অবশেষে তার হৃদয়-মন পবিত্র ও নিষ্কলুষ হয়। এছাড়াও এই ইবাদতকালে শরীরের যে অনুশীলন হয় সে দিকটাও দৃষ্টি এড়ানোর মতো নয়। এর ফলে দেহ শক্তিশালী হয়। আমি লক্ষ্য করেছি, নামায আদায়কারীরা অবসন্ন ও অলস হয় না। নামাজের জন্য প্রত্যুষে জাগরণ স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
রোমের বিখ্যাত পাদ্রি সেন্ট হিলার 'দি প্রে' নামক বইয়ে লিখেন, আমি মুসলিম বিশ্বের যেসব দেশে গিয়েছি সে সবের প্রতিটির উপাসনালয় প্রত্যক্ষ করেছি। এতে করে নামায নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ হয়েছে। আমার মতে, নামায এক সর্বোৎকৃষ্ট ইবাদত। এক আল্লাহতে বিশ্বাসী বান্দা যখন যাবতীয় কর্মব্যস্ততা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে এবং তাঁর গুণকীর্তন করে, তখন তাদের আত্মা উন্মুক্ত হয় এবং নিজেকে ধর্মীয় বিধির একান্ত অনুসারীতে পরিণত করে এবং নিঃসন্দেহে আল্লাহর সমীপে নিজেকে সেজদাবনত দেখতে পায়। তার যাবতীয় শক্তি সামর্থ্য আল্লাহতে নিবেদিত থাকে। অবশেষে তার হৃদয়-মন পবিত্র ও নিষ্কলুষ হয়। এছাড়াও এই ইবাদতকালে শরীরের যে অনুশীলন হয় সে দিকটাও দৃষ্টি এড়ানোর মতো নয়। এর ফলে দেহ শক্তিশালী হয়। আমি লক্ষ্য করেছি, নামায আদায়কারীরা অবসন্ন ও অলস হয় না। নামাজের জন্য প্রত্যুষে জাগরণ স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
📄 পাদ্রি জেমস মুলার এর বর্ণনা
ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।
মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।
ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।
মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।
ধর্ম-গুরু জেমস বর্ণনা করেন, পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে কাজ করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ হওয়া কঠিন। আমি এখন নিরপেক্ষতার এই দুর্গম পথই অবলম্বন করতে যাচ্ছি। আমি বারবার আমার মুসলিম বন্ধুদের সাথে আলাপ-আলোচনা করছি এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি। সুদীর্ঘ তের শত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তারা তাদের পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করে, তাঁর প্রতিটি কাজকে প্রিয় ভাবে।
মুসলিম বিশ্বের জনগণ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত পালন করছে। তার নাম 'নামায'। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারীদের বিশ্বাস হল, নামায খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে এবং অশ্লীলতা থেকে নিরাপদ রাখে। বাহ্যত তাদের এই বিশ্বাস সঠিক মনে হয় না। কারণ, অনেক নামাযীকে খারাপ কাজে লিপ্ত দেখা যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার (মাসে একশত পঞ্চাশ বার) মহান প্রভুর সম্মুখে আত্মশুদ্ধির প্রতিজ্ঞা করে এবং গুনাহের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সে একদিন না একদিন অবশ্যই তার এই প্রতিজ্ঞা পূরণে সক্ষম হবে এবং প্রকৃত খোদাভীরুতা অর্জন করতে পারবে।