📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইমাম আবু হানিফা রহ. এর ঘটনা

📄 ইমাম আবু হানিফা রহ. এর ঘটনা


কোন এক সময় ইমাম আবু হানীফা রহ. চলমান পানিতে ওযু করছিলেন। হঠাৎ ওযু করা ত্যাগ করে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং পানির প্রবাহের উৎসের দিকে চলতে লাগলেন। অনুসন্ধানের পর জানা গেল যে, সেই পানিতে একজন ব্যভিচারী পুরুষ গোসল করছিল।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আযান

📄 আযান


আযান হলো নামাযের জন্য আহ্বান এবং এ কথার ঘোষণা যে, সমস্ত মাখলুক ছোট কিন্তু আল্লাহ তাআলাই বড়। এ আহ্বানে এমন জাদু এবং বড়ত্ব রয়েছে যে, অমুসলিমরাও এ আহ্বান শুনে প্রভাবিত হয়।

আমার এক পরম বন্ধু হাজী মুহা. রফীক সাহেব একবার বলেন, 'আমরা এক সফরে ছিলাম। এক গির্জার কাছে পৌঁছতেই নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেল। এক সফর সঙ্গী নামাযের জন্য আযান দিল। তখন গীর্জার পাদ্রি আমাদের কাছে জানতে চাইলেন, আমরা এ কি আওয়াজ দিলাম! এ আওয়াজে রয়েছে এক আশ্চর্য ধরনের বড়ত্ব, মহত্ব এবং আকর্ষণ।

হাজী সাহেব বলেন, 'এ সফরেরই অন্য এক জায়গায় আমরা আযান দিলে লোকেরা কানে আঙ্গুল গুঁজে বলতে লাগল, এ আওয়াজের এক আশ্চর্য ধরনের বড়ত্ব এবং আকর্ষণ রয়েছে।'

বিজ্ঞানী নীল আর্মস্ট্রং যখন চাঁদে যান, তখন তিনিও আযান শুনতে পেয়েছিলেন। একবার মিশরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আযানের আওয়াজ শুনে বলেন, 'এ আওয়াজ তো আমি চাঁদে শুনেছিলাম।'

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আযান আমার জীবন বদলে দিয়েছে (Aazan Changed my life)

📄 আযান আমার জীবন বদলে দিয়েছে (Aazan Changed my life)


কানাডার পপ স্টার ওবাং ব্রাউন কিছুদিন আগে জেদ্দায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাঁর ইসলামী নাম মুহাম্মদ ব্রাউন। তিনি কানাডার বিশ্ব নন্দিত ড্যান্সার এবং গায়ক মাইকেল জ্যাকসনের ভাই জেমি জ্যাকসনের সাথে প্রায়ই শো করতেন। জেমি জ্যাকসন ইসলাম গ্রহণ করার পর ব্রাউন সর্বপ্রথম ইসলাম শব্দটির সাথে পরিচিত হন। ব্রাউনের জন্ম ও লালন-পালন এক খাঁটি ক্যাথলিক পরিবারে। তিনি বন্ধু জেমি জ্যাকসনের বাইতুল্লাহর হজ্জ সেরে ফিরে আসার সময় আনীত কিতাবপত্র অধ্যয়ন করা শুরু করেন। তা ছাড়াও জেমি জ্যাকসনের জীবনে মুসলমান হওয়ার পর যে পরিবর্তন এসেছে, তাও তাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তার ভাষ্য হল, 'ইসলামী কিতাবাদি অধ্যয়ন করার পর ইসলামের সত্যতা আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে। নতুবা এর পূর্বে আমি ইসলামকে একটি ভয়ানক অকেজো ধর্ম বলে মনে করতাম। কিতাবপত্র অধ্যয়ন আমার সামনে একটি নব দুনিয়ার দ্বার উন্মোচন করে। ইসলামের পয়গাম আমার মনে ছোঁয়া দিতে লাগল। এতে করে আমি ইসলাম সম্পর্কে আরও অধিক জ্ঞান লাভ করার প্রেরণা পাই।'

ঘটনাক্রমে আমি একবার নিউইয়র্কে আমার মায়ের নিকট গেলাম। সেখানে আমার আবাসগৃহের সন্নিকটেই একটি মসজিদ ছিল। সেখানে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আযান হত। প্রতিটি আযানের সময়ই আমার হৃদয়রাজ্যে শুরু হত আশ্চর্যজনক কম্পন। এরপর অধীর আগ্রহ আমাকে টেনে নিয়ে গেল সুদূর মিসর ও সৌদি আরবে। সেখানে আমি মুসলিম সমাজ এবং পরিবেশকে খুব কাছ থেকে অবলোকন করার পর ইসলাম গ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। (ওহ্ জিন কা রাহবার কুরআন হায়)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নামাযের সুমহান উপকারিতার স্বীকৃতি

📄 নামাযের সুমহান উপকারিতার স্বীকৃতি


নামায হল ধর্মের স্তম্ভ। ইউরোপীয় বিজ্ঞানী ও জ্ঞানীগণ নামায সম্পর্কে কি বলেন লক্ষ্য করুন-

মিশরের সুপ্রসিদ্ধ পত্রিকা 'আল-মুআইয়াদ' (কায়রো)-এ 'নামাযের ফযীলত' শিরোনামে একটি সারগর্ভ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে লেখক যথেষ্ট পড়াশুনা ও তথ্যানুসন্ধান করে নামাযের নিগূঢ় তাৎপর্য প্রকাশ করেছেন। নামাযের ফজিলত সম্পর্কে পশ্চিমা দার্শনিকদের মতামতসমূহ একত্রিত করেছেন। এরপর ঐ প্রবন্ধে সেসব মতামত তুলে ধরা হয়েছে। এই পবিত্র ইবাদতের দ্বারা কি কি জাগতিক বা আধ্যাত্মিক উপকার পাওয়া যায় তাও তিনি ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন-

'ইউরোপ তার কৃষ্টি-কালচার নিয়ে গর্বিত হলেও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নাস্তিক্যবাদের লালনকেন্দ্র। এ দুনিয়াতে নাস্তিক্যবাদের যত রূপ মাথা চাড়া দিয়েছে, তার সবকটিরই মূলে রয়েছে আজকের ইউরোপ। কিন্তু আল্লাহ কি কুদরত! নাস্তিক্য পোষণকারী এই ইউরোপে এমন সত্যপ্রিয় লোকও রয়েছে যারা পূর্ণ শক্তিতে সত্যের সাহায্যে সদা নিয়োজিত। তারা চলমান মুক্ত চিন্তার স্রোতকে অতি দ্রুত বিলুপ্ত করতে অস্থির। এখানে 'পশ্চিমা বিজ্ঞানী' বলতে তাদের কথা বলা হয়েছে, যারা মুক্ত মনের হয়েও ধর্মের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের প্রচারক। যাদের দর্শন অহংকেন্দ্রিক নয়; বরং সত্যকেন্দ্রিক। এ রকম অকপট উদার চিন্তাধারী কয়েকজন নামায সম্পর্কিত তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। আমরা বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শুধু নাস্তিকতাই নয়; বরং এক সর্বগ্রাসী অলক্ষুণে কালবৈশাখীর বিপরীতে ঈমানের আলো বিকিরণ করছি। তাই তাদের অভিমত প্রচার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00