📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রাশিয়ানদের এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা (A valuable Russian Research)

📄 রাশিয়ানদের এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা (A valuable Russian Research)


ভারতে ডাক্তার বা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে 'হাতযশ' নামে একটা বিশেষ বাগধারা প্রচলিত। রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা মানবদেহে গবেষণা চালিয়ে ভারতীয় এই বাগধারার রহস্য উদ্ঘাটন করার চেষ্টা করেছেন। কয়েক বছরের গবেষণায় তারা এই বাগধারা প্রচলনের কারণ হিসেবে যা উল্লেখ করেছেন তার মূলকথা হলো -

যে সব চিকিৎসকের নিয়ত 'রোগীর রোগ মুক্তি', তাদের দেহ-নিঃসৃত এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি (Invisible Rays) রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এই রশ্মির ইতিবাচক কার্যকারিতায় রোগীর আরোগ্য লাভ ত্বরান্বিত হয়। পক্ষান্তরে চিকিৎসকদের মধ্যে যাদের নিয়ত 'অর্থ উপার্জন' বা 'সুখ্যাতি লাভ', তাদের দেহ নিঃসৃত অদৃশ্য রশ্মিগুলো নেতিবাচক গুণ সম্পন্ন। অদৃশ্য রশ্মির এই কু-প্রভাবে রোগমুক্তির তো ঘটেই না; বরং আরেকটি ব্যাধি সৃষ্টি করে।-(হামদর্দ বার্তা অবলম্বনে)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অযু করার সময় তাপ নির্গমন-একটি পর্যালোচনা

📄 অযু করার সময় তাপ নির্গমন-একটি পর্যালোচনা


প্রফেসর নবীর আহমাদ সাহেব বলেন, 'ইউরোপ সফরে আমার এক মহিলার সাথে সাক্ষাত হয়। কথোপকথনের এক পর্যায়ে সে বলতে লাগলো আমি অনুসন্ধান করে দেখেছি, ওযু করার সময় এক বিশেষ ধরনের তাপ দেহ থেকে নির্গত হয়।'

এই মহিলাই আরও বললো, 'আমি মুসলমানদের সেজদা করা দেখে নিজেও সেজদা করা আরম্ভ করি। মাটিতে মাথা রাখলে আমি এমন কিছু পাই যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।'

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইমাম আবু হানিফা রহ. এর ঘটনা

📄 ইমাম আবু হানিফা রহ. এর ঘটনা


কোন এক সময় ইমাম আবু হানীফা রহ. চলমান পানিতে ওযু করছিলেন। হঠাৎ ওযু করা ত্যাগ করে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং পানির প্রবাহের উৎসের দিকে চলতে লাগলেন। অনুসন্ধানের পর জানা গেল যে, সেই পানিতে একজন ব্যভিচারী পুরুষ গোসল করছিল।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আযান

📄 আযান


আযান হলো নামাযের জন্য আহ্বান এবং এ কথার ঘোষণা যে, সমস্ত মাখলুক ছোট কিন্তু আল্লাহ তাআলাই বড়। এ আহ্বানে এমন জাদু এবং বড়ত্ব রয়েছে যে, অমুসলিমরাও এ আহ্বান শুনে প্রভাবিত হয়।

আমার এক পরম বন্ধু হাজী মুহা. রফীক সাহেব একবার বলেন, 'আমরা এক সফরে ছিলাম। এক গির্জার কাছে পৌঁছতেই নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেল। এক সফর সঙ্গী নামাযের জন্য আযান দিল। তখন গীর্জার পাদ্রি আমাদের কাছে জানতে চাইলেন, আমরা এ কি আওয়াজ দিলাম! এ আওয়াজে রয়েছে এক আশ্চর্য ধরনের বড়ত্ব, মহত্ব এবং আকর্ষণ।

হাজী সাহেব বলেন, 'এ সফরেরই অন্য এক জায়গায় আমরা আযান দিলে লোকেরা কানে আঙ্গুল গুঁজে বলতে লাগল, এ আওয়াজের এক আশ্চর্য ধরনের বড়ত্ব এবং আকর্ষণ রয়েছে।'

বিজ্ঞানী নীল আর্মস্ট্রং যখন চাঁদে যান, তখন তিনিও আযান শুনতে পেয়েছিলেন। একবার মিশরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আযানের আওয়াজ শুনে বলেন, 'এ আওয়াজ তো আমি চাঁদে শুনেছিলাম।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00