📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কুদরতি ব্যবস্থা

📄 কুদরতি ব্যবস্থা


অলৌকিক শক্তি প্রতিটি কাজের জন্য একটি নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছে। জীবনে ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রত্যেকটি জিনিসের দুটি দিক রয়েছে যেমন— যমিনের বিপরীত আসমান, চাঁদের বিপরীত সূর্য, শীতকালের বিপরীত গ্রীষ্মকাল। ফুল এবং চারা গাছের উপর বসন্তও আসে আবার হেমন্তও আসে। আল্লাহ তায়ালা পুরুষের পাশাপাশি মহিলাও সৃষ্টি করেছেন। সৎকাজের পাশাপাশি অসৎ কাজেরও সদম্ভ পাদচারণা রয়েছে। মোটকথা, প্রত্যেকটি জিনিসের দুটি দিক আছে। ফলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় থাকে যেমন ধরুন রাত যায়, দিন আসে। আর দিন ভর কাজ করার পর বিশ্রামের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রাতের আগমন। এ প্রাকৃতিক জীবন ব্যবস্থায় কোথাও কোন ছেদ পড়লে জীবন অশান্তি-অস্থিরতার মধ্যে কাটে। দিন ভর কাজ করার পর রাতে যদি ঘুম না আসে, তবে মানুষ ক্লান্তি, অস্থিরতা, দুর্বলতা এবং বিভিন্ন দুশ্চিন্তায় ভোগে। তার সব চেষ্টা ঘুম এবং আরামের অন্বেষায় ব্যয়িত হয়। অনিদ্রা এককভাবে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে না; বরং অনিদ্রার সাথে সাথী হয় অস্থিরতা। বিভিন্ন কারণে এমন হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 স্বল্প নিদ্রার ক্ষতি

📄 স্বল্প নিদ্রার ক্ষতি


বিশেষজ্ঞরা কখনো এ বিষয়ে একমত হতে পারেন নি যে, সুনির্দিষ্ট কিছু কারণের কোন একটির ফলে অনিদ্রা দেখা দেয়। বরং প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা কারণ উল্লেখ করেছেন। তবে তারা এ ব্যাপারে একমত যে, অনিদ্রা নিজে কোন রোগ নয়; বরং অন্যান্য রোগের কারণে অনিদ্রা দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে এ থেকে আরো কিছু রোগ সৃষ্টি হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং মনোরোগ বিদ্যার উৎকর্ষ

📄 চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং মনোরোগ বিদ্যার উৎকর্ষ


চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং মনোরোগ বিদ্যা উভয়টিই এমন উন্নতি লাভ করেছে যে, হাতে গোনা কয়েকটি রোগ ব্যতীত সব রোগই চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা যায়। অনিদ্রা চিকিৎসাতীত রোগ নয়। এর সম্পর্ক রয়েছে মানসিক প্রশান্তি এবং স্থিরতার সাথে। তাই এর চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি ও ধৈর্যের কাজ। অনিদ্রার চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর প্রতি পৃথক দৃষ্টি রাখতে হয়। মস্তিষ্ক পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া অগণিত সম্ভাব্য কারণ হতে বিশেষ একটিকে চিহ্নিত করার জন্য প্রত্যেকটি কারণকে আলাদা আলাদা পরীক্ষা করে দেখা হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অনিদ্রার স্তর

📄 অনিদ্রার স্তর


বিশেষজ্ঞরা অনিদ্রার শ্রেণীবিন্যাসও করেছেন। অনিদ্রা একেবারে সাধারণ ধরনের হতে পারে। আবার জটিল ধরনেরও হতে পারে। যদি আপনার বাসস্থান রেলওয়ে স্টেশনের ধারে কাছে কোথাও হয়, তবে আপনার অনিদ্রা একেবারে সাধারণ ধরনের। অনুরূপ কোন অন্তরঙ্গ বন্ধুর সাথে ঝগড়ার কারণে অথবা আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আপনাকে কঠোর ভাষায় কিছু বলেছেন হেতু রাত ভর জাগ্রত থাকা মূলত অনিদ্রা নয়; বরং অস্থিরতা।

তবে কেউ যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে অনিদ্রায় ভুগে তবে এটাকে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত। আপনার এ অনিদ্রার কারণ হলো হয়তো আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ নন। আপনি কোন রোগে আক্রান্ত অথবা আপনার স্ত্রী/স্বামীর সাথে ঝগড়া লেগেই থাকে। কিংবা আপনি বেকারত্বে ভুগছেন ইত্যাদি। অন্য আরেকটি কারণ (যা অধিকাংশ ছাত্রদের মধ্যে পাওয়া যায়) হলো পরীক্ষার ভয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিদ্রার এ কারণটি এমন বিপজ্জনক নয় যে, এ নিয়ে বেশি চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। বাস্তব কথা হলো, এমন অনিদ্রা যা আপনাকে মাসের পর মাস অথবা বছরের পর বছর শান্তির ঘুম থেকে বঞ্চিত রাখে, মূলত সেটিই অনিদ্রার চরম অবস্থা। আর এ অনিদ্রাই এমন সূক্ষ্ম বিষয় যা ডাক্তার, মনস্তত্ত্ববিদ এবং বিশেষজ্ঞদের মাথা ব্যথার কারণ হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00