📄 দশটি বিষয় (Ten in Talking)
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশটি বিষয়কে মানব স্বভাবের অংশ হিসাবে গণ্য করেছেন। তন্মধ্যে কয়েকটি এখানে পেশ করছি।
১. গোঁফ কাটা; ২. দাড়ি লম্বা করা; ৩. মিসওয়াক করা; ৪. নাকে পানি দেওয়া; ৫. নখকাটা; ৬. আঙ্গুলের গ্রন্থি ধৌত করা; ৭. বগলের লোম পরিষ্কার করা।
আলোচ্য হাদীসে বর্ণিত বিষয়গুলোই কমিউনিটি মেডিসিনের ভিত্তি। ত্বকের উপকারিতা সম্পর্কে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। বগল, নাভীর নীচের পশম, আঙ্গুলের নখ ও গোঁফ বহু জীবাণুর বাসস্থান। জীবাণুগুলো এসব স্থানের ত্বক ভেদ করে অভ্যন্তরীণ অঙ্গকেও আক্রান্ত করে। শুধু আঙ্গুল অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণেই টাইফয়েড, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধি বিস্তার লাভ করে। নখের ভিতর বিভিন্ন পরজীবীর ডিম আটকে থাকে। সেগুলো মুখ হয়ে পেটে যায় এবং সেখানে সাপের মত বড় আকার ধারণ করে শরীরের পরিপাকতন্ত্রকে ধ্বংস করে। শরীরের যে যে অঙ্গের ত্বকে ভাঁজ পড়ে যেমন— বগল, আঙ্গুল ও নাভীর নীচ এ সব স্থানে রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শরীরের এসব অঙ্গে রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং জীবাণু দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করে। অতএব, নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা, আঙ্গুলের গ্রন্থি ধৌত করা ও নাভীর নীচের পশম পরিষ্কার করা স্বাস্থ্য রক্ষাকারী মেডিসিনের মূল ভিত্তি।
📄 মুখ পরিষ্কার রাখা
মুখ হলো শরীরের প্রবেশ পথ। মুখের ভিতরে দাঁত, মাড়ি, টনসিল ও মুখবিবর (Oral cavity) থাকে। এসব অঙ্গ খাদ্যকে সহজ প্রাচ্য ও হজমের উপযোগী করে শরীরের ভিতরে প্রেরণ করে। ফলে খাদ্য হজম করা সহজ হয়। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শরীরের জন্য অসীম গুরুত্বপূর্ণ এ অঙ্গটির হেফাজতের জন্য বহু আমল ও ব্যবস্থা শিক্ষা দিয়েছেন যেমন— খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, খাওয়ার আগে ও পরে কুলি করা। এতে করে দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা ময়লা দূর হয় এবং দাঁত ও মাড়ি সংক্রমণ থেকে রক্ষা পায়। নামাযের আগে প্রতিদিন ৫ বার মিসওয়াক করার আদেশ করেছেন। মিসওয়াক দাঁতে লেগে থাকা খাবারের সূক্ষ্ম কণাগুলো দূর করে। ফলে সেগুলো দাঁত ও মাড়ির কোন ক্ষতি করতে পারে না। কণাগুলো দীর্ঘ সময় জমে থাকলে দাঁতে অনেক রোগ-ব্যাধি সংক্রমিত হয়। দন্ত বিশেষজ্ঞ প্রতি ছয় মাস ব্যবধানে দাঁত স্কেলিং করার পরামর্শ দেন। কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপদেশ অনুসারে মিসওয়াক করলে দাঁত সর্বদা পরিষ্কার থাকে। স্কেলিং এর সাহায্যে দাঁত ওয়াশ করার প্রয়োজন হয় না। অতি গরম, অধিক ঝাল ও লবণাক্ত খাবার খেতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। তাঁর এই একটি উপদেশ কার্যকর করা হলে মুখকে Pharyngitis ও Stomatitis থেকে রক্ষা করা যেতে পারে।
মুখের পর থেকেই শুরু হয়েছে খাদ্য পরিপাকের দীর্ঘ নালী। সেই নালীরও বিভিন্ন কাজ রয়েছে। পরিপাকতন্ত্রের অংশগুলো একে-অপরের সহযোগী। পরিপাকতন্ত্রে থাকে পরিপাকে সহায়তাকারী গ্রন্থি যথা— লালাগ্রন্থি, পিত্তথলি ও যকৃত। শরীরে প্রবিষ্ট খাদ্য চূড়ান্ত পর্যায়ে এসব গ্রন্থি থেকে আসা এনজাইম বা পাচক রসের সহায়তায় পরিপাক হয়ে রক্তে মিশে। অপ্রয়োজনীয় অংশ মল আকারে দেহ থেকে বের হয়ে যায়। খাবার গ্রহণ করা থেকে মল-মূত্র ত্যাগ করা পর্যন্ত পরিপাকতন্ত্রের প্রত্যেক অংশ বিশেষ দায়িত্ব পালন করে এবং এক একটি অংশের একটি সুনির্দিষ্ট পরিমণ্ডল রয়েছে। এ সব অঙ্গের কাজে সামান্যতম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে দেহের পরিচালনা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে এবং অসুস্থতার দীর্ঘ ধারা শুরু হয়। বলা বাহুল্য, এই শৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্য খাবারের মান ও পরিমাণ যথাযথ হওয়া অপরিহার্য। দেখুন এ সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?
খাবারের পরিমাণের ব্যাপারে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'মুমিন এক পেটে আহার করে আর কাফের সাত ভূড়িতে ভোজন করে।' হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন 'কোমর সোজা রাখার জন্য কয়েক লোকমা খাবার যথেষ্ট। তোমাদের খাবারের একান্ত প্রয়োজন হলে পাকস্থলির একভাগ খাবার ও একভাগ পানি দ্বারা পূর্ণ করবে এবং বাকী এক ভাগ শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য শূন্য রাখবে। অন্য হাদীসে আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই হাঁটু ভূমিতে মিশিয়ে এক পায়ের পাতা খাড়া করে বসে খানা খেতেন।
আলোচ্য হাদীসগুলোতে পরিমিত খাবার গ্রহণ করার প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। পানি, খাদ্য ও পাচক রসের বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়। অতঃপর এ গ্যাস পাকস্থলির উপরাংশে চলে আসে। যদি পাকস্থলীকে খাবার দ্বারা একেবারে ভর্তি করা হয় তাহলে গ্যাস অবস্থানের কোন জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। ফলে পাকস্থলী নানা রকম রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়— যেমন শ্বাস কষ্ট ইত্যাদি। পক্ষান্তরে সুন্নাত তরীকায় বসার দ্বারা পাকস্থলি সংকোচিত থাকে। ফলে অতি ভোজনের সুযোগ পায় না। মোটকথা মুমিন এক পেটে আহার করে আর কাফের সাত পেটে আহার করে— এ কথা বলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতি ভোজন ও পরিতৃপ্ত আহারের প্রতি নিরুৎসাহিত করেছেন।
📄 খাবার রক্তে পরিণত হয়
ভুক্ত খাবার পরিপাকের পর শোষণযোগ্য সরলতম উপাদানে বিশ্লিষ্ট হয়। পরিপাকের চূড়ান্ত পর্যায়ে খাদ্যের জটিল ও বৃহদাকার অণুগুলোই সরলতম উপাদানে বিশ্লিষ্ট হয়। তখনকার মত এগুলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত হলে রক্তে মিশে চর্বির আকৃতিতে একত্রিত হয়ে শরীরে শক্তি বর্ধন করে। শরীরের প্রতিটি কোষের খাদ্য হলো গ্লুকোজ যা ব্যতীত শরীর অকেজো। তদ্রূপ, গ্লুকোজের সাথে ইনসুলিন থাকা প্রয়োজন যেহেতু ইনসুলিনের উপস্থিতি ছাড়া গ্লুকোজ শরীরের দেহ-কোষগুলোতে শোষিত হতে পারে না। এই ইনসুলিন একটা বিশেষ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। নিঃসৃত ইনসুলিনের (একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ) উপস্থিতিতে দেহ-কোষসমূহ একটি বিশেষ পরিমাণ গ্লুকোজ শোষণ করতে পারে। পরিপাক ক্রিয়ায় সেই বিশেষ পরিমাণের চেয়ে বেশি গ্লুকোজ রক্তে অবমুক্ত হলে অবমুক্ত গ্লুকোজের এই 'বেশি অংশ' রক্তেই থেকে যায়। ফলে ডায়াবেটিস হয়। ডায়াবেটিস শরীরের প্রতিটি অঙ্গে প্রভাব ফেলে শরীরের সমস্ত নিয়ম শৃঙ্খলার পরিবর্তন আনে। এ রোগকে ইংরেজীতে Microvascular Angiopathy বলা হয়। অর্থাৎ এ রোগের ক্ষতি রক্তের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ও সূক্ষ্মতিসূক্ষ্ম রক্তবাহিকাগুলোতে পৌঁছে। ফলে কিডনি, চোখ, হৃদপিণ্ড ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রভাবিত হয়। তাই খাওয়ার ব্যাপারে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপদেশ অনুসরণ করা হলে এ সকল রোগ-ব্যাধি থেকে সহজে মুক্ত থাকা যাবে।
একবার মিসর থেকে মদিনায় আগত এক ডাক্তার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ তুলল, 'আমার কাছে মদীনার কোন রোগী আসে না। এটা আমাদের প্রতি আপনার অবজ্ঞা নয় কি? অথচ আপনাদের খেদমতের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে।' তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ডাক্তারকে বললেন, 'এটা মূলত তোমাদের প্রতি আমাদের অবজ্ঞা নয়। বরং আমাদের কেউ অসুস্থই হয় না। কেননা ক্ষুধার অনুভূতি প্রচণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আমরা খাবার হাত বাড়াই না এবং কিছু ক্ষুধা অবশিষ্ট থাকতেই আমরা খাবার থেকে হাত গুটিয়ে নেই।'
উপরোক্ত হাদীসগুলো শরীরের বিভিন্ন রোগ যথা— ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, অর্ধাঙ্গ ইত্যাদি থেকে বাঁচার সতর্কতামূলক শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা। অধিক ভোজনে রক্তনালীতে চর্বি জমে যাওয়ায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদপিণ্ডের কম্পন বেড়ে যায়। এটা সমগ্র শরীরকে প্রকম্পিত করে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহু বছর আগেই বলেছেন, 'শরীরে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে। এটা নষ্ট হলে সমস্ত শরীর নষ্ট হয়। আর ভালো থাকলে সমস্ত শরীর ভাল থাকে। মনে রাখবে, সেই টুকরাটি হলো হৃদপিণ্ড।' এই হাদীস ও খাওয়া সংক্রান্ত অন্যান্য হাদীসগুলো এক সাথে বিবেচনায় আনলে বহু রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে।
📄 হাদীসের উদ্ধৃতি (Reference of Hadith)
হাদীস থেকে আমরা জেনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদা পোষাক সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন। এর কারণ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রুচি ও পছন্দ মানুষের জন্য আদর্শ। অস্ত্রোপচারের সময় মাথার চুল ও মুখমন্ডল, মুখাবরণী (Mask) দ্বারা ঢেকে নেওয়া হয়। ক্ষতকে মাথার চুল এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে নির্গত জীবাণু থেকে রক্ষা করার জন্য এমনটি করা হয়। হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্যে ফুঁ দেওয়াকে নিষেধ করেছেন। তাঁর এ মোবারক অভ্যাসকেই অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে মুখাবরণীর আকারে কার্যকর করা হয়েছে। এতে করে নাক ও মুখে অবস্থানকারী জীবাণু ক্ষতে প্রবেশ করে ক্ষতের ক্ষতি করতে পারে না। আমরা নামাযের সময়ও টুপি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখি। ইসলামী সমাজে মসজিদের অপরিসীম গুরুত্বের কথা কারো অজানা নয়। মসজিদের উদ্দেশ্য তো সমাজে খোদাভীতির দ্যুতি সৃষ্টি ও পবিত্রতার স্বাস্থ্য সম্মত মান বজায় রাখা। মসজিদ এমন একটি কেন্দ্র যেখান থেকে মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিচ্ছন্ন হয়ে বের হয়।
কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, 'যে মসজিদকে প্রথম দিন থেকেই তাকওয়া বা পবিত্রতার উপর প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, সেটিই সবচেয়ে বেশি উপযোগী যে, তোমরা তাতে (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) দণ্ডায়মান হবে। তাতে এরূপ লোকেরা পবিত্র থাকতে পছন্দ করে এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীই আল্লাহ তাআলার বেশি পছন্দনীয়।' (সূরা তাওবাঃ ১০৮)
সুতরাং আমরা মসজিদের জন্য পরিচ্ছন্ন স্থানকেই বেছে নিই। পশ্চিমা জগত পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে আমাদের এসব মূলনীতিরই কয়েকটি গ্রহণ করে নিজেদের সমাজ ব্যবস্থায় কার্যকর করেছে। মসজিদে প্রবেশ করতে হলে জুতা মসজিদের বাইরে খুলে ফেলা আবশ্যক যাতে জুতায় আটকে থাকা ময়লা মসজিদের ভিতরে আসতে না পারে। তাছাড়া নামাযেও জুতা খুলে খালি পায়ে দাঁড়ানো হয় যাতে মানুষ আল্লাহর দরবার পূর্ণ পরিচ্ছন্নতা সহকারে উপস্থিত হতে পারে। এ মূলনীতিটিকেও অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে। জুতা নিয়ে সেখানে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ। অস্ত্রোপচারের পূর্বে শল্যবিদ দুই হাত এবং বাহু কনুইসহ কয়েক মিনিট ধৌত করে। এর উদ্দেশ্য হল হাত এবং বাহু জীবাণুমুক্ত রাখা। এ সময় হাত থেকে কনুইয়ের দিকে পানি প্রবাহিত করা হয়। অযু নামাযের একটি মৌলিক শর্ত। অযুতে হাত এবং কনুই ধৌত করা ফরয এবং পানি হাত থেকে কনুইয়ের দিকেই গড়িয়ে দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য হল, কনুইয়ের ময়লা হাতের পাতার দিকে যেন গড়িয়ে না আসে। অযুতে প্রতিটি আমল তিনবার করা হয়। এর দ্বারা স্পষ্টতই বুঝা যায়, এর উদ্দেশ্য হল যতদূর সম্ভব সব ধরনের ময়লা দূর করা। হাত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মূলনীতি হল হাত ধোয়ার পর কোন কাপড় দিয়ে হাতে লেগে থাকা পানি না শুকানো। হাদীস পাঠে জানা যায়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কর্মপদ্ধতি এটাই। এ নীতিরই অনুসরণ করা হয় অস্ত্রোপচারে। অস্ত্রোপচারের পর রোগী দ্রুত সুস্থ হওয়ার পূর্বশর্ত ক্ষতে পচন না ধরা কিংবা পুঁজ না হওয়া। হাদীসের কিতাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ এরশাদ বর্ণনা করা হয়েছে যাতে ক্ষতস্থানকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পানি দ্বারা ধোয়া এবং তাতে পরিচ্ছন্ন কাপড়ের পট্টি বাঁধার উল্লেখ রয়েছে।