📄 দীর্ঘ দেহ ও তার রহস্য
এক বিশেষজ্ঞ নিজ ঘটনা বর্ণনা করতে দিয়ে বলেন, 'আমরা সারা জীবন মাটিতে শয়ন করে পরীক্ষা করে দেখেছি, 'মাটিতে শয়ন করলে দেহ সুন্দর, সাবলীল ও দীর্ঘ হয়, চেহারায় রক্তিম আভা ফুটে উঠে।' এমন কেন হয়, আধুনিক বিজ্ঞান এর ব্যাখ্যায় কি বলে, তা লক্ষ্য করুন। মাটিতে উপবেশন করলে শরীর মাত্রাতিরিক্ত মোটা হয় না।
📄 মাটিতে উপবেশন করলে শরীর মাত্রাতিনিক্ত মোটা হয় না
আমেরিকান বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাটিতে উপবেশন করলে অনেক রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। এমনকি মাত্রাতিরিক্ত মোটা হওয়ার কষ্ট থেকেও বাঁচা যায়। (মেডিকেল সার্ভে)
📄 জুন কুলেন্স এর অভিজ্ঞতা, পদার স্বীকারোক্তি
অন্ডসার হেলথ কেয়ার সেন্টার এর ডাক্তার উসওয়ালড মার্টিন ত্বকের উপর গবেষণা চালিয়ে প্রমাণিত করেছেন, ত্বকের আবৃত অংশ উন্মুক্ত অংশের তুলনায় তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। ড. মার্টিন এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য দু ব্যক্তির মাঝে পরীক্ষা চালিয়েছেন। এক ব্যক্তির বয়স ছিল পঞ্চাশ বছর। সে তার কোমর ও নিতম্ব সূর্যের কিরণ থেকে বাঁচিয়ে রাখতো। অপর ব্যক্তির বয়স ছিল বিশ বছর। সে অনবরত ঘণ্টার পর ঘণ্টা রৌদ্রে থাকতো। তাদের ত্বক পরীক্ষা করে দেখা গেছে, উভয়ের মধ্যে বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও দুই জনের কোমর ও নিতম্বের ত্বকে বিশেষ কোন পার্থক্য ছিল না।
মনে রাখবে আমাদের শরীরের যে সব অংশ খোলা থাকে তাতে বয়সের চেয়ে সূর্যের আলোর অধিক প্রভাব পড়ে। আপনি নিশ্চিতভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। সূর্যের কিরণ শরীরের ত্বকে কি পরিমাণ প্রভাব ফেলে তা অনুমান করার জন্য নিজের বাহু, হাতের কব্জি ও আঙ্গুলের প্রতি লক্ষ্য করুন। বাহুর ত্বকের তুলনায় হাতের কব্জি ও হাতের ত্বক অধিক উজ্জ্বল ও সতেজ বলে মনে হবে। ত্বকের উপর সরাসরি সূর্যের কিরণ পড়ার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল তৎক্ষণাৎ সে ক্ষতি অনুভূত না হওয়া।
📄 একজন মুসলিম চিন্তাবিদের কথা
কাফেরের উপাসনা ও আকীদা-বিশ্বাসের প্রভাবে কোন মুসলমান ধর্ম ত্যাগ করে না; বরং কাফেরের সাহচর্যের কারণে অমুসলমান হয়। তাঁর যুক্তি হলো— চারটি বিষয় দ্বারা কুফর বিস্তার লাভ করে; ১. সম্পদ; ২. রাজত্ব; ৩. নারী; ৪. পদবী। কারণ কুফর প্রসারিত হওয়ার পথ দু'টি: ১. ইংরেজি স্কুল; ২. প্রযুক্তি।
১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের টাইমস পত্রিকায় পড়েছি বিশ বা পঞ্চাশ বছর পর সারা বিশ্বে ইসলাম বিজয় লাভ করবে। ইংল্যান্ড ও আমেরিকার জ্ঞানীগুণীরা যৌথভাবে বিষয়টি নিয়ে অনেক চিন্তা গবেষণা চালিয়ে কোন কর্তব্য কর্ম নির্ধারণ করতে না পেরে রোমের ধর্মযাজক জন পল পোপ এর শরণাপন্ন হল। পল আলোচনা শুনে তাদেরকে এ প্রশ্নের উত্তর দিতে বলেন, 'মুসলমানদের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে পড়াশোনা করে, না-কি দ্বীনী মাদ্রাসায়?' সকলে বললো, 'আশি ভাগের অধিক ছেলেমেয়ে স্কুলে পড়ে। আর বাকি বিশ ভাগ মাদ্রাসায় পড়ে।' উত্তর শুনে খ্রিষ্টান পোপ অবলীলায় তাদেরকে আশ্বস্ত করল, 'তোমরা কানে তুলা দিয়ে ঘুমিয়ে থাক। কারণ শিশুগুলো আমাদেরই, মুসলমানদের নয়।'
মুসলিম চিন্তাবিদ আরও বলেন, 'তোমরা আমাকে তিনটি বিষয়ের নিশ্চয়তা দাও, তাহলে আমি তোমাদেরকে সুস্থতার নিশ্চয়তা দেব: ১. সুতি কাপড় পরিধান করবে; ২. সাধারণ ও স্বল্প পরিমাণ খাবার গ্রহণ করবে; ৩. পায়ে হেঁটে চলাফেরা করবে।'