📄 এশার নামাযের পর কথোপকথন ও জাগ্রত থাকা
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার পর জাগ্রত থাকা ও কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বলেন, এশার নামাযের পর ধর্মীয় ও পারিবারিক প্রয়োজনে ছাড়া কেউ জাগ্রত থাকবে না। (তাবগীব ও তারতীব)
এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা দিনের ক্লান্তির পর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেওয়ার জন্য রাতের প্রথম ভাগে শয়ন করা এবং প্রত্যুষে তাড়াতাড়ি শয্যা ত্যাগ করা উচিত। শয়নে দেরি করলে সূর্য উঠার পরও বিছানায় থাকতে হয়। ঘুমন্ত ব্যক্তির উপর সূর্যের কিরণ পড়লে মারাত্মক ব্যাধি জন্ম নিতে পারে। রাত্রি বেলায় ঘুম কম হওয়ায় প্রয়োজন মাফিক বিশ্রাম না হলে মানসিক চাপ, অস্থিরতা, দুঃস্বপ্ন ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণেই নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার নামাযের পরপরই শয়ন করতে বলতেন।
📄 ডাক্তার নিক্সন ভিজিটর এর গবেষণা
রাত্রি বেলায় দেরি করে শয়নে অভ্যস্ত রোগীর মাঝে স্নায়ুবিক ও মানসিক রোগে আক্রান্তের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তারা হতাশা আর অস্থিরতা মাঝে দিনাতিপাত করে। এ কারণে তাদের কেউ কেউ আত্মহত্যা করতেও উদ্যত হয়।
মোটকথা, দিনের বেলায় শ্রম দেওয়া, রাত্রী বেলায় বিশ্রাম নেওয়া সৃষ্টির স্বাভাবিক নিয়ম। এর ব্যতিক্রম হলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। (কিওর মেডিকেল)
📄 জানাবাতের অবস্থায় শোয়া (Sleeping is loss in Sperma Condition)
জানাবাত অবস্থায় নিদ্রা গেলে লজ্জা স্থান ধুয়ে নিবে এবং অযু করবে। (বুখারী)
📄 পুনঃসহবাসের পূর্বে অযু করা
একবার সহবাস করার পরে যদি (গোসল করা ব্যতীত) দ্বিতীয়বার সহবাস করে, তবে উভয় সহবাসের মাঝে অযু করে নিবে। (মুসলিম)
প্রথমোক্ত হাদীসে নিদ্রা গমনের কথা বলা হয়েছে। শয়ন করার পূর্বে সব অঙ্গের উষ্ণতা স্বাভাবিক হওয়া জরুরি। তাই জানাবাত অবস্থায় নিদ্রা গেলে লজ্জাস্থান ধুয়ে অযু করে ঘুমাবে। দ্বিতীয় হাদীসে দু' সহবাসের মাঝে অযু করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোন কোন লোকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সহবাসের ফলে শরীরের উষ্ণতা খুবই বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং এ অবস্থায় দ্বিতীয় বার সহবাস করলে উষ্ণতা আরও বৃদ্ধি পায়। এ জন্য অযু করা জরুরি। কেননা এতে উষ্ণতা (Temperature) হ্রাস পেয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। (রিসার্চ রিপোর্ট)