📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অশ্রু প্রবাহিত করা নবীজী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নত

📄 অশ্রু প্রবাহিত করা নবীজী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নত


কান্নার কারণে আল্লাহ তা'আলা এবং তাঁর হাবীব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সন্তুষ্ট হন, জাহান্নামের আগুন নিভে যায়, জান্নাতের টিকেট পাওয়া যায়। তবে শর্ত হল, এ কান্নার পেছনে ক্রিয়াশীল থাকতে হবে আল্লাহর ভয় ও মুহাব্বত। এ বিষয়ে আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ

📄 আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ


কান্নার উপকারিতা এত বেশি যে মানুষ যদি এ সব উপকারিতার কথা জানতো, তবে কাজ-কর্ম ছেড়ে কাঁদতে আরম্ভ করত। কান্নার ফলে চক্ষু রোগ ভাল হয়, গুনাহ মাফ হয়। যে হাসে তার চেয়ে যে কাঁদে সে মানুষের দৃষ্টিতে পড়ে বেশি। আমাদের মধ্যে খুব কম লোকই কান্নার উপকারিতা সম্পর্কে জ্ঞাত। এ উপকারী আমলের পরিচয় পেলে মানুষ সব কাজ ছেড়ে কান্নায় লেগে যাবে। ভারতীয় একটি পত্রিকার বিশ্লেষণ অনুযায়ী কান্নাকাটি করলে চোখের অগণিত রোগ ভাল হয়, বড় বড় অপরাধ মাফ হয়। যে সব আশা পূর্ণ হওয়ার মতো ছিল এ ধরনের অগণিত আশাও পূরণ করে নেয়া যায় কান্নার দ্বারা। বাস্তব ব্যাপার হল হাসাহাসিকারীর প্রতি মানুষ তেমন লক্ষ্য করে না। কিন্তু কান্নাকাটিকারী ব্যক্তি প্রত্যেকের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আল্লাহকে অন্বেষণকারী ব্যক্তি একাকী কোন এক কোণে বসে কান্নাকাটি করতে করতে সৃষ্টির বিরাট বিরাট রহস্য পেয়ে যায়। জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর আদম ও হাওয়া আ. এর সার্বক্ষণিক কান্নাকাটিই তাঁদের ক্ষমা লাভের কারণ হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝির প্রেমিকের মুখ ভার হলে সে প্রেমিককে পথে আনার ক্ষেত্রেও চোখের পানি অত্যন্ত সফল। বাস্তব কথা হল, কান্নাকাটি করা মূলত আশা-আকাঙ্ক্ষাই ভিন্ন নাম। আর আশা-আকাঙ্ক্ষার উপরই পৃথিবী প্রতিষ্ঠিত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00