📄 ২৫ বছর বয়সী এক নারীর ঘটনা (Story of a 25 Years Woman)
ঘ. ২৫ বৎসর বয়সী নারী। স্বামী শয়নকক্ষে নগ্ন ফিল্ম দেখার ব্যবস্থা করলে সে মস্তিষ্কের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এ ফিল্ম দেখার জন্য তাকে রাত বারোটা একটা পর্যন্ত জাগ্রত থাকতে হত। শিশুরা ঘুমিয়ে পড়লে ফিল্ম প্রজেক্টরে শুরু হত নগ্ন ফিল্ম। তার স্বামী এগুলো দেখার জন্য তাকে বাধ্য করত এবং আশা করত যে, স্ত্রীও ফিল্মে প্রদর্শিত ক্রিয়ার অনুরূপ করুক। মহিলাটি ছিল গ্রামীন। লেখা পড়া জানত না। তবে বেশ ইবাদত-বন্দেগি করত। ধীরে ধীরে তার ভিতর গুণাহের অনুভূতি জাগ্রত হয়। অপরদিকে সে স্বামীকেও সন্তুষ্ট করতে পারছিল না। তার ঘুমও পূর্ণ হচ্ছিল না।
স্বামী স্ত্রীর এ অসুস্থতার জন্য নিজের বদঅভ্যাসকে দায়ী করতে রাজী ছিল না। বরং সে উল্টো স্ত্রীর উপর আরও রাগান্বিত হতো যে, সে (স্ত্রী) কেন ঘুম না আসার কারণ হিসাবে এ 'লেট নাইট প্রাইভেট শো'কে দায়ী করছে। এরপর থেকে স্বামী শোয়ার পূর্বে ভিডিও সিস্টেম পুরোপুরি চালু হলে অডিও বন্ধ করে একটি অথবা দুটি ক্যাসেট দেখত। যে ছবিগুলোর তার স্ত্রীর ঘুম কেড়ে নিয়েছিল, সেগুলি ব্যতীত তার ঘুমই আসত না। সন্ধ্যা হতেই তার মাথায় সওয়ার হত ফিল্মের পোকা যেমন- মদখোর সন্ধ্যা নামার অধীর অপেক্ষায় থাকে। সূর্য অস্ত যাবে, আর পা বাড়াবে আস্তানার পথে। এ অভ্যাস ত্যাগ করার জন্য সে কখনো চেষ্টাও করে নি। কোন মদখোরই মদ খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে চায় না। অনুরূপভাবে কোন আফিম খোর খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে রাজী নয়।
📄 এক সরকারি ড্রাইভারের অবস্থা (Circumstances of Govt. Driver)
খ. ৩৮ বছর বয়সের যুবক। প্রায় পাঁচ বৎসর যাবৎ ব্লু ফিল্ম দেখতে অভ্যস্ত। প্রতিমাসে দুবার এর বেশি এ জন্য দেখে না, দেখতে দেখতেই উত্তেজনা শেষ হয়ে যায়। সিনেমা হলে দেখলে পৌনে এক ঘন্টায় মাত্র দশ টাকা খরচ হয়। কিন্তু তার চিন্তা হল, এতে অপমানিত হতে হয়। কারণ বন্ধুরা নির্লজ্জভাবে চিৎকার করে জিজ্ঞেস করে কিরে কাপড় নষ্ট হয়নি তো? ফলে আশে-পাশের লোকজন হো হো করে হেসে উঠত।
চিকিৎসার জন্য আসার কারণ ছিল একটিই- বিয়ের পর কি হবে? সে যৌন অপমানের কথা ভেবে মুষড়ে পড়েছে। কিন্তু তার মাঝে ভ্রষ্টতার কোন অনুভূতি ছিল না।
📄 একজন লেকচারারের ঘটনা (Tale of a lecturer)
ক. বয়স ৩৫ বা তার চেয়ে বেশি। তিনি একজন এগ্রিকালচারের মহিলা লেকচারার। বিয়ে করেছেন অনেক বয়সে। যৌন অক্ষমতা। খুব ভীত ছিলেন। তার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়, যখন এক মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শে তার স্বামী তাকে নগ্ন ফিল্ম দেখাতে শুরু করে। তাদের ধারণা ছিল, হয়ত দেখে এর স্বাদ অনুভব করলে ভয় দূর হয়ে যাবে। এ ফয়সালা মাত্র ২ মিনিটের পর্যবেক্ষণে দেওয়া হয়েছে। তারা জানার প্রয়োজন মনে করেনি শৈশব থেকে বিবাহ পর্যন্ত তার শিক্ষা কোন পর্যায়ের ছিল। কি কি জিনিষ দেখলে সে ভয় পেত, তাকে তো এমন কোন পরিবেশে লালন পালন করা হয়নি যেখানে প্রতি দিনের আকস্মিক কোন অভিজ্ঞতাও যৌবন সম্পর্কে কোন ধারণা দেয় না অথবা রাস্তায় পশু-পাখির মিলন দৃশ্য দেখা থেকেও তাকে রাখা হয়েছে বহু দূরে। পর্যবেক্ষণের সময় এটাও জানার প্রয়োজন পড়ল না যে, তার ভিতরগত কোন সমস্যা আছে কি না?
📄 ফিল্ম দর্শকদের ক্রিয়াকলাপ
নগ্ন ফিল্ম দর্শকেরা সাধারণত সবসময়ই যৌন ক্রিয়া-কর্মের সুযোগ সন্ধানে বিপরীত লিঙ্গের পিছনে লেগে থাকে। তাদের দিকে চেয়ে থাকে, যে কোন বাহানা ধরে শরীর স্পর্শ করে, সুযোগ পেলেই যৌন আলোচনায় লিপ্ত হয়। একে-অপরের সাথে যৌনতা নিয়ে ঠাট্টা করে। এক কথায় তারা দৈনন্দিন চিন্তা-ধারায় সুস্থ চিন্তা ভাবনা কম থাকে। তারা সর্বদা যৌনচিন্তায় বিভোর থাকে।
এরা যৌন উত্তেজক মুভি এবং ফটো বা ছবি লেন-দেনও করে থাকে। এ সব কাজে মোটর গ্যারেজের তেলের দাগযুক্ত ময়লা কাপড়-চোপড় পরিহিত ছেলেরাও যেমন অংশগ্রহণ করে; তেমনি সাদা উজ্জল পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিহিত উপরস্থ পর্যায়ের অফিসাররাও শরীক থাকে।