📄 আত্মিক পথ-প্রদর্শন (Spiritual Guidance)
আপনি যখন খোদা প্রদত্ত সত্ত্বার নৈকট্য লাভ করেন, তখন নৈকট্যের অনুভূতি আপনাকে আনন্দিত করে এবং এর সাথে সাথে আপনি আত্মিক স্থিরতা অর্জন করেন। আমরা আমাদের প্রিয়জনের সান্নিধ্যে থেকেও এ বিষয়টা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। এতে করে আমরা আত্মিক বিষয়ে দিক-নির্দেশনাও পেয়ে থাকি।
📄 মুরাকাবার পদ্ধতি (Methods of Meditation)
মুরাকাবার জন্য নিম্ন বর্ণিত পদ্ধতির প্রচলন দেখা যায়:
সচেতনতার সাথে মনোনিবেশ করা : এই মুরাকাবা আপনাকে শিক্ষা দিবে কিভাবে শরীর ও মন বিভিন্ন ধরনের স্নায়ু-চাপ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। এ প্রক্রিয়ায় মুরাকাবাকারী বিছানা অথবা চেয়ারে ঠিক সোজা হয়ে উপবেশন করে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে। তারপর নিজের শরীর ও মনের উপর নিরীক্ষণ চালিয়ে উপলব্ধি করার চেষ্টা করে কিভাবে শারীরিক ও মানসিক চাপ থেকে ব্যথার উদ্ভব হয়। তারা এটা অনুভব করতে পারে, ভয় এর অনুভূতি এবং অসন্তুষ্টিমূলক ভাবনা/কল্পনা মানুষকে অসুখী করে তোলে। এই বিশ্লেষণ/নিরীক্ষণ মুরাকাবাকারীকে এ বিষয়ে আরো সচেতন করে তোলে। এতে করে আপনি যদি মুরাকাবাকারী হন, তবে আপনার মাঝে এক বিশেষ সুখকর অনুভূতি অনুভব করতে পারবেন। আপনি নিজেকে অধিক হাস্যকারী এবং মিতভাষী হিসেবে দেখতে পাবেন। এছাড়াও যৌন আচরণেও আরো বেশি তৃপ্তি অনুভব করবেন। এ অবস্থাই মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এই মুরাকাবার ফলে মানুষ স্থিরতা ও প্রশান্তি লাভ করে, ঝগড়া-বিবাদ ও সংঘর্ষ থেকে নিজেকে দূরে রাখে এবং অল্পতেই প্রচণ্ড আবেগে উত্তেজিত হওয়ার প্রবণতা দূর হয়।
ভ্রমণ অবস্থায় মুরাকাবা (Meditation with Walking) :
প্রাতঃভ্রমণ করা অবস্থায় মুরাকাবা করার জন্য ধীর পদক্ষেপে সরল রেখা বরাবর পায়চারি করা দরকার। এই রৈখিক পথের দূরত্ব বিশ ফুট কিংবা এর কিছু কম-বেশি হওয়া চাই। আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ থাকবে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস এবং পা উঠানো, সামনের দিকে অগ্রসর করা এবং পুনরায় মাটিতে স্পর্শ করার সময় যে অনুভূতি আপনার মাঝে জাগ্রত হয়, তার প্রতি। সাথে সাথে অবশ্যই নিশ্চুপ থাকা চাই। এতে করে আপনার উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্থিরতা হ্রাস পাবে।
উত্তম মুরাকাবা (Better Meditation) :
সারাদিন কাজ কর্মের ফলে যে ক্লান্তি ও অবসাদ দেহ-মনকে আচ্ছন্ন করে এবং মস্তিষ্কে ভারবোধের যে অনুভূতি জন্মে, তা হ্রাস করতে আপনি মুরাকাবার আশ্রয় নিতে পারেন। 'আল্লাহু আকবার', 'আল্লাহু কাইয়্যেমু' অথবা 'হে আল্লাহ! আমার প্রতি দয়া/রহম কর'— এ জাতীয় শব্দ পর্যায়ক্রমে একবার উচ্চশব্দে ও একবার নিরবে পনের বিশ মিনিট পড়তে থাকুন। দিনের মধ্যে অন্তত কয়েকবার এরূপ করুন। এতে আপনার শরীরের যাবতীয় তন্ত্রের (Systems) সজীবতা ও কার্যক্ষমতা ফিরে আসবে এবং আপনি প্রাণ-প্রাচুর্যপূর্ণ আনন্দঘন মনোভাবসহ সারা দিন অতিবাহিত করতে পারবেন।
📄 সচেতনতার সাথে মনোনিবেশ করা :
এই মুরাকাবা আপনাকে শিক্ষা দিবে কিভাবে শরীর ও মন বিভিন্ন ধরনের স্নায়ু-চাপ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। এ প্রক্রিয়ায় মুরাকাবাকারী বিছানা অথবা চেয়ারে ঠিক সোজা হয়ে উপবেশন করে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে। তারপর নিজের শরীর ও মনের উপর নিরীক্ষণ চালিয়ে উপলব্ধি করার চেষ্টা করে কিভাবে শারীরিক ও মানসিক চাপ থেকে ব্যথার উদ্ভব হয়। তারা এটা অনুভব করতে পারে, ভয় এর অনুভূতি এবং অসন্তুষ্টিমূলক ভাবনা/কল্পনা মানুষকে অসুখী করে তোলে। এই বিশ্লেষণ/নিরীক্ষণ মুরাকাবাকারীকে এ বিষয়ে আরো সচেতন করে তোলে। এতে করে আপনি যদি মুরাকাবাকারী হন, তবে আপনার মাঝে এক বিশেষ সুখকর অনুভূতি অনুভব করতে পারবেন। আপনি নিজেকে অধিক হাস্যকারী এবং মিতভাষী হিসেবে দেখতে পাবেন। এছাড়াও যৌন আচরণেও আরো বেশি তৃপ্তি অনুভব করবেন। এ অবস্থাই মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এই মুরাকাবার ফলে মানুষ স্থিরতা ও প্রশান্তি লাভ করে, ঝগড়া-বিবাদ ও সংঘর্ষ থেকে নিজেকে দূরে রাখে এবং অল্পতেই প্রচণ্ড আবেগে উত্তেজিত হওয়ার প্রবণতা দূর হয়।
📄 ভ্রমণ অবস্থায় মুরাকাবা (Meditation with Walking)
প্রাতঃভ্রমণ করা অবস্থায় মুরাকাবা করার জন্য ধীর পদক্ষেপে সরল রেখা বরাবর পায়চারি করা দরকার। এই রৈখিক পথের দূরত্ব বিশ ফুট কিংবা এর কিছু কম-বেশি হওয়া চাই। আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ থাকবে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস এবং পা উঠানো, সামনের দিকে অগ্রসর করা এবং পুনরায় মাটিতে স্পর্শ করার সময় যে অনুভূতি আপনার মাঝে জাগ্রত হয়, তার প্রতি। সাথে সাথে অবশ্যই নিশ্চুপ থাকা চাই। এতে করে আপনার উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্থিরতা হ্রাস পাবে।