📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ধৈর্য্য ও সহনশীলতা (Patience)

📄 ধৈর্য্য ও সহনশীলতা (Patience)


এ কথা মনে দৃঢ়ভাবে গেঁথে নিন যে, আমরা দুনিয়াকে পরিবর্তন করতে পারি না। কিন্তু নিজেকে অবশ্যই পরিবর্তন করতে পারি। এর জন্য আমাদের ধৈর্য এবং সহনশীলতার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ যার ভিতর এ গুণ পাওয়া যায় তার ভিতর আত্মনির্ভরশীলতা থাকে। এ ধরনের লোকেরা অন্যের দোষত্রুটিকে সহজেই মেনে নিতে পারে। আপনি একটু চিন্তা-ভাবনা করলেই বুঝতে পারবেন একটু অধৈর্য হলেই প্রশান্তি কিভাবে শেষ হয়।

যখন প্রশান্তির আলোচনা উঠল, তখন বলতে হয় যে, বাস্তব প্রশান্তি লাভ হতে পারে আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে। কিন্তু মুশকিল হল বর্তমান যুগের মানুষ মহান আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে সাহায্য নিতেও দ্বিধা বোধ করে।

অনেক লোক এমনও আছেন যারা কাজকর্ম এবং চাকুরির ব্যাপারে দ্বন্দ্বে ভুগে। এ দ্বন্দ্বের কারণে তারা পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতেও পারে না। এমন লোকদের প্রয়োজন মনমুগ্ধকর পরিবেশ, ফুল, ফুলগাছ, সবুজ শ্যামল এবং সুন্দর পরিবেশ। মনোরম পরিবেশও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দায়িত্ববোধ (Responsibility)

📄 দায়িত্ববোধ (Responsibility)


আরেকটি বিষয় হল, যদি নিজের কর্তব্য দায়িত্বশীলতার সাথে সম্পন্ন করা যায়, তবে অন্তরে প্রশান্তি অনুভূত হয়। অফিস বা কর্মস্থলে কখনো অশান্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হলে এর সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর জন্যে এ কথা স্মরণ রাখা উচিৎ যে, অনেক সমস্যা সময়ের পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে নিজে নিজেই দূর হয়ে যায়। ধৈর্য-সহনশীলতার বাঁধ ভেঙ্গে গেলে সে সব গুণাবলীর কথা মনে করা যেতে পারে যেগুলো জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো চিহ্নিত করে যেমন-দয়া, ভালবাসা, আশা, প্রশান্তি, চারিত্রিক মাধুর্যতা ইত্যাদি ইত্যাদি। এরপর আপনি নিজের মনকে একথা বিশ্বাস করান যে, দুনিয়ার কোন শক্তিই আপনার কাছে থেকে প্রশান্তি এবং সহনশীলতা ছিনিয়ে নিতে পারবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 শরীর এবং মনের সম্পর্ক (Relation between Mind and Body)

📄 শরীর এবং মনের সম্পর্ক (Relation between Mind and Body)


আমাদের শরীর ও মনের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে, তাতে ভারসাম্যতা রক্ষা করার জন্য প্রশান্তি আবশ্যক। সুতরাং ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হয়ে কোন বাগানে কিছু সময় ঘোরাফেরা করা, সাঁতার কাটা, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে হাসি ঠাট্টা করা এবং কখনো কোন কৌতুকের বই পড়ে কিছু সময় হাসাহাসি করা নিতান্ত প্রয়োজন। আর কিছু না হলে অন্তত খোলা বাতাসে কিছু সময় লম্বা লম্বা শ্বাস নিয়ে শরীর ও মনকে শান্ত করুন।

তাছাড়া নিজেদের দুর্বলতা এবং পরাজয়ের জন্য বিষন্ন না হয়ে বরং শক্তি ও সাহস সঞ্চয় করা আবশ্যক। অর্থাৎ ব্যর্থ হওয়া পর প্রতিবারই নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করা চাই।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আনন্দ ও এর রাসায়নিক গঠন

📄 আনন্দ ও এর রাসায়নিক গঠন


* যখন আনন্দদায়ক কিছু ঘটে তখন আল্লাহ তা'আলার কৃতজ্ঞতা এবং শুকরিয়ার সেজদা আদায় করবে।— (আবু দাউদ, তিরমিযী)
* আনন্দঘন বিষয়ে অহংকার করবে না; বরং সেটাকে আল্লাহর অনুগ্রহ মনে করবে।— (আল-কাছাছ)
* যখন আনন্দদায়ক কিছু দেখবে, তখন পড়বে- আল্লাহ তা'আলা যা চান তাই হয়। আল্লাহর শক্তি ব্যতীত কারো কোন ক্ষমতা নেই।— (কাহাফ)
* অন্যের আনন্দের সময় তাকে মুবারকবাদ দিবে।— (বুখারী)

আনন্দ সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত তথ্যসমূহ পাঠ করুন।

মানুষের শরীরে বিভিন্ন ধরনের এড্রিনালিন (Adrenaline), নোরাড্রিনালিন (Nora-drenaline) এবং কোর্টিসোল (Cortisol) নামক রাসায়নিক পদার্থ তৈরি হয়। এ সব পদার্থ এসিডের মতো মানুষের শরীরকে খেয়ে ফেলে। কঠিন মানসিক চাপ এবং বিষন্নতা (Depression) থাকলে তা মানুষকে শেষ করে দেয়।

ইতিবাচক চিন্তাধারার আলোকে চিন্তা-গবেষণা ও আনন্দদায়ক বিষয়াদি জীবনকে আনন্দঘনই করে তোলে না; বরং এগুলি শারীরিক গঠনের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সহযোগিতা করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00