📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জাপানে কেমিক্যাল ও সার ব্যতীত উৎপাদিত কমলার চাহিদা

📄 জাপানে কেমিক্যাল ও সার ব্যতীত উৎপাদিত কমলার চাহিদা


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আসল এবং প্রাকৃতিক উপায়ে প্রাপ্ত খাদ্য খাওয়া হত। আর আমরা কৃত্রিমভাবে তৈরি খাদ্য গ্রহণ করি। কিন্তু জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান ইউরোপ পুনরায় আসল খাদ্যের দিকে ফিরে যাচ্ছে।

সে দেশের এক নামকরা জমিদারে কমলালেবুর বাগান ছিল। তিনি বললেন: জাপানের একটি বড় ফার্ম তাদের চাহিদা জানিয়ে বলেছে, তাদের এরূপ কমলার প্রয়োজন, যেগুলো চাষের সময় কেমিক্যাল স্প্রে ও সার ব্যবহার করা হয়নি। কেবল প্রাকৃতিক সার (অর্থাৎ প্রাণির বর্জ্য সার) ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ কৃত্রিম সার এবং কেমিক্যাল স্প্রে করে ফসল উৎপাদন করলে খাদ্যমান ও ভিটামিন শেষ হয়ে যায়। অথচ প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করলে ভিটামিন পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান থাকে। ঐ জমিদার আরো বলেন: আমাদের কাছে একটি মেশিন রয়েছে, যাতে নির্দোষ পচনরোধী (Antiseptic) পাউডার রয়েছে। এই পাউডার স্প্রে করে আমরা ফল সংরক্ষণ করতে পারি।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আঁশের গুণাবলী (Qualities of Fibre)

📄 আঁশের গুণাবলী (Qualities of Fibre)


আঁশ বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে এবং এই কারণে এদের প্রত্যেকের গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্যেও পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ফলে খাদ্যস্থিত এক জাতীয় আঁশ থেকে সব ধরনের উপকার পাওয়া যায় না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কোষ্ঠ কাঠিন্য (Constipation)

📄 কোষ্ঠ কাঠিন্য (Constipation)


শতাব্দীর পর শতাব্দীর অভিজ্ঞতায় এটা সুপ্রতিষ্ঠিত যে, আঁশের কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করার কার্যকর শক্তি রয়েছে। আঁশ অত্যন্ত ফলপ্রসূভাবে অন্ত্রের কার্য প্রণালী সচল রাখে। এটা বারবার পানি শোষণ করে ভিজা কাপড়ের ন্যায় পরিপাকের পর থেকে যাওয়া অপাচ্য অংশকে নরম ও আর্দ্র রাখে। এতে করে খাদ্যের এই অপাচ্য অংশ (যা মল আকারে দেহ থেকে মুক্ত হয়) শক্ত হয়ে জমাট বাঁধতে পারে না এবং সহজেই দেহ থেকে নিষ্কাষিত হয়। আবার আঁশের কারণে ভুক্ত বস্তুর অন্ত্রে/পাকস্থলীতে অবস্থানের সময়ও কম লাগে তথা হজমে কম সময় লাগে। কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে অমসৃণ আটার (চালুনি দিয়ে মিহি অংশকে পৃথক করা হয়নি এমন আটা) রুটি এবং ফল ও পাতা আছে এমন শাক-সব্জীর আঁশ বেশ ভালো কাজ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অন্ত্রের রোগ ব্যাধি (Diseases of Intestine)

📄 অন্ত্রের রোগ ব্যাধি (Diseases of Intestine)


অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে প্রতীয়মান হয় আমরা খাদ্য বস্তু হিসেবে অন্ত্রে যা প্রবেশ করাই তার ফলেই অন্ত্রের কতিপয় রোগ ও অসুস্থতা দেখা দেয়। খাদ্যের অভুক্ত অংশ মল আকারে ঘন ঘন নিষ্কাশন করতে অন্ত্রকে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতার বেশি কাজ করতে হয়। এর ফলে অন্ত্রে মোচড় লাগা, বক্র হয়ে যাওয়া, প্যাঁচ লাগা ইত্যাকার সমস্যা দেখা দেয় এবং অবশেষে এটা অর্শ রোগেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আঁশ/আঁশ জাতীয় খাদ্যের আরেকটা কল্যাণকর দিক হলো আঁশের কারণে বৃহদান্ত্রে ক্যান্সার কিংবা ক্ষত সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে না। কেননা আঁশের উপস্থিতিতে খাদ্যের অপাচ্য অংশ পরিপাকতন্ত্রের এই অংশে বেশি সময় আটকে থাকে না। এতে করে দূষিত অপাচ্য অংশও তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00