📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 খেজুর ও ইফতার

📄 খেজুর ও ইফতার


মানুষের শরীরে সুগারের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার কারণে ক্ষুধা লাগে। তাই ইসলামে রোযা রাখার পর খেজুর দ্বারা ইফতার করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। মাত্র দুটি খেজুর খাওয়ার দ্বারাই সুগারের ঘাটতি পূরণ হয় এবং শরীর তার প্রয়োজনীয় খাদ্য লাভ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অপবিত্র শরীরে খাদ্য গ্রহণ ক্ষতিকর

📄 অপবিত্র শরীরে খাদ্য গ্রহণ ক্ষতিকর


'যদি জানাবাত (সহবাসের ফলে উদ্ভূত অপবিত্রতা) অবস্থায় খানা খেতে হয় তাহলে প্রথমে অযু করে নিবে।' (আহমদ- তিরমিযী)

কারণ সহবাসের সময় শরীরের সব অঙ্গ একটি বিশেষ কাজে নিয়োজিত থাকে। এজন্য শরীরের উষ্ণতা (Temperature) বেশি থাকে। আর যেহেতু আধুনিক বিজ্ঞান একথা স্বীকার করে যে, অযু করার প্রতিক্রিয়ায় শরীরের উষ্ণতা এবং উচ্চ রক্ত চাপ (High Blood Pressure) স্বাভাবিক হয়ে যায়, এ জন্য যতক্ষণ পর্যন্ত শরীরের উষ্ণতা স্বাভাবিক না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত খানা খাওয়া ঠিক নয়। কারণ উষ্ণতা স্বাভাবিক হওয়ার পূর্বে খানা খেলে পাকস্থলি গরম হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। (রিসার্চ রিপোর্ট)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মেহমানকে খানা খাইতে পীড়াপীড়ি করা

📄 মেহমানকে খানা খাইতে পীড়াপীড়ি করা


প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তরখানায় মেহমান থাকলে তিনি তাকে বারবার খানা নেওয়ার জন্য তাকিদ দিতেন। তবে মেহমান খুব ভালভাবে পরিতৃপ্ত হলে এবং বারবার অস্বীকৃতি জানালে আর পীড়াপীড়ি করতেন না।

ইসলাম মেহমানদারি করার ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও ভালবাসার শিক্ষা দেয়। দেখুন 'ক্লাইড' মেহমানদারির নীতি সম্পর্কে কি বলে- 'মেহমানরা সব সময় আন্তরিকতা ও মুহাব্বতের খাতিরেই আসে। অবশ্য সে আন্তরিকতা ও মুহাব্বত না থাকলে তাকে মেহমান বলা যাবে না; বরং অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি ধরে নেয়া হবে। আমার কথা হল, আপনি যদি মেহমানের আগমনে-নিজের চেহারায় হাসি ফুটাতে পারেন তাহলে মেহমান খুশি হয়ে যাবে। খানা খাওয়ানোর সময় নিজেও সাথে খানা খাবেন। এতে মুহাব্বত বৃদ্ধি পাবে। মেহমানের রুচির প্রতিও খেয়াল রাখবেন। অনেক মেহমানকে আমি লোকলজ্জায় কম খেতে দেখেছি। পীড়াপীড়ির পর মেহমান পেট ভরে খানা খেয়েছে। (ক্লয়েড স্টোরি)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কাটা চামচ নয়, হাত দিয়ে খানা খাওয়া

📄 কাটা চামচ নয়, হাত দিয়ে খানা খাওয়া


খাদ্য দ্রব্য হাত দিয়ে উঠিয়ে খাওয়া সুন্নত। বর্তমান যুগে ছুরি ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বাস্তবতা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। স্যার মোহাম্মদ আলী ভারতের একটি বড় মাদ্রাসায় সাহায্য দেওয়ার জন্য গেলে প্রিন্সিপ্যাল সাহেব তা নিতে অস্বীকৃতি জানালেন। যেহেতু খাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছিল তাই প্রিন্সিপাল সাহেব তাকে দাওয়াত দিলেন। তিনিও কবুল করলেন। খাওয়ার মাঝে স্যার সফী ছুরি ব্যবহার করতে লাগলেন। প্রিন্সিপাল সাহেব তাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আপনি হাত কেন ব্যবহার করছেন না? এতে অনেক কল্যাণ রয়েছে, যেমন- চামচের উপর যতটা ভরসা করা যায়, হাতের উপর তার চেয়ে বেশি ভরসা করা যায়। চামচ এই কথা বলে দিবে না যে, খানা গরম না ঠাণ্ডা। হাত ব্যবহার করলে প্রত্যেক লোকমায়/গ্রাসে যতটুকু খানা আছে তা বুঝা যায়। কিন্তু চামচের দ্বারা এ সুবিধা পাওয়া যায় না। হাতের মাধ্যমে খাবারের নানা ভৌত অবস্থা যথা- খাবার শক্ত, না নরম এক কথায় খাওয়ার যোগ্য কি না তা জানা সম্ভব হয়।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00