📄 কুরআনের উপদেশ
কুরআনে বেহেশতবাসীদেরকে আহার করার হুকুম দেয়া হয়েছে। তাদের খাবারের প্রকার বর্ণনায় প্রথমে ফল ও পরবর্তীতে গোশতের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং এতে প্রতীয়মান হয় যে, বিজ্ঞানের উপরোক্ত চিন্তা- গবেষণালব্ধ তথ্য কুরআন দেড় হাজার বছর পূর্বে দুনিয়াবাসীকে অবহিত করেছে।
📄 খেজুর ও ইফতার
মানুষের শরীরে সুগারের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার কারণে ক্ষুধা লাগে। তাই ইসলামে রোযা রাখার পর খেজুর দ্বারা ইফতার করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। মাত্র দুটি খেজুর খাওয়ার দ্বারাই সুগারের ঘাটতি পূরণ হয় এবং শরীর তার প্রয়োজনীয় খাদ্য লাভ করে।
📄 অপবিত্র শরীরে খাদ্য গ্রহণ ক্ষতিকর
'যদি জানাবাত (সহবাসের ফলে উদ্ভূত অপবিত্রতা) অবস্থায় খানা খেতে হয় তাহলে প্রথমে অযু করে নিবে।' (আহমদ- তিরমিযী)
কারণ সহবাসের সময় শরীরের সব অঙ্গ একটি বিশেষ কাজে নিয়োজিত থাকে। এজন্য শরীরের উষ্ণতা (Temperature) বেশি থাকে। আর যেহেতু আধুনিক বিজ্ঞান একথা স্বীকার করে যে, অযু করার প্রতিক্রিয়ায় শরীরের উষ্ণতা এবং উচ্চ রক্ত চাপ (High Blood Pressure) স্বাভাবিক হয়ে যায়, এ জন্য যতক্ষণ পর্যন্ত শরীরের উষ্ণতা স্বাভাবিক না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত খানা খাওয়া ঠিক নয়। কারণ উষ্ণতা স্বাভাবিক হওয়ার পূর্বে খানা খেলে পাকস্থলি গরম হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। (রিসার্চ রিপোর্ট)
📄 মেহমানকে খানা খাইতে পীড়াপীড়ি করা
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তরখানায় মেহমান থাকলে তিনি তাকে বারবার খানা নেওয়ার জন্য তাকিদ দিতেন। তবে মেহমান খুব ভালভাবে পরিতৃপ্ত হলে এবং বারবার অস্বীকৃতি জানালে আর পীড়াপীড়ি করতেন না।
ইসলাম মেহমানদারি করার ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও ভালবাসার শিক্ষা দেয়। দেখুন 'ক্লাইড' মেহমানদারির নীতি সম্পর্কে কি বলে- 'মেহমানরা সব সময় আন্তরিকতা ও মুহাব্বতের খাতিরেই আসে। অবশ্য সে আন্তরিকতা ও মুহাব্বত না থাকলে তাকে মেহমান বলা যাবে না; বরং অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি ধরে নেয়া হবে। আমার কথা হল, আপনি যদি মেহমানের আগমনে-নিজের চেহারায় হাসি ফুটাতে পারেন তাহলে মেহমান খুশি হয়ে যাবে। খানা খাওয়ানোর সময় নিজেও সাথে খানা খাবেন। এতে মুহাব্বত বৃদ্ধি পাবে। মেহমানের রুচির প্রতিও খেয়াল রাখবেন। অনেক মেহমানকে আমি লোকলজ্জায় কম খেতে দেখেছি। পীড়াপীড়ির পর মেহমান পেট ভরে খানা খেয়েছে। (ক্লয়েড স্টোরি)