📄 বিধবা মহিলার ইদ্দত (Waiting Period of Widow)
স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রী ৪ মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। (সূরা বাকারা)
স্ত্রী যদি গর্ভবতী হয়, তবে গর্ভপাত অথবা সন্তান প্রসব পর্যন্ত ইদ্দতে থাকবে। (সূরা আত তালাক)
এমন তালাকপ্রাপ্তা মহিলা, যাদের মাসিক ঋতুস্রাব হয়, তারা তালাকের পর তিন স্রাব অতিক্রান্ত হওয়া পর্যন্ত ইদ্দতে থাকবে। (সূরা বাকারা)
📄 এইন মেরিশেমিলের পর্যবেক্ষণ
এইন মেরি শেমিলের পর্যবেক্ষণ (Observation of Ian Marry Sheiml) "বিধবা হওয়ার পর ইদ্দত পালন একটি প্রয়োজনীয় বিধান। কারণ ঐ সময় মহিলাটি গর্ভবতী কি না তা সব সময় জানা থাকে না। তার গর্ভ নিশ্চিত কি-না অথবা গর্ভ অনুভব করা যায় কি-না সেটা জানা দরকার। তাছাড়াও উক্ত মহিলার উপযুক্ত স্বামী সন্ধানের জন্য এবং নিজ সন্তানদের লালন-পালনের কোন একটা ব্যবস্থা করার জন্যও সময়ের প্রয়োজন। (গাম্রাইল ওয়াং অবলম্বনে)
📄 অসৎ স্বভাবী নারী থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
(Seeking Protection from Accquretted Woman) নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তিনটি প্রিয় বস্তুর একটি হল সৎ কর্মশীলা নারী। এ জন্যই আল্লাহর রাসূল অসৎ স্বভাবী নারী থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন, 'হে আল্লাহ! যে নারী নিজে বার্ধক্যে পৌঁছার পূর্বেই আমাকে বার্ধক্যে পৌঁছে দেবে এবং যে সন্তান আমার জন্য বিপদ স্বরূপ, আমি তার থেকে মুক্তি চাই।' আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকেও মুক্তি দান করুন।
অতএব, নিজের জন্য অথবা সন্তানের জন্য স্ত্রী নির্বাচন কালে এমন নারী নির্বাচন করা উচিত যার মধ্যে ধর্মের আলো, সৎকর্মের শুভ্রতা ও সৎচরিত্রের সুবাস আছে। আল্লাহ না করুন, নির্বাচিত নারী ধর্মপরায়ণ ও সৎকর্মশীলা না হলে এ সম্ভাবনা আছে যে, ঐ নারী তার জন্য সর্বনেশে হয়ে দেখা দিবে। সুতরাং কোন পুরুষ সৎকর্মশীলা স্ত্রী পেলে তার ঐ স্ত্রীর মূল্যায়ন করা উচিত। আর যথার্থ মূল্যায়ন করা হলো তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান এবং তার সাথে উত্তম আচরণ করা।
আল্লাহ তা'আলা নিজ অনুগ্রহে এর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন। (ইসলামী খুতুবাত- ২ খণ্ড)
📄 এ্যান্নি সেন্ট এর স্বীকারোক্তি (Confession of Anni Saint)
নবীয়ে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রী নির্বাচন ও নারীর অধিকার প্রদানের প্রশ্নে অত্যন্ত সুশৃংখল নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন। আমি তাঁর প্রণীত নীতিমালার সাথে সম্পূর্ণ একমত। কারণ নারীর মনমানসিকতা ও চরিত্র অসৎ হলে ঐ নারী গৃহের পরিবেশকে কিভাবে সংশোধন করবে? এমন নারী তো নিজেকেই সংশোধন করতে পারে নি। দৈহিক সৌন্দর্য চরিত্রের পরিচায়কও নয়। আর কারও চেহারায় তার চরিত্র কেমন তা লেখা থাকে না। এ জন্য স্ত্রী নির্বাচন কালে সতর্ক ও একনিষ্ঠ হওয়া উচিত। আমি আমার সুদীর্ঘ গবেষণায় যা পেয়েছি তা হল, নারী 'কর্ম ও চরিত্র' এর বিবেচনায় ভাল হলে সে ঘরের শান্তির প্রতীকে পরিণত হয়। অন্যথায় তার অস্তিত্বই একটা Depression |