📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইহুদীদের ষড়যন্ত্র

📄 ইহুদীদের ষড়যন্ত্র


দুটি বিশ্ব যুদ্ধের পর, বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদীদের ষড়যন্ত্রের কারণে খৃষ্টানরা নারীদেরকে এতো বেশি অধিকার প্রদান করেছিল যে, পুরুষের স্বতন্ত্র মর্যাদা তারা অস্বীকার করে বসে। জনৈক বড় ইহুদী নেতা বহুজাতিক বাহিনীর সম্মুখভাগে অবস্থান করে হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। সে জোর দিয়ে প্রচার করে যে যুদ্ধ পরবর্তী ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে হলে পুরুষদের সঙ্গে নারীদেরকে কর্মজীবনে সমানভাবে অংশ গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। সেদিন থেকে ইউরোপে নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুগপৎভাবে কর্ম জীবনের কোলাহলে আত্মনিয়োগ করে। এমনকি ইউরোপে কোন মহিলা তালাকপ্রাপ্তা হলে সেই বাড়িতে ঐ পুরুষের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত ঐ স্ত্রীর অনুমতির উপর নির্ভর করতো। পুরুষ যদি প্রবেশের চেষ্টা করতো, তাহলে মহিলা টহল পুলিশকে জানিয়ে দিত। পরবর্তীতে টহল পুলিশ পাহারাদারী করতো যাতে ঐ ব্যক্তি সে এলাকাতেই প্রবেশ করতে না পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র

📄 বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র


আমি একবার কানাডা থেকে বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলাম। সেখানে দেখলাম, মহিলারা ইউরোপীয়দের ন্যায় অর্ধ উলঙ্গ পোষাক পরে, মাথায় হেলমেট লাগিয়ে মটর সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করছে। তাদের ইউনিফর্মে এন.জি.ও (বেসরকারী সাহায্য সংস্থা) প্রদত্ত বিশেষ পরিচয়সূচক চিহ্নও ছিল। অবাক হলাম। কারণ এ সংস্থাতো ইউরোপে কাজ করে। তাহলে এতো দূরে পৌঁছুলো কি করে? বর্তমানে এ সংস্থা বাংলাদেশে অত্যন্ত জোরালোভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত এগুলো সাহায্য সংস্থা। তাদের কাজ হলো মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করা। কিন্তু সাহায্যের আড়ালে তারা সরল প্রাণ মানুষকে কাফের ও মুরতাদ বানিয়ে ফেলছে।

১৯৯২ খৃষ্টাব্দে টাইমস্ এর এক সমীক্ষা অনুসারে এন.জি.ও এর মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়াতে বিশ লাখ মুসলমান অমুসলমান হয়েছে। এ সংস্থার কাজ হচ্ছে মহিলাদেরকে পুরুষের সম অধিকার আদায়ে প্ররোচিত ও সহযোগিতা করা। দৃশ্যত তারা মহিলাদেরকে মটর সাইকেল সরবরাহ করে। কিন্তু সেবার অন্তরালে তারা খৃষ্ট ধর্ম প্রচার করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পশ্চিমা মহিলাদের উপার্জন (Earning of Western Women)

📄 পশ্চিমা মহিলাদের উপার্জন (Earning of Western Women)


ধর্ম মানুষকে সন্দেহ থেকে দূরে রাখে। কিন্তু ধর্মহীনতা এবং অজ্ঞানতার বৈশিষ্ট্য হল সন্দেহ। অধিকাংশ শিক্ষিত মেয়েরা সন্দেহপ্রবণ। এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছ মান্টো ইউনিভার্সিটির একটি রিপোর্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমা দেশগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলাই শিক্ষিত। কিন্তু প্রতিটি কাজে তারা এতটা সন্দেহপ্রবণ যে, এতে তাদের স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হয়। রাতারাতি সম্পদশালী হওয়া এবং পছন্দের জীবন সাথী গ্রহণের ব্যাপারেও পশ্চিমা দেশগুলোর মহিলারা বাস্তবজ্ঞান সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহের শিকার হয়। তাদের আয়ের ২৫ শতাংশই সন্দেহ রোগের চিকিৎসায় ব্যয়িত হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বিয়ে ব্যতীত নারীর কোন ভবিষ্যৎ নেই

📄 বিয়ে ব্যতীত নারীর কোন ভবিষ্যৎ নেই


(No Future for a Woman without Marriage) পশ্চিমারা বন্ধনহীন জীবনে অতিষ্ট হয়ে বিশেষজ্ঞরা অবশেষে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। বৃটেনের লেখক জেলী কোপার সাদামাটা ও কাল্পনিক রচনায় প্রসিদ্ধ। তিনি তার মায়ের মৃত্যুর পর ভাব-গম্ভীর বাস্তব জীবন নিয়ে উপন্যাস লেখার চিন্তা ভাবনা করেন। ষাট বছর বয়সী জেলি বলেন, তিনি তার আগের রচিত বইগুলোকেই বেশি ভালবাসতেন। পাঠকরাও সেগুলি খুব আগ্রহে পাঠ করত। কিন্তু বাস্তবে সে রচনাগুলো অসফল প্রমাণিত হয়েছে। কারণ সেগুলির অধিকাংশ মাত্রাতিরিক্ত কাল্পনিক বিষয়-বস্তু অবলম্বনে লেখা হয়েছিল। প্রত্যেকটি বইয়ের বিষয়বস্তু ছিল রহস্যপূর্ণ। তাছাড়া এ বইগুলো শুধু অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল। জেলী কোপার বলেন, তিনি তার স্বামী লিভকে খুব ভালবাসতেন। কেননা বিবাহ ব্যতীত নারীর কোন ভবিষ্যৎ নেই।

জেলি বাড়ী সংলগ্ন বাগানের পাশ্ববর্তী একটি ছোট কামরায় বসে লিখতেন। কুকুর বিড়াল পোষার জণ্য তার যে শখ ছিল, তা ছিল মাতলামি পর্যায়ের। তার কোন পোষা প্রাণী মৃত্যুবরণ করলে জেলী সে মৃতদেহ বাগানে কবর দিত। জেলির মতে প্রসিদ্ধি লাভ খুবই মারাত্মক। কারণ যখন আপনি একবার আকাশে তারকা বনে গেছেন, ঠিক তারপরই আবার মাটিতে ফিরে আসার আয়োজন শুরু হয়ে যায়। (মাসিক মেডিক্যাল সার্ভে)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00