📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কর্মজীবি মহিলা : সমস্যার সূতিকাগার

📄 কর্মজীবি মহিলা : সমস্যার সূতিকাগার


(Working Women : House of Problems) সন্তান প্রসবের সময় মায়েদের মৃত্যুহার উন্নত বিশ্বেই সবচেয়ে বেশি। তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহে পৃথিবীর পঁচাশি শতাংশ শিশু জন্মগ্রহণ করে থাকে। একটি ভারতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বিষয়ে উন্নত বিশ্বে নিজ স্বার্থ সংরক্ষণের কারণে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। সামাজিক অবকাঠামো এবং দারিদ্রতার ফলে সারাবিশ্বে প্রতিদিন অগণিত মা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। শুধু ভারতেই প্রতিদিন গড়ে ৩২১ জন মা সুতিকাগারেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৫০ এর দশকে পরিস্থিতি ছিল খুব নাজুক। তখন প্রতি হাজারে ১৪৬ জন মা প্রসব কালে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করত। ৯০ এর প্রথম দিকে এ সংখ্যা হ্রাস পেয়ে প্রতি হাজারে ৭৪ জনে নেমে এসেছে। গত বছর প্রতি হাজারে আরো চার পাঁচজন কমে গিয়েছে। কিন্তু এখানে আরো পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন আছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, যখন কর্মজীবী মহিলার প্রসবের সময় নিকটবর্তী হয়, তখন তাকে বিরাট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ক্লান্তি থেকে উদ্ভুত শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতায় গর্ভকালীন সময়ে তাদের জরায়ু সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে সরকারী অফিস আদালতে প্রসবকালীন ছুটি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু প্রাইভেট সেক্টরে কর্মরত নারীরা এমতাবস্থায় বিপাকে পড়ে। কারণ স্বামী-স্ত্রী উভয়েই কর্মব্যস্ত থাকে। তাই ঘরে শিশুকে সামলানোর কেউ থাকে না। যৌথ পারিবারিক ব্যবস্থায় এ ব্যাপারে কিছুটা সহায়তা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি সেরূপ ব্যবস্থা না থাকে, তখন শিশুই মায়ের জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ মা তাকে নিজের সঙ্গে অফিসেও নিয়ে যেতে পারে না। আবার ঘরে একাকিও রেখে যেতে পারে না। তাই বাধ্য হয়েই তাদের 'চাইল্ড ডে কেয়ার' আয়ার সাহায্য নিতে হয়। কিন্তু যদি আয়ের স্বল্পতার কারণে এ ব্যয় বহন করতে না পারে, তখন সমস্যা দেখা দেয়। শারীরিক সমস্যা ছাড়াও মানসিক চাপও সুস্থতার জন্য ক্ষতিকর। ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের স্বল্পতার ফলে মায়েদের রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। মায়ের শরীরে ভিটামিন 'এ' এর স্বল্পতা দেখা দিলে সন্তানের দৃষ্টি শক্তির উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। (দৈনিক প্রতাপ, ভারত)

বৃটেনে পুরুষদের মাঝে কর্মরত হাজারো মহিলার চুল খুব দ্রুত পড়ে যায়। এ বিষয়ে বৃটেনের টাইমস পত্রিকায় একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। খবরে প্রকাশ যে, পুরুষের সাথে কর্মরত কমপক্ষে ৩০ শতাংশ মহিলার চুল পড়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানের সময় বিভিন্ন অফিস ও কারখানায় কর্মরত ২৮ জন মহিলার মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। অভিজ্ঞদের মতামত হল, পুরুষদের সঙ্গে অনবরত কাজ করার ফলে উক্ত মহিলাদের মাঝে পুরুষ হরমোনের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। গ্লিস লাইজ নামের এক বিশেষজ্ঞের মতামত হল, নারীদের পরিবর্তনশীল সামাজিক কর্মকাণ্ডের ফলে এরূপ মহিলাদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে, যাদের মধ্যে পুরুষের অভ্যাস ও চরিত্র সৃষ্টি হতে চলেছে। রিপোর্টে প্রকাশ, নারীরা সংস্কৃতি, সমাজ, সাহিত্য, চিকিৎসা, ওকালতি, ভ্রমণ ও অন্য সব বিভাগে পুরুষের সমকক্ষতা অর্জন করছে। এদের মস্তিষ্কে স্থান করে নিয়েছে সফল ক্যারিয়ারের চিন্তা। সাধারণত এ সব মহিলা পুরুষের চেয়ে দ্বিগুণ মেহনত করে। ডা. লাঞ্জ বলেন, আমি চুল পড়ে যাওয়ার অভিযোগকারী মহিলাদের শরীরে বিদ্যমান পুরুষ হরমোনের সংবেদনশীলতা কমিয়ে তাদের চিকিৎসা করি। (ফরেন হিস্ট্রি অফ মেডিক্যাল অবলম্বনে)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইহুদীদের ষড়যন্ত্র

📄 ইহুদীদের ষড়যন্ত্র


দুটি বিশ্ব যুদ্ধের পর, বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদীদের ষড়যন্ত্রের কারণে খৃষ্টানরা নারীদেরকে এতো বেশি অধিকার প্রদান করেছিল যে, পুরুষের স্বতন্ত্র মর্যাদা তারা অস্বীকার করে বসে। জনৈক বড় ইহুদী নেতা বহুজাতিক বাহিনীর সম্মুখভাগে অবস্থান করে হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। সে জোর দিয়ে প্রচার করে যে যুদ্ধ পরবর্তী ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে হলে পুরুষদের সঙ্গে নারীদেরকে কর্মজীবনে সমানভাবে অংশ গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। সেদিন থেকে ইউরোপে নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুগপৎভাবে কর্ম জীবনের কোলাহলে আত্মনিয়োগ করে। এমনকি ইউরোপে কোন মহিলা তালাকপ্রাপ্তা হলে সেই বাড়িতে ঐ পুরুষের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত ঐ স্ত্রীর অনুমতির উপর নির্ভর করতো। পুরুষ যদি প্রবেশের চেষ্টা করতো, তাহলে মহিলা টহল পুলিশকে জানিয়ে দিত। পরবর্তীতে টহল পুলিশ পাহারাদারী করতো যাতে ঐ ব্যক্তি সে এলাকাতেই প্রবেশ করতে না পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র

📄 বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র


আমি একবার কানাডা থেকে বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলাম। সেখানে দেখলাম, মহিলারা ইউরোপীয়দের ন্যায় অর্ধ উলঙ্গ পোষাক পরে, মাথায় হেলমেট লাগিয়ে মটর সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করছে। তাদের ইউনিফর্মে এন.জি.ও (বেসরকারী সাহায্য সংস্থা) প্রদত্ত বিশেষ পরিচয়সূচক চিহ্নও ছিল। অবাক হলাম। কারণ এ সংস্থাতো ইউরোপে কাজ করে। তাহলে এতো দূরে পৌঁছুলো কি করে? বর্তমানে এ সংস্থা বাংলাদেশে অত্যন্ত জোরালোভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত এগুলো সাহায্য সংস্থা। তাদের কাজ হলো মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করা। কিন্তু সাহায্যের আড়ালে তারা সরল প্রাণ মানুষকে কাফের ও মুরতাদ বানিয়ে ফেলছে।

১৯৯২ খৃষ্টাব্দে টাইমস্ এর এক সমীক্ষা অনুসারে এন.জি.ও এর মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়াতে বিশ লাখ মুসলমান অমুসলমান হয়েছে। এ সংস্থার কাজ হচ্ছে মহিলাদেরকে পুরুষের সম অধিকার আদায়ে প্ররোচিত ও সহযোগিতা করা। দৃশ্যত তারা মহিলাদেরকে মটর সাইকেল সরবরাহ করে। কিন্তু সেবার অন্তরালে তারা খৃষ্ট ধর্ম প্রচার করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পশ্চিমা মহিলাদের উপার্জন (Earning of Western Women)

📄 পশ্চিমা মহিলাদের উপার্জন (Earning of Western Women)


ধর্ম মানুষকে সন্দেহ থেকে দূরে রাখে। কিন্তু ধর্মহীনতা এবং অজ্ঞানতার বৈশিষ্ট্য হল সন্দেহ। অধিকাংশ শিক্ষিত মেয়েরা সন্দেহপ্রবণ। এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছ মান্টো ইউনিভার্সিটির একটি রিপোর্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমা দেশগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলাই শিক্ষিত। কিন্তু প্রতিটি কাজে তারা এতটা সন্দেহপ্রবণ যে, এতে তাদের স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হয়। রাতারাতি সম্পদশালী হওয়া এবং পছন্দের জীবন সাথী গ্রহণের ব্যাপারেও পশ্চিমা দেশগুলোর মহিলারা বাস্তবজ্ঞান সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহের শিকার হয়। তাদের আয়ের ২৫ শতাংশই সন্দেহ রোগের চিকিৎসায় ব্যয়িত হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00