📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হিউলাক এলিসের বিশ্লেষণ (Analysis of Hewlock Aelis)

📄 হিউলাক এলিসের বিশ্লেষণ (Analysis of Hewlock Aelis)


বর্তমান যুগে হিউলাক এলিসকে নারী-পুরুষের মনোবিজ্ঞানে সবচেয়ে বড় গবেষক মনে করা হয়। তিনি স্বীয় বই 'নারী ও পুরুষ' এ নারীদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলীকে খুব গুরুত্ব দিয়ে লিখেন— 'নারীদের স্বভাবে প্রভাবিত হওয়ার প্রবণতা পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি। ছোট ছোট বিষয়েও নারীরা অপরের বর্ণনা ও ধ্যান-ধারণা পুরুষের তুলনায় দ্রুত গ্রহণ করে। নারীর আবেগকে উত্তেজিত করে কোন কথা বললে সে তার জন্য জীবনও উৎসর্গ করতে প্রস্তুত হয়। নারীরা অন্যের মহানুভবতায় ঈর্ষান্বিত থাকে। পুরুষের যে রূপ স্বেচ্ছাচারিতার মন-মেজাজ থাকে, নারীর ভিতর তেমনটি থাকে না।'

এলিস আরো লিখেন— 'নারীদের বিবেক-বুদ্ধি কম থাকে। এ দিক দিয়েও পুরুষ অগ্রগামী যেমন—পুরুষের ভিতর অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করার যোগ্যতা অধিক থাকে। যে যা শিক্ষা করে অথবা অর্জন করে, তা চর্চা, গবেষণা ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে বৃদ্ধি করতে পারে। তাছাড়াও সে স্বীয় জ্ঞানের বিষয় ও বিভাগের বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে প্রচুর জ্ঞান রাখে। একজন পুরুষ বিজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে কাজ করতে বেশি আনন্দ পায়। তার পর্যবেক্ষণ শক্তিও নারীর তুলনায় অনেক বেশি।

নারীর মন-মেজাজ এর সম্পূর্ণ বিপরীত। নারী ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণকে মোটেও পছন্দ করে না। কারণ স্বভাবগতভাবেই তারা মনে করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ এর ফলে তাদের আবেগ প্রভাবিত হয়ে পড়বে। এর ফলেই নারী অটল আইন ও অনড় নিয়মকে খুবই ভয় পায়। কারণ তাদের জীবন আবেগ প্রবণতায় ভরপুর। মূলত এ গুণাবলীগুলো নারীর জ্ঞানের স্বল্পতার প্রমাণ নয়; বরং এগুলো নারী পুরুষের গড়নের ভিন্নতারই ফলাফল। অতএব এগুলো দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, নারীদের মস্তিষ্ক অনুসন্ধান, তদন্ত, বিজ্ঞান ও গভীর জ্ঞানের জন্য অনুপযোগী যদিও নারীরা কোন কোন সময় এ সবক্ষেত্রেও অসাধারণভাবে যথেষ্ট কৃতিত্ব দেখিয়েছে।'

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডক্টর ল্যাম্ব্রাসের বই ‘নারীর প্রাণ’

📄 ডক্টর ল্যাম্ব্রাসের বই ‘নারীর প্রাণ’


ডক্টর ল্যাম্বাসের বই 'নারীর প্রাণ' (Book of Dr. Lambras Spirit of Feminity) এমনিভাবে ড. ল্যাম্রাস 'নারীর প্রাণ' বইয়ে লিখেন— 'নারী এবং পুরুষ শুধু লম্বা-খাটো, রক্ত-মাংস ও গঠনের দিক দিয়েই ভিন্নতর নয়; বরং তারা সমপরিমাণ খাদ্য ও বাতাসও সেবন করে না। উভয়ের রোগও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের। তাদের চিন্তা-চেতনা ও চরিত্রে রয়েছে বিরাট ব্যবধান। তাদের এ ব্যবধান ও পার্থক্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে যদি দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়, তবেই নারীরা প্রগতির পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবে।'

উনিশ শতকে প্রণীত ইনসাইক্লোপাডিয়ার লেখক 'নারী' শব্দটির উপর আলোচনা করতে গিয়ে লিখেন— 'নারী-পুরুষের জননেন্দ্রিয়ের গঠন ও আকৃতির পার্থক্য যদিও একটি বিরাট বিষয় বলে মনে হয়, তবে তাদের পার্থক্য শুধু এতটুকুতেই সীমিত নয়। নারীর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সব অঙ্গই পুরুষের চেয়ে ভিন্ন ধরনের। এমনকি নারীর যে অঙ্গটিকে পুরুষের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ মনে হয়, সেটির মাঝেও রয়েছে বিরাট পার্থক্য।'

'নারীদের গড় উচ্চতা পুরুষের গড় উচ্চতার চেয়ে বারো সেন্টিমিটার কম। এ পার্থক্য কোন বিশেষ জাতি, গোষ্ঠী বা দেশের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বরং এ পার্থক্য যেরূপ পাহাড়ি, জংলী ও অসভ্য জাতিদের মাঝে বিদ্যমান, তেমনি সভ্য জাতির মধ্যেও রয়েছে। এমনিভাবে গড় বয়সেও নারী-পুরুষের মাঝে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।'

'পুরুষের শরীরের গড় ওজন ৪৭ কেজি। কিন্তু মহিলাদের শরীরের গড় ওজন কোন অবস্থাতই ৪২.৫ কেজির উপরে যায় না। অর্থাৎ নারীর শরীরের ওজন পুরুষের ওজনের চেয়ে ৫ কেজির বেশি হয় না। যুবকদের মত শিশুদের মাঝেও এরূপ গড় ব্যবধান দেখা যায়। মাংসপেশী ও শক্তির দিক দিয়েও নারীরা পুরুষদের মোকাবিলা করতে পারে না। পুরুষের মাংসপেশীর সঞ্চালন শক্তি নারীর মাংসপেশীর সঞ্চালন শক্তির চেয়ে অনেক বেশি।

নারী-পুরুষের কলিজায়ও রয়েছে যথেষ্ট পার্থক্য। অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, নারীর কলিজা পুরুষের কলিজার চেয়ে ওজনের দিক থেকে ষাট গ্রাম কম এবং আকৃতিতেও ছোট। শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারী-পুরুষে রয়েছে বহু ব্যবধান। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গবেষণা ও অনুসন্ধান করে জানা গিয়েছে, পুরুষ প্রতি ঘন্টায় প্রায় ১১ ড্রাম কার্বন দহন করে। কিন্তু নারী ছয় ড্রাম এর কিছু বেশি দহন করে। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নারীর স্বাভাবিক উষ্ণতা পুরুষের তুলনায় অর্ধেক বা অর্ধাংশের চেয়ে একটু বেশি। সুতরাং নারীর এ সব শারীরিক দুর্বলতাই তার মস্তিষ্কের দুর্বলতার পরিচায়ক।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নৈরাজ্যবাদী দার্শনিক প্রুধো (Nahlist Philosopher Proden)

📄 নৈরাজ্যবাদী দার্শনিক প্রুধো (Nahlist Philosopher Proden)


প্রসিদ্ধ নৈরাজ্যবাদী দার্শনিক প্রুধো স্বীয় কিতাব 'এবতেদারুন্নেযাম'-এ লিখেন, 'নারীর জ্ঞান যেরূপ পুরুষের তুলনায় স্বল্প, তেমনি নারীর মেধাও পুরুষের মেধার তুলনায় অনেক দুর্বল। নারীর চরিত্রও পুরুষের চরিত্রের চেয়ে ভিন্ন ধরনের। কারণ নারী যে জিনিষকে ভাল অথবা মন্দ বলে মন্তব্য করে, তা পুরুষের মন্তব্যের সাথে মিল খায় না। সুতরাং নারী পুরুষ সমান না হওয়া কোন অস্থায়ী বিষয় নয়, বরং এটি নারীর স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য।

যে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কর্ম-দক্ষতার উপর মানুষের জ্ঞান ও মেধার বিকাশ নির্ভর করে, তাতেও বিরাট পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ড. নিকোলাস ও ড. হেলী প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, নারীর পঞ্চ ইন্দ্রিয় পুরুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের চেয়ে দুর্বল।

ক. নারীর ঘ্রাণ নেওয়ার শক্তি এতই দুর্বল যে, সে যে দূরত্ব থেকে আতর বা লেবুর ঘ্রাণ অনুভব করতে পারে না, পুরুষ উক্ত দূরত্ব থেকে সহজেই এরূপ ঘ্রাণ অনুভব করতে পারে।
খ. এমনিভাবে পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, নারী পাতলা/লঘু বোরাক্স এসিডের গন্ধ ১/৩০০০ দূরত্ব থেকে অনুভব করতে পারে। আর পুরুষ মাত্র ১/১০০ দূরত্ব থেকে অনুভব করতে সক্ষম। এটা নারীর দুর্বলতার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
গ. আস্বাদন ও শ্রবণশক্তিতেও নারী পুরুষের চেয়ে দুর্বল। এর জন্য অন্য কোন দলিল প্রমাণের প্রয়োজন নেই। ইনসাইক্লোপাডিয়া সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে যে, এ দুর্বলতার ফলেই পুরুষ খাদ্যের ভাল মন্দের পরখ যতটা করতে পারে, নারী ততটা করতে পারে না। একমাত্র পুরুষই পিয়ানো বাজাতে পারে। আজ পর্যন্ত কোন নারী পিয়ানো বাজানোর ক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়নি।
ঘ. ত্বকের অনুভূতি শক্তি সম্পর্কে লোমব্রুজ, শেরজী এবং আরো অন্যান্য গবেষকের নিজস্ব গবেষণা হলো এ শক্তি পুরুষের তুলনায় নারীর মধ্যে খুবই কম। ফলে নারী যে সব কষ্ট ক্লেশ সহজেই বরদাশত করতে পারে, সে সব কষ্ট ক্লেশ পুরুষ বরদাশত করতে পারে না। এ পার্থক্য দ্বারা বুঝা যায় যে পুরুষের অনুভূতি শক্তির তুলনায় নারীর অনুভূতি শক্তি দুর্বল।

মানুষের অনুভূতি শক্তির কেন্দ্র হল মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের স্বল্পতা ও আধিক্য এবং ক্ষমতার উপরই নির্ভর করে অনুভূতি শক্তির তীব্রতা। কিন্তু যখন আমরা মনোবিজ্ঞানকে সামনে রেখে চিন্তা ভাবনা করি, তখন এক্ষেত্রেও নারী দুর্বল বলে প্রমাণিত হয়। মনোবিজ্ঞান পাঠে প্রমাণিত হয় যে, পুরুষ এবং নারীর মস্তিষ্কের উপাদান ও আকৃতির দিক দিয়ে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। গড়ে পুরুষের মস্তিষ্ক নারীর মস্তিষ্কের চেয়ে ১০০ গ্রাম বেশি। এর জবাবে কেউ কেউ বলতে পারেন যে, এ স্বল্পতা ও বৃদ্ধি নারী-পুরুষের শারীরিক গঠনের ভিন্নতার ফলে হয়ে থাকে, তাহলে এ মন্তব্য ভুল হবে। তাছাড়াও নারীর মস্তিষ্কের গঠনও তেমন একটা জটিল নয় এবং তাদের মস্তিষ্কের পর্দাও অসম্পূর্ণ। মনোবিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ এ পার্থক্যকে নারী-পুরুষের পার্থক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে সাব্যস্ত করেছেন। (নারী পুরুষের প্রাণগত ও স্বভাবগত পার্থক্য সম্পর্কে আরও অধিক জ্ঞান লাভ করতে হলে পড়ুন "ইসলাম ও নারী")

এ সব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ থেকে এ কথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট বুঝে আসে যে, কুদরত দুনিয়ার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক পৃথক গন্ডি এবং পৃথক পৃথক দায়িত্ব ও জিম্মাদারি প্রদান করেছে। এ লক্ষ্যেই নারীর যে সব যোগ্যতার প্রয়োজন ছিল, সে সব যোগ্যতা তার ভিতর ঐশীভাবেই দেওয়া হয়েছে। আর পুরুষের জন্য যে সব যোগ্যতার প্রয়োজন ছিল, তা তাদের শারীরিক গঠনেই দেয়া হয়েছে। নারী-পুরুষ জিন্দেগির দুটি চাকা স্বরূপ। উভয়ের সহযোগিতা ব্যতীত জিন্দেগির গাড়ী চলতে পারে না। তাই আল্লাহর কুদরত উভয়ের মাঝে সৃষ্টি করে দিয়েছেন দুর্বার আকর্ষণ। প্রগতি ও উন্নতির চাহিদা হল নারী-পুরুষের এ আকর্ষণ একটি নির্দিষ্ট গন্ডির ভিতর সীমিত থাকুক। নির্দিষ্ট গন্ডি এবং সীমারেখা অতিক্রম করলেই নেমে আসবে সামাজিক অবক্ষয়। সমাজ ব্যবস্থা ভেংগে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। প্রগতির সব পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। অতীতে বহু জাতিও সীমা লঙ্ঘনের ফলে ধ্বংস হয়েছে।

ইসলাম মানব স্বভাবের এ মৌলিক বিষয়গুলিকে লক্ষ্য রেখেই প্রত্যেকের কর্মসীমা নির্ধারণ করেছে। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন— 'নারী যখন ঘর থেকে বের হয়, তখন শয়তান তার পিছু নেয়।' অন্য হাদীসে এরশাদ করেন, 'যেখানে গায়রে মুহরাম নারী ও পুরুষ একত্রিত হয়, সেখানে শয়তান হয় তৃতীয় ব্যক্তি।' মানব স্বভাব ও ইসলামী শিক্ষার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করার ফলে আজ পশ্চিমা সমাজ আমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সব ধরনের উন্নতি তাদের হাতের মুঠোয় থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্পর্ক বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তাদের জীবনের তিক্ত ঘটনাগুলো পড়লে মনে হয় এ জীবন মৃত্যু থেকেও ভয়ানক। তাই পশ্চিমা সম্পদশালী রাষ্ট্রগুলোতে আত্মহত্যার প্রবণতা মাত্রাতিরিক্ত। (জুমহুরিয়াত আওর ইসলাম, মুহাম্মদ মূসা ভুট্টো)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কর্মজীবি নারী, পরিবেশ দূষণ এবং মানসিক অস্থিরতা

📄 কর্মজীবি নারী, পরিবেশ দূষণ এবং মানসিক অস্থিরতা


ঘরোয়া কাজে ব্যস্ত মহিলাদেরকে ধ্বংসাত্মক কোন রোগ খুব একটা আক্রমণ করতে পারে না। কারণ তারা নিজেদেরকে ঘরের বাইরে কর্মরত মহিলাদের চেয়ে অধিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে। খাদ্যের ব্যাপারে তাদের সচেতনতাও অধিক। এ বিষয়ে আমেরিকান উইমেন সানডে এর বর্তমান সংখ্যায় একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে প্রকাশ যে, ঘরোয়া কাজে ব্যস্ত নারীদের উপর পরিবেশ দূষণের প্রভাব খুব কম পড়ে। অথচ পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বেশি শিকার হয় কর্মরত নারীরা। ফলে অনেক সময় তাদের শিরা-উপশিরা দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা এতটা মারাত্মক খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয় যে কর্মক্ষেত্র থেকে তাদেরকে ইস্তফা দিতে হয় অথবা প্রতিষ্ঠান তাদের থেকে সেবা নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00