📄 শিশুর স্বাভাবিক লালন-পালন (Natural Patornage of Children)
নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে শিশুরা মাটিতে খেলা-ধুলা করার মধ্য দিয়ে সুস্থ সবলভাবে বেড়ে উঠত। সাহস ও বীরত্ব অর্জন করত। বিবেক-বুদ্ধি, দূরদর্শিতা ও স্বনির্ভরতার অধিকারী হত। বালক মায়াজ ও মুওয়াজ রাযি. বদর যুদ্ধে এমন সাহসিকতা প্রদর্শন করেছেন যা সব যুগের জন্য বিস্ময়। তাদের তলোয়ার না দেহ বেশি দীর্ঘ, তা পরিমাপের জন্য তলোয়ারকে দেহের একপার্শ্বে রাখলে তলোয়ারই দীর্ঘ হত। এমনকি হয়তো চলার পথে মনে হত তারা যেন পা হেঁচড়িয়ে চলছে। আজকেও যদি শিশুরা মাটিতে প্রতিপালিত হয়, তাহলে সুস্থ-সবল ও সাহসিকতার অধিকারী হবে। দেখুন, আধুনিক বিজ্ঞান এ ব্যাপারে কি বলে।
📄 ডা. হ্যানিমুন এর অভিজ্ঞতা
"মাটিতে এন্টিসেপ্টিক (পচন-নিবারক) গুণ বিশিষ্ট উপাদান থাকে। নিশাদল, ফ্লোরাইড, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি দেহের ক্রমবিকাশ ও সুস্থতার জন্য অতীব জরুরী। এদের প্রত্যেকটি মাটিতে পাওয়া যায়। এজন্য শিশুদেরকে মাটিতে খেলাধূলার সুযোগ দেওয়া উচিত। এতে শিশুর দৈহিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং তার বৃদ্ধিও তরান্বিত হবে।