📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাটির সাথে সম্পৃক্ত জীবন

📄 মাটির সাথে সম্পৃক্ত জীবন


মাটির একটি প্রধান উপাদান হলো ফসফরাস (Phosphorus)। তাই যে সব শিশু মাটিতে খেলা-ধূলা করে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। কারণ খেলার ফাঁকে মাঝে মধ্যে শিশুরা মাটি খেয়ে ফেলে। এতে কিছু পরিমাণ ফসফরাস তাদের শরীরে প্রবেশ করে। পক্ষান্তরে যে সব শিশু মাটির সংস্পর্শে আসে না, তাদের স্বাস্থ্য তেমন ঈর্ষনীয় ও আকর্ষণীয় হয় না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 শিশু ও বৃদ্ধদের এক সাথে চলাফেরা

📄 শিশু ও বৃদ্ধদের এক সাথে চলাফেরা


বড়দের সঙ্গে শিশুদেরও হাঁটা-হাঁটি করতে যাওয়া শিশু ও বৃদ্ধ উভয়ের জন্যই মঙ্গলজনক। এটি হল ব্রিটেনের 'ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন' পত্রিকার সংবাদ। সংবাদে প্রকাশ, বড়রা নিজেদের সঙ্গে নাতি-নাতনী অথবা ঐ স্তরের শিশুদেরকে হাঁটা-হাঁটির জন্য নিয়ে গেলে উভয় প্রজন্মের মাঝে পারস্পরিক নৈকট্য সৃষ্টি হয় এবং পারস্পরিক দূরত্ব হ্রাস পায়। অতএব তাদের এরূপ জোট বেঁধে চলা উচিৎ। এতে প্রত্যেকেই নিজেদের সমবয়সীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবে, প্রত্যেকেই অনুভব করবে এক অনাবিল প্রশান্তি, এবং বৃদ্ধি পাবে শিশুদের যোগ্যতা।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সন্দেহপ্রবণ নারীর সন্তান উদ্দীপনা থেকে বঞ্চিত

📄 সন্দেহপ্রবণ নারীর সন্তান উদ্দীপনা থেকে বঞ্চিত


ইসলামী জীবনে দাম্পত্য সম্পর্কের বিরাট গুরুত্ব রয়েছে। নারীদেরকে বাঁকা হাড় থেকে সৃষ্টি করার কারণে ইসলাম তাদের ব্যাপারে খুব বেশি কঠোরতা অবলম্বন করতে বারণ করেছে। স্ত্রীদেরকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বামীদেরকে এ পরিমাণ আদব ও এহতেরাম করার জন্য যে, যদি সেজদা করার অনুমতি দেওয়া হত, তবে স্ত্রীকে আদেশ দেওয়া হত যেন সে স্বামীকে সেজদা করে। কিন্তু এ মূলনীতি লংঘন ইউরোপীয় জীবনে একটি বিরাট সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। নিম্নে এ বিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হল।

ইসলাম সন্দেহপ্রবণ হওয়া নিষিদ্ধ করেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরা সন্দেহপ্রবণ হয় এবং তারা যে কোন ধরনের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে মান্নতের আশ্রয় নেয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 “সাও” এর রিপোর্ট

📄 “সাও” এর রিপোর্ট


নারীদের সন্দেহপ্রবণতা সন্তানের উপর কুপ্রভাব ফেলে। সন্দেহপ্রবণ মায়ের সন্তান বড় হয়ে মনস্তাত্ত্বিকভাবে অথবা কখনো কখনো শারীরিকভাবেও নানা সমস্যায় ভোগে। সোস্যাল এন্ড অর্গানাইজেশন (সাও) এর রিপোর্ট থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। এই সংস্থার নারী শাখার প্রধান গাযালা সাজ্জাদ এর দেয়া তথ্য অনুসারে—সাও হাজার হাজার নারীর উপর সমীক্ষা চালায়। এদের মাঝে ছিল পাঁচজন ডক্টরেট ও আঠারজন স্নাতকোত্তর। অবশিষ্ট নারীরা অন্তত এস.এস.সি পাশ। জরীপের ফলাফল অনুযায়ী শতকরা ৯৮ জন নারীই সন্দেহ প্রবণতায় অভ্যস্ত। অধিকাংশ নারীরাই সন্দেহ প্রকাশ করে যে বৃহস্পতিবারে কোন কাজ সূচনা করতে নেই। কারণ এর পরিণাম শুভ হয় না। টেবিল উল্টো করে রাখতে নেই। হাঁচি আসলে তারা ধরে নেয়, কেউ তাকে স্মরণ করছে। এক খ্যাতনামা মহিলা ডাক্তার বলেছেন 'ঘরে বিড়ালের কান্না করা ঐ পরিবারের কারো মৃত্যুর লক্ষণ।' নিজের ভাষায় তার বক্তব্য হল—'আমার আম্মার মৃত্যুর পনের দিন পূর্ব থেকে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বিড়াল কান্না করছিল।' সরকারী অফিসে কর্মরত এক মহিলা বলেন, 'কোন কাজে পা বাড়ানোর পর ঘরে ফিরতে নেই। এতে উদ্দিষ্ট কর্ম সম্পন্ন হয় না।' অনেক নারীদের দেখা যায় তারা বিভিন্ন পীর-ফকীরের প্রতারণায় বিশ্বাস করে এবং তাদের ভক্ত। এ সমস্ত নারীরা যে কোন সমস্যা সমাধানে মান্নতের আশ্রয় নেয়। তাদের এই সন্দেহ প্রবণতার ফলে সন্তান-সন্ততিরাও নানা রকমের দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে। সব সময়ই অদৃশ্য কোন শক্তির মুখাপেক্ষী হয়। জরিপে এই চিত্তাকর্ষক তথ্য বেরিয়ে আসে যে, এ কারণেই এ রকম নারীর সন্তানের মাঝেও চেষ্টা ও উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখা যায়। গাযালা সাজ্জাদ বলেন 'যারা সন্তানদের পৌরুষদীপ্ত, উদ্যমী ও পরিশ্রমী করে গড়ে তুলতে উদ্যোগী, তারা যেন নিজেরদেকে যাবতীয় সন্দেহ প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখে।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00