📄 ঘর :
প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ঘরের সংস্থান করে দেয়া হয়। মায়ের জন্য থাকে আলাদা কামরা এবং তার সংলগ্ন প্রতিটি কামরায় থাকে চার থেকে পাঁচ জন শিশু। প্রতিটি আবাসিক নিকেতনে ১০ থেকে ১৫ টি ঘর থাকে এবং এটা সাধারণত কোন বড় শহর বা গ্রামের মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
📄 শিক্ষা :
এই সমস্ত আবাসিক নিকেতনের প্রধান উদ্দেশ্য হল শিক্ষা দান। প্রতিটি সেক্টরে একটি করে স্কুল থাকে। এছাড়াও শিশুদেরকে হাতের কাজ বা বৃত্তিমূলক কাজ শিখানোর জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হয়। ধর্মীয় শিক্ষার জন্য প্রতিটি নিকেতনে একটি করে মসজিদ থাকে। এছাড়া স্টেডিয়াম, বাগান, ডাক্তারখানা, দোকান ইত্যাদি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাও সেখানে বিদ্যমান।
📄 শিশু প্রতিপালন ও ইউরোপের ডে কেয়ার সেন্টার
বস্তুবাদ ইউরোপী জীবনকে এত কর্মব্যস্ত ও অস্থির করে তুলেছে যে তারা সন্তানদের প্রতিপালন ও আদর-স্নেহ করারও কোন সুযোগ পায় না। ইসলাম সন্তানকে মায়ের কোলের শোভা বানিয়েছে। অথচ ইউরোপে সন্তানদেরকে যন্ত্র-জাত করা হয়েছে। ভোর বেলায় শিশুদেরকে ডে কেয়ার সেন্টারে পাঠিয়ে দিয়ে পিতা-মাতা নিজ নিজ কর্মস্থলে চলে যান। যন্ত্রের সাহায্যে সন্তানের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা হয়। সন্ধ্যায় তারা সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মধ্যে যে শূণ্যতা সৃষ্টি হয়, আজকের বিজ্ঞানও তা কিছুটা অনুভব করছে। মায়ের কোল থেকে দূরে থাকার কারণে বর্তমানে ইউরোপের সন্তানদের মধ্যে বিদ্রোহ ও অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। (উইকলি মেডিকেল সার্ভে)
📄 পিত- পরিচয়হীন শিশু
ইউরোপের জ্ঞানী-গুণী সমাজ পিতৃ-পরিচয়হীন শিশুদের নিয়ে দারুন উদ্বিগ্ন। এই তো কিছু দিন পূর্বেই তাদের কাছে পিতার পরিচয় জানতে চাওয়া হলে তারা লজ্জাবনত মস্তকে উত্তর দিত 'আমি জারজ সন্তান'।
কিন্তু আধুনিক সভ্যতা তাদের নতুন নাম উপহার দিয়েছে। তাই বর্তমানে তাদের পিতার পরিচয় জিজ্ঞাসা করা হলে অত্যন্ত গর্বের সাথে বলে 'আমি লো চাইন্ড (অর্থাৎ নিম্নমানের সন্তান)।'