📄 তালারেক পর প্রাপ্ত চামচ ও গ্লাস
ইউরোপীয়রা নারীদেরকে মাত্রাতিরিক্ত অধিকার প্রদান করে নিজেদের জন্য সীমাহীন অশান্তি ও দুর্ভোগ ডেকে এনেছে। পক্ষান্তরে ইসলাম নারী ও পুরুষকে এমন ভারসাম্য পূর্ণ অধিকার দিয়েছে যা মেনে চলে স্বামী-স্ত্রী অত্যন্ত সুখের সাথে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে। ইউরোপীয়দের প্রথা হলো বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যদি সুসম্পর্ক স্থাপিত না হয়, তাহলে স্ত্রীকে তালাক দিবে। তালাকের পর স্ত্রী স্বামীর ঘরের সমস্ত জিনিসপত্রের মালিক হবে। আর পুরুষ শুধুমাত্র চামচ, গ্লাস, কাপ ও চেয়ার টেবিলের মালিক হবে। বলা বাহুল্য তাদের এই অসম নীতির ফলে সেখানকার পুরুষরা বিবাহের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক পারিবারিক জীবন গঠনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। অপরদিকে মহিলাদের মাঝে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্বামীর সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিক পারিবারিক জীবন কাটানোর প্রবণতা এখনও বিদ্যমান। কারণ, ওখানে এটাই নিয়মে পরিণত হয়েছে যে, কোন পুরুষের সাথে কয়েক মাস বসবাস করে তাঁর স্বভাব-প্রকৃতি ও আচার-আচরণ পরখ করে। যদি পছন্দ হয় তবে তার সাথেই দাম্পত্য জীবনের ভাগ্যকে জুড়ে দিবে। আর যদি তাঁর সঙ্গে বনিবনা না হয়, তাহলে অন্য স্বামী বেছে নিবে। এভাবে মহিলারা বিভিন্ন স্বামীর স্বভাব প্রকৃতি যাচাই করে এবং বিভিন্ন পুরুষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন অবৈধ সন্তানও জন্ম দেয়।
📄 দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়ন (Misunderstanding of Married life)
দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়ন দেখা দিলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় শিশু ও নারীরা। এ ব্যাপারে এন.আই. এইচ.আর এর একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্টে প্রকাশ যখন মাতা-পিতা বিবাদে লিপ্ত হয় তখন সর্বপ্রথম তাদের শিশুরা স্নায়ুতন্ত্রে মারাত্মক খিঁচুনীতে আক্রান্ত হয়। তারপর স্ত্রীর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। সর্বপ্রথম আর্থিক কারণে দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়ন সৃষ্টি হয়। তারপর পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া দেখা দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার আশেপাশের দেশগুলোতে যৌথ পারিবারিক ব্যবস্থা থাকায় এ এরূপ ঝগড়া বেশি সংঘটিত হয়। ফলে নারী ও শিশুরা মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়।
ইসলাম নারীকে ঘরের জ্যোতি করেছে এবং তাদের স্থান নির্ধারণ করেছে পর্দার আড়ালে। যখন এ নারী-সভা সমিতি এবং অফিস-আদালতের বাতি হবে, তখন পরিণতিও বিপরীত হবে এটাই স্বাভাবিক।