📄 অবাধ যৌনাচারের পরিণতি
ক্যামব্রীজ ইউনিভার্সিটির ডাক্তারের নিরীক্ষা (Survey of a Doctor of Cambridge University)
এ বিষয়ে আমি এখানে একজন পশ্চিমা পন্ডিতের নিরীক্ষণের সারাংশ পেশ করছি। ক্যামব্রীজ ইউনিভার্সিটির ডক্টর Ideemium পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের এবং পুরাতন গোত্রের লোকদের জীবনী অধ্যয়ন করেছেন। এ অধ্যয়নের পর তিনি সভ্য সমাজের লোকদের জীবনীও পাঠ করেছেন। তারপর তিনি তাঁর অধ্যয়ন-লব্ধ ফলাফল Sex Culture নামক গ্রন্থে খুবই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বইটির ভূমিকায় লিখেন, 'আমি বিভিন্ন পদ্ধতিতে অনুসন্ধানের পর যে ফলাফল লাভ করেছি তার সারকথা হলো : প্রতিটি জাতি দুটি জিনিষের উপর নির্ভর করে, একটি হল তাদের সম্মিলিত জীবন ব্যবস্থা, দ্বিতীয়ত এমন আইন শৃংখলা যা তারা যৌন চাহিদার উপর আরোপ করে। তিনি আরও লিখেন, যদি আপনি কোন জাতির ইতিহাসে দেখেন যে, কোন সময় তাদের সভ্যতা উন্নত হয়েছে অথবা নীচে নেমে গিয়েছে, তাহলে আপনি খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন যে তারা যৌন বিষয়ক আইনে রদবদল করেছে। এর ফলাফল সভ্যতার উন্নতি অথবা অবনতির আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছে।
📄 ক্যামব্রীজ ইউনিভার্সিটির ডাক্তারের নিরীক্ষা
তিনি ৮০টি গোত্রের সভ্যতা-সংস্কৃতি অধ্যয়ন করে যে সিন্ধান্তে উপনীত হন তা হলো -
১. যে সব গোত্রে বিবাহের পূর্বে যৌন চাহিদা মিটানোর অবাধ স্বাধীনতা ছিল, তারা সভ্যতার সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছে গিয়েছিল।
২. যে সব গোত্রে বিবাহের পূর্বে যৌন চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রে কিছুটা আইন-কানুন ছিল, তারা সভ্যতার মধ্যস্তরে ছিল।
৩. সভ্যতার সর্বোচ্চ শিখরে সে জাতিই আরোহন করেছে, যারা বিবাহের পূর্বে যৌনাচার থেকে পুতঃপবিত্র ছিল এবং যারা বিবাহের পূর্বে যৌনাচারকে অবৈধ ও অপরাধ মনে করত।
সেই লেখক আরও মন্তব্য করেন, মনোবিজ্ঞানের অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, যৌনাচারের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করলে যে অবশ্যম্ভাবী ফলাফল দাঁড়ায় তা হলো জাতির কর্ম ও চিন্তা চেতনার শক্তি ও যোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু যে জাতি নারী পুরুষকে অবাধ যৌনতার সুযোগ দেয়, তাদের কর্মক্ষমতা, চিন্তাশক্তি এবং যোগ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। রোমীয়দের অবস্থাও তাই হয়েছিল। রোমীয়রা আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে অবাধে পশুর ন্যায় যৌনতার লিপ্ত হত। ফলে তারা শারীরিক দিকে থেকে দুর্বল হয়ে পড়েছিল এবং কোন কাজ করার মত ক্ষমতা তাদের ছিল না।