📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আনন্দঘন জীবনের শর্ত

📄 আনন্দঘন জীবনের শর্ত


আনন্দঘন এবং সফল দাম্পত্য জীবনের জন্য নিজের চাইতে জীবন সাথীর উপর বেশি নজর দেওয়া আবশ্যক। একটা গ্রন্থে পামেলা, চার্চিল, হ্যানরি ম্যানের দৃষ্টান্ত দিয়ে এ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে যে, যদি স্ত্রী স্বামীর মনে এ অনুভূতি জাগ্রত করতে সমর্থ হয় যে, সে এক বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারিণী, তখন দাম্পত্য এবং পারিবারিক জীবনের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পামেলা বলেন কারো সুদৃষ্টি অর্জন করার সর্বোত্তম পদ্ধতি হল তার প্রতি পরিপূর্ণ নজর প্রদান করতে হবে। এ উদ্ধৃতি দিয়ে পামেলা বলেন ভালবাসার ময়দানে সম্পদশালী লোকেরা সফলতা লাভ করে খুব বেশি। (পিওর হিষ্ট্রী অফ ভি পামেলা চার্চিল)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রাণবন্ত দাম্পত্য মিলনের প্রতিবন্ধকতা

📄 প্রাণবন্ত দাম্পত্য মিলনের প্রতিবন্ধকতা


(Obstacles of healthy married task)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ১. নারীদের যৌন চাহিদার স্বল্পতা

📄 ১. নারীদের যৌন চাহিদার স্বল্পতা


(Lack of Sexual Attitude in Woman) কুদরতীভাবেই নারীদের মধ্যে দুটি হরমোন- এস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন পাওয়া যায়। এ হরমোন নারীদের মাসিক স্বাভাবিক রাখে। নারীদের শরীরে এস্ট্রোজেনের ভূমিকা বেশি। কিন্তু প্রজেস্টেরনই মিলনের ক্ষেত্রে বেশি আগ্রহ সৃষ্টি করে। আমাদের দেশে নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি ততটা খেয়াল করে না। ফলে তারা লৌহ, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের স্বল্পতায় আক্রান্ত হয়। এতে করে তাদের মাঝে ক্লান্তি, বিষাদ, অবসন্নতা, দুর্বলতা এবং পেশী ও রগের খিঁচুনি বেশি লক্ষ্য করা যায়। গর্ভকালীন সময়ে এবং শিশুকে দুধ পান করানোর সময় মহিলাদের প্রচুর পরিমাণে লৌহ ও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

মানসিক পরিস্থিতি এবং ঘরোয়া পরিবেশও মিলনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মোট কথা সুস্থ মিলন সম্পাদিত হওয়ার জন্য নারীদেরকে একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হয়। বিতৃষ্ণভাব স্বামীকে ভুলপথে পরিচালিত করতে পারে। এর ফলে সমগ্র পারিবারই বোঝা হয়ে দেখা দিতে পারে এবং পারিবারিক জীবনই বরবাদ হয়ে যেতে পারে।

পুরুষরা ঘরের বাইরে কাজ করার সময় বিভিন্ন অবস্থার সম্মুখীন হয়। বিভিন্নজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনার ফলে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতে খিঁচুনীর শিকার হয়। যখন সে ঘরে প্রবেশ করে, তখন সে সুস্থ পরিবেশ কামনা করে। যদি পরিবেশ তার পছন্দ অনুযায়ী হয়, স্ত্রী, সন্তানরা তারা আশানুরূপ আচরণ করে, তার প্রতি দয়ার্দ্র থাকে, তাকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে, তাহলে সুস্থ মিলন সম্পাদিত না হওয়ার কোন কারণ থাকে না।

সুস্থ ও সুখকর মিলনের ক্ষেত্রে সুগন্ধিও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনুসন্ধানে জানা যায় যে, দারুচিনি পৌরুষ শক্তিকে জাগ্রত করার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ২. পুরুষের যৌন কামনার স্বল্পতা

📄 ২. পুরুষের যৌন কামনার স্বল্পতা


(Lack of sexual preference in Men) প্রতিটি মানুষের মাঝে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের যৌন শক্তি থাকে। এক্ষেত্রে খাদ্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বীর্য এবং শুক্রাণুর পরিমাণ কারো মধ্যে কম, কারো মধ্যে বেশি থাকে। অভিজ্ঞদের মতামত হল, বীর্য এবং শুক্রাণুর স্বল্পতার কারণ হল শরীরে উত্তেজক পদার্থের স্বল্পতা।

টেস্টোস্টেরন হরমোনই মূলত মিলনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে। এর স্বল্পতা পুরুষের মধ্যে মিলনের আগ্রহ হ্রাস করে। তাছাড়া খাদ্যের ভারসাম্য না থাকলেও মিলনের আকর্ষণ প্রভাবিত হয়ে থাকে। 'ভিটামিন-এ'ও বীর্য ও শুক্রাণু বর্ধক। তিল খেলে ভিটামিন এ লাভ করা যেতে পারে। তাছাড়া গাজরেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এগুলো খাদ্য বা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করলে মিলনের প্রতি আকর্ষণ অক্ষুণ্ণ থাকে। ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও মিলনের প্রতি যথেষ্ট আকর্ষণ সৃষ্টি করে থাকে। এসব উপাদান শরীরের ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করে। শরীর চঞ্চল হয়। চর্বি হ্রাস পায়। মাংসল ফল-ফলাদি সবচেয়ে বেশি উত্তেজক। তিল এবং স্যারসিপারিল্যা দ্বারা তৈরি ক্যাপসুল সেবনেও মিলনের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

পুরুষের মানসিক অবস্থা, ঘরের পরিবেশ এবং জীবন সঙ্গীনি নিজেকে সুন্দরী হিসেবে স্বামীর সামনে তুলে ধরলে মিলনের ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়। নারীদের সে পোশাকই পরিধান করা উচিৎ যে পোশাকে স্বামী স্ত্রীকে সুন্দরী মনে করবে। যদি নারী স্বামীর পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখে, তবে উত্তমরূপে মিলনকার্য সমাধা হয়। এ জিনিষগুলো নারী-পুরুষের মাঝে মিলনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে লক্ষণীয় ভূমিকা পালন করে। (ক্যালরি এন্ড আই)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00