📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ফলাফল (Results)

📄 ফলাফল (Results)


অভিজ্ঞজনেরা তাদের অনুসন্ধানী পর্যবেক্ষণের পর এর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, যদি কোন ব্যক্তি মারাত্মক মস্তিষ্ক-খিঁচুনীতে আক্রান্ত হয়, তখন তার অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা একজন সাধারণ লোকের চেয়ে চার গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া লক্ষ্য করা গেছে যে, যে সব মহিলাদের স্বামী দূরে থাকে অথবা মারা গিয়েছে, তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। মস্তিস্কে খিঁচুনী হতে থাকলে শারীরিক ও মানসিক উভয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। বর্তমানে আমাদের মধ্যে এ সমস্যা দ্রুতবেগে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আমাদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে পরিবর্তন আসছে। বড়দের সম্মান লোপ পাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম পুরাতন বিষয়াদিকে অস্বীকার করছে। ফলে মাতা-পিতা খুবই মানসিক ও স্নায়ুবিক চাপে থাকে এবং হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়। তাছাড়া এ ধরনের পরিবেশ বুকে ব্যথা সৃষ্টিরও কারণ হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা (Failure of Immunity System)

📄 প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা (Failure of Immunity System)


অনবরত স্নায়ু চাপ এবং খিঁচুনীর ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। মানুষের শরীর রোগের আধারে পরিণত হয়। এ ধরনের মানুষের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় হার্টের ব্যথা, আলসার ও হাই ব্লাড প্রেসারের প্রকোপ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দাম্পত্য আচরণ (Task of the Married State)

📄 দাম্পত্য আচরণ (Task of the Married State)


সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক স্নায়ু চাপ ও খিঁচুনি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। কারণ দাম্পত্য সম্পর্কের মাধ্যমে দৈহিক মিলনে মানুষ পূর্ণ প্রশান্তি লাভ করে। মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। প্রতিকূল অবস্থা ও রোগ-ব্যাধি প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

স্বামী-স্ত্রী আপন কক্ষে হাসি-খুশি এবং একে-অন্যের নৈকট্য লাভ করে পরস্পরে উপকৃত হয়। এ সময় শরীরে এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক কার্যক্রম শুরু হয়। ফলে শুধু রোধ প্রতিরোধ ব্যবস্থাই শক্তিশালী হয় না; বরং এতে করে সৃষ্ট রাসায়নিক পদার্থ মানুষের শরীরে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। এ রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে মানুষের শরীরে 'এন্ড্রোফেন' নামে এক যৌগ তৈরি হয়। দাম্পত্য মিলনের সময় মস্তিষ্ক এ রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, এটা মানব শরীরের সব ব্যথা দূর করে। এটি রক্তের সঙ্গে মিশে সারা শরীরে পৌছে যায়। ফলে নারী-পুরুষ উভয়কে প্রাণোচ্ছল ও হাসি-খুশি দেখা যায়। এ রাসায়নিক পদার্থের প্রভাব অনেকটা মরফিনের প্রভাবের সমান। মরফিন মানুষকে স্নায়ু চাপ থেকে মুক্ত করে, মাথা ব্যথা দূর করে এবং শরীরের অন্যান্য কষ্টের অবসান ঘটায়।

অনুসন্ধানের পর জানা গিয়াছে, অনেক মহিলার যৌন চাহিদা চূড়ান্ত অবস্থায় থাকলে তাদের গিরার ব্যথা ও জরায়ুর ব্যথা (Cervical Pain) নিরাময় হয়। কেননা এ সময় ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অবশ্য এটা সব মহিলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

সুস্থ দাম্পত্য মিলনের দ্বারা মানব শরীর পূর্ণাঙ্গ মাত্রায় প্রশান্তি লাভ করে। এটা তখনি সম্ভব যখন স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই আগ্রহ সহকারে এবং আন্তরিকভাবে সাড়া দেয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দাম্পত্য মিলনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া

📄 দাম্পত্য মিলনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া


মিলনের প্রস্তুতি পর্বে এন্ড্রোফেন তৈরি হতে শুরু করে। এন্ড্রোফেন তৈরির জন্যে যৌন চাহিদার পূর্ণাঙ্গ পরিতৃপ্তি আবশ্যক নয়। মিলনের সময় যৌন উত্তেজনার অনুভূতি ব্যথা সৃষ্টিকারী অনুভূতি থেকে প্রবল থাকে। পূর্ণ যৌন প্রশান্তি অধিক থেকে অধিকতর এন্ড্রোফেন তৈরিতে সাহায্য করে। এন্ড্রোফেনকে শরীরের ব্যথা নিরাময়কারী রাসায়নিক উপাদান বলে মনে করা হয়। এন্ড্রোফেন নিঃসরণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। মানুষ ক্যান্সার এবং এ জাতীয় অন্যান্য রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়।

নিয়মিত মিলনের ফলে মানুষের শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয় হরমোনের নিঃসরণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি পায়। যে সকল মহিলার সাথে নিয়মিত মিলন হয়, তাদের রক্তে এস্ট্রোজেন যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে যে সকল মহিলার সাথে মিলন কম হয়, বা মাঝে মাঝে হয়, তাদের শরীরে এ হরমোনের পরিমাণ কম থাকে। এ হরমোন নারীদেরকে দীর্ঘ যৌবনা রাখে। অনেক বয়স পর্যন্ত নিয়মিত মাসিক হয়। তাছাড়া এ সব হরমোনের কারণে মহিলাদের হাড় মজবুত হয় এবং তাদের হার্টের ব্যবস্থাপনা সুস্থ থাকে। এ হরমোন নারীর স্নায়ুবিক অবস্থাকেও ঠিক রাখে। চিন্তাধারাকে উন্নত রাখে এবং মস্তিষ্কের চাপ ও খিঁচুনী দূর করে। কৃত্রিম হরমোন ব্যবহার করলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তাই কৃত্রিম হরমোন থেকে বিরত থাকা উচিৎ এবং যে সব প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় নারীদের শরীরে এ জাতীয় হরমোন উৎপাদন বৃদ্ধি পায় সে সব প্রাকৃতিক মাধ্যমকে কাজে লাগানো উচিত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00