📄 আমেরিকান হেলথ সার্ভে এর রিপোর্ট
মহিলারা ঔষধের উপর নির্ভর না করে বরং রোগের পূর্ব লক্ষণ দেখে সেই রোগ নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদেরকে অনেক রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে পারেন। এ বিষয়ে হেলথ সার্ভে এর রিপোর্ট লক্ষ্য করুন। এ রিপোর্ট অনুযায়ী কোন মহিলার ক্ষুধামন্দা, দৈনন্দিন কর্মে একঘেয়েমি এবং নিরাশা দেখা দিলে বুঝতে হবে তার শরীরে হয়ত কোন রোগের সংক্রমণ হচ্ছে। যদি মহিলারা সঙ্গে সঙ্গে ঔষধ গ্রহণের পরিবর্তে নিজের চেষ্টায় পরিবর্তিত অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারে, তাহলে স্বাস্থ্য নষ্ট হয় না। এ জন্য যখনি স্বাভাবিক অবস্থার ব্যতিক্রম দেখা যাবে এবং জীবনের ব্যাপারে নিরাশা সৃষ্টি হবে, তখন পারিবারিক সম্পর্ককে আরো আনন্দঘন করা এবং নতুন নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার। (প্যারাসাইকোলজি কে কারিশমাত)
📄 প্রাণবন্ত দাম্পত্য সম্পর্ক (Healthy Married Relationships)
ইসলাম দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপনকে পুণ্যের কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছে। হাদীসের কিতাবসমূহে এ আমলের ফাযায়েল রয়েছে। কিন্তু শর্ত হল স্বীয় স্ত্রী হতে হবে। আধুনিক বিজ্ঞান কি বলে তা পাঠ করে দেখুন। মানুষের শরীর এবং মস্তিস্ক কখনো পৃথক ও বিচ্ছিন্ন হয় না এবং এটা আত্মীয়তার সম্পর্কের সাথে সম্পৃক্ত। এ সম্পর্ক ইতি ও নেতিবাচক উভয় ধরনের হতে পারে। দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপনের যে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক ভূমিকা আছে তা সহজেই অনুমেয়। এ আমলের সময় মানুষের শরীর এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান তৈরি হয় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। অন্য শব্দে বলা যায় যে, মানুষ এর ফলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থাকে। একই সাথে উক্ত সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক অনুভূতি ক্রিয়াশীল থাকলে মস্তিস্কের চাপ, ক্রোধ ইত্যাদি মানুষের শরীরের বিভিন্ন তন্ত্রকে ভারসাম্যহীন করে দেয়। এর উদাহরণ হল চলতি মেশিনে লোহার কোন জিনিষ ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো। এর ফলে মেশিনে সঙ্গে সঙ্গে গোলযোগ সৃষ্টি হয় মেশিনের কার্যক্রম বন্ধ অথবা বাধাগ্রস্ত হয়।
📄 ফলাফল (Results)
অভিজ্ঞজনেরা তাদের অনুসন্ধানী পর্যবেক্ষণের পর এর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, যদি কোন ব্যক্তি মারাত্মক মস্তিষ্ক-খিঁচুনীতে আক্রান্ত হয়, তখন তার অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা একজন সাধারণ লোকের চেয়ে চার গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া লক্ষ্য করা গেছে যে, যে সব মহিলাদের স্বামী দূরে থাকে অথবা মারা গিয়েছে, তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। মস্তিস্কে খিঁচুনী হতে থাকলে শারীরিক ও মানসিক উভয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। বর্তমানে আমাদের মধ্যে এ সমস্যা দ্রুতবেগে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আমাদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে পরিবর্তন আসছে। বড়দের সম্মান লোপ পাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম পুরাতন বিষয়াদিকে অস্বীকার করছে। ফলে মাতা-পিতা খুবই মানসিক ও স্নায়ুবিক চাপে থাকে এবং হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়। তাছাড়া এ ধরনের পরিবেশ বুকে ব্যথা সৃষ্টিরও কারণ হয়।
📄 প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা (Failure of Immunity System)
অনবরত স্নায়ু চাপ এবং খিঁচুনীর ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। মানুষের শরীর রোগের আধারে পরিণত হয়। এ ধরনের মানুষের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় হার্টের ব্যথা, আলসার ও হাই ব্লাড প্রেসারের প্রকোপ।