📄 পরিশিষ্ট
পরিশিষ্ট অংশে দাড়ি রাখার প্রয়োজনীয়তা, গাভীর গোশতের হালাল হওয়া সম্পর্কিত ব্যাখ্যা এবং নামায ও ক্ষুধার সামঞ্জস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
📄 দাড়ির অপরিহার্যতা
আমি ইতোপূর্বে দাড়ি রাখাকে সুন্নাত লিখেছিলাম। এটা মূলত সাধারণ ও স্বাভাবিক নিয়মের ভিত্তিতে লেখা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে শরী'আতের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য কথামতে দাড়ি রাখা ওয়াজিব।
📄 গাভী একটি বৈধ-হালাল প্রাণী
পেছনের গাভীর ব্যাপারে একটি হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে। উলামায়ে কিরাম ও মুফতীগণ এতে যে মতামত দিয়েছেন, তা মূলত কৃশ, স্বাস্থ্যহীন, রোগগ্রস্ত প্রভৃতি গাভীর কথা বলেছেন। কেননা গাভীতে এসব রোগ-ব্যাধি আবিষ্কার হচ্ছে। অবশ্য সকল গাভীতে নয়। তদ্রুপ অপুষ্টিকর, অতৃপ্তিদায়ক ইত্যাদি খাদ্য-দ্রব্য খেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং অপকারিতা ভিত্তিতে হাদীসে নিষেধ, অস্বীকৃতি ও অসম্মতির কথা বলা হয়েছে। পক্ষান্তরে গাভী যদি কোন প্রকার রোগে আক্রান্ত না হয়, তবে তা সর্বদা হালাল ও বৈধ প্রাণী।
📄 নামায ও ক্ষুধা
ক্ষুধা অধিক হলে তাকওয়ার দাবি হলো ক্ষুধা সহ্য করে নামায পড়া। উলামায়ে কিরামের মতে কেউ অধিক ক্ষুধার্ত হলে, নামাযে মনোযোগ না বসলে, মন ক্ষুধা ও খাদ্যের প্রতি ধাবিত হলে আগে খেয়েই নামায পড়বে।