📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হাদীসে রাসূল

📄 হাদীসে রাসূল


• হযরত নাফে রাযি. হতে বর্ণিত, তাঁর নিকট হযরত ইবনে ওমর রাযি. থেকে রেওয়ায়েত পৌঁছেছে, নবীজী বলেছেন, জ্বর অথবা জ্বরের তীব্রতা জাহান্নামের গর্জন। কাজেই একে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করো। (যাদুল মা'আদ)

• হযরত আবু ইমরান ছানয়ী রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কায় হযরত ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট বসা ছিলাম। হঠাৎ আমার জ্বর উঠল। তিনি বললেন, একে (যমযমের) পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জ্বর জাহান্নামের আগুনের আক্রমণ। একে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করো।

• হযরত হাসান রাযি. থেকে বর্ণিত, জ্বর অগ্নির অংশ। তাই একে ঠাণ্ডা পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করো।

• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যখন জ্বর হত, তখন তিনি এক মশক পানি আনতেন এবং তা মাথার উপর ঢেলে দিয়ে গোসল করতেন। (যাদুল মা'আদ)

জ্বরের ব্যাপারে বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষ্যও এটাই, অর্থাৎ জ্বরের রোগীকে পানি দিয়ে গোসল করাবে। তার মাথায় ঠাণ্ডা পানির পট্টি লাগাবে। রোগীকে পানি বেশি পান করাবে। মেডিক্যালের বইতে জ্বরের চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক তাই। যেমনটি ডাক্তার লোহী কোণী অফ জার্মানী হাইড্রোপ্যাথিতে বর্ণনা করেছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হাইড্রোপ্যাথির (পানি চিকিৎসা) নিয়ম

📄 হাইড্রোপ্যাথির (পানি চিকিৎসা) নিয়ম


ডাক্তার লোহী কোণী হাইড্রোপ্যাথির নিয়মে লিখছেন, পানি যেহেতু দুনিয়ার উপাদান চতুষ্টয়ের একটি, এজন্য মানুষের সঙ্গে পানির সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। আমার দৃষ্টিতে সকল জ্বরের রোগী, প্লেগ, মূত্রাশয় ও শিরা-উপশিরার রোগীদের জন্য পানিই হল ঔষধ। এরূপ রোগীদেরকে পানি পান করানো, মাথায় পানি ঢালা এবং পানিতে গোসল করানো উচিত। আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে অনেক রোগী শুধু পাকস্থলী রোগে ভোগেন। যদি তারা অধিক হারে পানি পান করেন, পানিতে গোসল করেন, তাহলে খুব দ্রুত এ রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00