📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নখ কাটা ঔষধও বটে

📄 নখ কাটা ঔষধও বটে


নবীজীর নখ কাটার রীতি কোনো কোনো রেওয়ায়েত অনুযায়ী জুমার দিন এবং কোনো কোনো রেওয়ায়েত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ছিল। (উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম)

• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পঞ্চদশ দিবসে নখ কাটতেন। (উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম)

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে পেটের পোকার ডিম মানুষের নখে আটকে থাকে। খানা খাওয়ার সময় এগুলো খাদ্যের সঙ্গে পেটে চলে যায় এবং পেটেই বড় হয় ও বংশ বিস্তার করে।

মেডিক্যাল নিয়ম অনুযায়ী পেটের পোকার ঔষধ হাতে ধরা ঠিক নয় বরং কোনো কাগজ দ্বারা উঠিয়ে মুখে দিব। ট্যাবলেট খাওয়ার পূর্বে গোসল করে নিবে। রৌদ্রে শুকানো কাপড় পরিধান করবে। বিছানা ধুয়ে নিবে। বিছানার চাদর ধুয়ে নিবে। তারপর ইস্ত্রি করে বিছাবে। রাত্রে ট্যাবলেট খাবে। এরপর সকালে উঠে একই নিয়মে গোসল করে নিবে। বিছানা পরিবর্তন করবে। পোশাক পরিবর্তন করবে এবং কুসুম গরম পানিতে গোসল করবে। কেননা কোনো কোনো সময় পোকার ডিম হাতে শরীরে এবং কাপড়ে লেগে শরীরের ভিতর প্রবেশ করে। আর যদি ঐ পোশাককে পরিষ্কার করে এবং নখ কেটে ফেলে, তবে তা স্বাস্থ্য ও সুস্থতার কারণ হবে। গবেষণা অনুযায়ী যে সমস্ত মহিলা নখ বড় করে রাখে, তারা রক্তস্বল্পতার রোগে আক্রান্ত হয়। এরূপ মহিলারা মনোরোগে অধিক আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এমনকি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, নখ বড় করা খুব মারাত্মক। তা মানুষকে এরূপ মনোরোগে আক্রান্ত করে, এর দরুন তার ভিতর আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সুন্নাতে রাসূল ও ফ্যামিলি প্লানিং

📄 সুন্নাতে রাসূল ও ফ্যামিলি প্লানিং


• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: তোমরা অধিক সন্তান প্রসবকারিণী নারীদের বিবাহ করো। কারণ, আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্য উম্মতের উপর গর্ব করব। (যাদুল মা'আদ)

• হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন: এ উম্মতের মধ্যে ঐ ব্যক্তি বেশি ভালো, যার পরিবার-পরিজন বেশি। (যাদুল মা'আদ)

• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অধিক সন্তান প্রসবকারিণীকে বিবাহ করার জন্য উম্মতকে উৎসাহ দিয়েছেন। নবীজী উম্মতের আধিক্যকে পছন্দ করেছেন। পবিত্র কুরআনেও আল্লাহ তা'আলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, নিজ সন্তানদেরকে ক্ষুধার ভয়ে হত্যা করো না; আমি তোমাদেরকে এবং তাদেরকে রিযিক দেই।

অথচ আমরা এ ব্যাপারে পূর্ণ শক্তি ব্যয় করছি যে, কিভাবে সন্তান কম হয় এবং সুখী সংসার গড়ে ওঠে। মূলত এটা মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। যেন তাদের বংশ শেষ হয়ে যায়, দুনিয়া থেকে তাদের সংখ্যা যেন কমতে থাকে। তাদের নাম নিশানাও যেন একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, যে সকল মহিলা সন্তান কম হওয়ার ইচ্ছায় ঔষধ ব্যবহার করে, তাদের অবস্থা কিরূপ হয় তার কিছুটা চিত্র নিম্নে প্রত্যক্ষ করুন।

এক মহিলা প্রায়ই বেহুঁশ হয়ে যেত। অনেক চিকিৎসা করিয়েছেন। বহু পীর-ফকিরের দরবারেও ঘুরেছেন কিন্তু কোন সুফল হয় নি। অবশেষে চিকিৎসার জন্য অধমের নিকট আনা হল। উক্ত মহিলা কথা প্রসঙ্গে নিজেই বললেন, তিনি লজ্জাস্থানে 'প্রিভেন্টিভ ক্যাপ' রেখেছেন। যেদিন তা রেখেছেন, সেদিন থেকেই তিনি মাঝে মধ্যে বেহুঁশ হয়ে যান। এখন তিনি নিজেই বুঝতে পেরেছেন, এটি ব্যবহার করা তার জন্য অসমীচীন। যখন রোগ নির্ণয় করা হল এবং সামান্য কিছু পথ্য দেওয়া হল, তখন তিনি সুস্থ হয়ে গেলেন।

পাগল এক মহিলার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা গেল, তিনি সুখী সংসার গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ২ মাস বড়ি ব্যবহার করেছেন। এভাবে কোনো কোনো মহিলার এ সকল ঔষধে পেট বড় হয়ে যায়। কারও কারও শরীর ফুলে যায়। বিভিন্ন প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হয়। মূলত যখনি আমরা স্বভাবসিদ্ধ নিয়ম ভঙ্গ করার চেষ্টা করব, তখন আমাদের দিকে আল্লাহর চাবুক পড়তে থাকবে। আমাদের উচিত তখুনি আল্লাহর কানুনের দিকে ফিরে আসা। কিন্তু আমরা তার বিপরীত এমন চিকিৎসা আরম্ভ করি, যার ফলে তাঁর শাস্তি দ্বিগুণ হয়ে নেমে আসে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গাইনী কেলোজিস্টের ওয়ার্নিং

📄 গাইনী কেলোজিস্টের ওয়ার্নিং


মেডিফিউন নামের একজন প্রসিদ্ধ গাইনোকোলোজিষ্ট (আমেরিকার মেক্সিকো ইউনিভার্সিটির চীফ) মহিলাদেরকে সতর্ক করে বলেছেন, খবরদার! যদি সন্তান কম হওয়ার জন্য ঔষধ ব্যবহার কর, তবে অগণিত রোগ তোমাদের জড়িয়ে ধরবে। তুমি শুধু স্থায়ী রোগীই হবে না বরং ক্যান্সারের প্রবল সম্ভাবনা তোমার মাথায় দুলতে থাকবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 W.H.O. এর উপদেশ

📄 W.H.O. এর উপদেশ


বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা মহিলাদের ব্রেষ্ট এবং যোনীপথে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এ সকল ঔষধ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। যে সকল মহিলা এ সকল ঔষধ নিয়মিত ব্যবহার করেন, রিপোর্ট অনুযায়ী তারা যে কোনো সময় ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00