📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 লাচ্ছি

📄 লাচ্ছি


লাচ্ছির মধ্যে এরূপ জীবাণু রয়েছে, যেগুলির প্রকৃতিগত স্বভাব হল, তা পেটে পৌঁছা মাত্রই রোগ সৃষ্টিকারক জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে সেগুলিকে পরাজিত করে দেয়। তাই রোগের মোকাবেলা করার জন্য লাচ্ছি একটি উৎকৃষ্ট জিনিস।

লাচ্ছিতে ল্যাকটিক এ্যাসিড (Lactic Acid) থাকায় পেটে গ্যাস সৃষ্টিকারী জীবাণুর উপর ভালো প্রভাব পড়ে। তাতে গোশত বর্ধক প্রোটিনের খুব সূক্ষ্ম অণুকণা থাকে। এ কারণে এটা অন্যান্য জিনিসের মতো হজম হওয়ার ক্ষেত্রে মুশকিল হয় না। এর প্রোটিন খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায় এবং অন্যান্য জিনিসকেও হজম করে। এটি গুরুপাক এবং হজম হতে চায় না এমন খাদ্য তাড়াতাড়ি হজম হওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। লাচ্ছিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্লোরিন ইত্যাদির লবণ থাকে আর এগুলির সবকটিই গোশত বর্ধক এবং হাড্ডি মজবুতকারক।

অনিয়মিতভাবে বারবার কয়েকটি জিনিস খেলে তা ভালোভাবে হজম হয় না এবং হজম না হওয়া অংশ নাড়ীতে পঁচতে থাকে। কিন্তু লাচ্ছি পান করলে রক্ত চলাচল দ্রুত হতে থাকে এবং তা সমস্ত খারাপ ও ক্ষতিকর পদার্থকে নির্গত করে ফেলে।

লাচ্ছি পান করলে হজমে সহায়তাকারী লালা অধিক হারে সৃষ্টি হয়। ফলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তা ব্যবহারে শরীর শক্তিশালী ও মজবুত হয়ে যায়। লাচ্ছি পানে পায়খানা প্রস্রাবের অঙ্গ তার ক্রিয়া সম্পাদনে অধিক শক্তি পায়। খাদ্য সময় মতো হজম হয় এবং শরীরের অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বের হয়ে যায়। ফ্রান্সের পাস্তুর ইনস্টিটিউটের ডাক্তার সচীন এক গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে, লাচ্ছি পানে বার্ধক্য দেরীতে আসে। শরীর প্রতিপালনে লাচ্ছি একটি উৎকৃষ্টমানের খাদ্য। তাজা এবং মিষ্টি লাচ্ছি পান করলে নাড়ীতে বিষ সৃষ্টিকারী জীবাণু তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস হয়ে যায় এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00