📄 হাদীসে রাসূল
• হাকেম আবু নোয়াইম রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা গাভীর দুধ নিয়মিত পান করো। কেননা এতে শেফা (রোগমুক্তি) রয়েছে আর তার গোশত থেকে বাঁচো (দূরে থাকো), কেননা তাতে রোগ আছে। (মুসনাদে ইমাম আযম)
উলামায়ে কিরাম বলেন, যাচাই করে নিবে অর্থাৎ কোনো রোগী যাতে না খায় অথবা রোগাক্রান্ত গরুর গোশত যেন কেউ না খায়। নতুবা গাভী তো একটি হালাল প্রাণী।
📄 মেডিক্যাল টেস্ট
মেডিক্যাল পরীক্ষা অনুযায়ী গরুর গোশতে এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা টি.বি এবং হৃদরোগের মতো কঠিন রোগের কারণ হয়ে যায়। আধুনিক ডাক্তারগণ এ বিষয়ে বেশ ঘাটাঘাটি করে যাচাই করার পর জানতে পারেন, গরুর গোশত খেলে একদিকে কলিজায় ঘা হয়, অপরদিকে মস্তিষ্কেও একটি ভয়ানক রোগ হয়। যাকে ম্যাডকাউ ডিজিজ বলে। ইংল্যাণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টিফেন ডোরাল তার সম্প্রতি এক ভাষণে এ সত্যতা স্বীকার করেছেন যে, গাভীর দ্বারা এমন একটি রোগ আত্মপ্রকাশ করেছে, যার নাম হল সি জে ডি। এ রোগ হলে রোগী পাগল হয়ে যায়। নিজের স্মরণশক্তি নিঃশেষ হয়ে যায়। এমনকি অনেক রোগীকে আত্মহত্যা করতে আগ্রহী দেখা যায়।
এ কথা তো সর্বজন স্বীকৃত যে, গরুর গোশতে হার্টের রোগ বৃদ্ধি পায়। এমনকি কলিজার গ্রন্থি ঢিলা হয়ে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন ধূপধুপানি স্থবির হয়ে আসে। সুইডেনে যক্ষ্মা মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এর কারণ হল গরুর গোশত। এরপর যখন গাভীর চিকিৎসা করানো হল তখন আশ্চর্যজনকভাবে অবস্থার পরিবর্তন পরিলক্ষিত হল এবং নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব বন্ধ হয়ে গেল।
অস্ট্রেলিয়ায় গরুর ফার্মে প্রতিমাসে নিয়মিত চেকআপ হয় এবং প্রতিদিন যথাযোগ্য চিকিৎসা করা হয়। খুব জোর দিয়েই বলা হয়, গাভী সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকবে।