📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 যবাই করার ইসলামী নিয়মনীতি

📄 যবাই করার ইসলামী নিয়মনীতি


যবাই করার মৌলিক উদ্দেশ্য হল, হালাল প্রাণীর গোশত এমন উপায়ে সংগ্রহ করা, যাতে তার কষ্ট না হয়। তার রং-স্বাদ যেন রুচিসম্মত থাকে এবং ঐ গোশত কিছু সময় খাবার উপযোগী থাকে। প্রাণীকে যদি কষ্ট দেওয়া হয় বা তার শরীর থেকে যদি পুরো রক্ত বের না হয়, তা হলে তাতে হিস্টামিনের জন্ম হতে পারে। শরীরে রক্ত অবশিষ্ট থেকে গেলে এরূপ গোশত মানুষের জন্য খাওয়া উচিত নয়। হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদেশ করেছেন, যবাইয়ের ছুরিটা ভালোভাবে ধার দিয়ে নিবে এবং প্রাণীর সম্মুখে লুকিয়ে লুকিয়ে নিয়ে যাবে। যবাই করার সময় তাড়াতাড়ি যবাই করে ফেলবে। (আহমদ ও ইবনে মাজাহ)

এ বিষয়ে হযরত আওফ বিন শাদ্দাদ রাফি, রাসূল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইরশাদ নকল করেন, আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক জিনিসের সাথে সদয় ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। যদি তোমরা কাউকে হত্যা কর, তবে তা দ্রুত সম্পাদন করে ফেল আর যদি যবাই কর, তা হলে খুব তাড়াতাড়ি করে ফেল। ছুরিটা খুব ভালোভাবে ধার দিয়ে নাও এবং প্রাণীকে আরাম দাও। (মুসলিম)

• হযরত আবু হুরাইরা রাযি. ইরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ীকে একটি ছাই রংয়ের উটের উপর সাওয়ার করে মিনায় পাঠালেন। যেন তিনি তথায় গিয়ে অলিতে গলিতে ঘোষণা করে দেন যে, প্রাণীর যবাই হবে গলা এবং থুতনীর মধ্যবর্তী স্থানে আর তার প্রাণীর চামড়া ছাড়ানোর ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করবে না। মিনায় অবস্থান খাওয়া-দাওয়া এবং আনন্দফুর্তির জন্য। (দারা কুতনী)

এখানেও যবাইকে পবিত্র করার মাধ্যম বলা হয়েছে। যবাইকারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রাণী ঠাণ্ডা-নিস্তেজ না হওয়া পর্যন্ত যেন তার চামড়া ছাড়ানো না হয়। যাতে আরামের সাথে তার প্রাণ বেরিয়ে যায়।

যবাই করার অন্যান্য পদ্ধতির ব্যাপারে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, মুহাম্মদ বিন সফওয়ান বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন দুটি খরগোশ আমার হাতে ঝুলানো ছিল। জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এ দুটি পেয়েছি এবং এগুলি যবাই করার জন্য লোহার কোনো জিনিস হাতের কাছে পেলাম না, তখন একটি ধারলো সাদা পাথর দিয়ে এগুলিকে যবাই করে ফেললাম। এখন আমি কি এগুলি খেতে পারি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, খাও।

• কা'ব ইবনে মালিক রাযি. বর্ণনা করেন, আমার বকরিপাল সিলা পাহাড়ের উপর চরত। আমার বাঁদী হঠাৎ দেখল, একটি বকরি মরে যাচ্ছে। সে একটি পাথর ভেঙে তার দ্বারা যবাই করে ফেলল। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হল। তিনি তা খাওয়ার নির্দেশ দিলেন। (বুখারী)

• আদী ইবনে হাতেম রাযি. বর্ণনা করেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! বলুন, যদি আমরা কোনো শিকার পাই এবং আমাদের নিকট ছুরি না থাকে, তা হলে কি আমরা পাথর অথবা লাকড়ির টুকরো দিয়ে যবাই করে ফেলব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন, যেটা দিয়ে মনে চায় যবাই করে নিবে এবং আল্লাহ তা'আলার নাম উচ্চারণ করবে।

যবাই করার মৌলিক উদ্দেশ্য হল, হালাল প্রাণীর গোশত এমন উপায়ে সংগ্রহ করা, যাতে তার কষ্ট না হয়। তার রং-স্বাদ যেন রুচিসম্মত থাকে এবং ঐ গোশত কিছু সময় খাবার উপযোগী থাকে। প্রাণীকে যদি কষ্ট দেওয়া হয় বা তার শরীর থেকে যদি পুরো রক্ত বের না হয়, তা হলে তাতে হিস্টামিনের জন্ম হতে পারে। শরীরে রক্ত অবশিষ্ট থেকে গেলে এরূপ গোশত মানুষের জন্য খাওয়া উচিত নয়। হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদেশ করেছেন, যবাইয়ের ছুরিটা ভালোভাবে ধার দিয়ে নিবে এবং প্রাণীর সম্মুখে লুকিয়ে লুকিয়ে নিয়ে যাবে। যবাই করার সময় তাড়াতাড়ি যবাই করে ফেলবে। (আহমদ ও ইবনে মাজাহ)

এ বিষয়ে হযরত আওফ বিন শাদ্দাদ রাফি, রাসূল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইরশাদ নকল করেন, আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক জিনিসের সাথে সদয় ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। যদি তোমরা কাউকে হত্যা কর, তবে তা দ্রুত সম্পাদন করে ফেল আর যদি যবাই কর, তা হলে খুব তাড়াতাড়ি করে ফেল। ছুরিটা খুব ভালোভাবে ধার দিয়ে নাও এবং প্রাণীকে আরাম দাও। (মুসলিম)

• হযরত আবু হুরাইরা রাযি. ইরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ীকে একটি ছাই রংয়ের উটের উপর সাওয়ার করে মিনায় পাঠালেন। যেন তিনি তথায় গিয়ে অলিতে গলিতে ঘোষণা করে দেন যে, প্রাণীর যবাই হবে গলা এবং থুতনীর মধ্যবর্তী স্থানে আর তার প্রাণীর চামড়া ছাড়ানোর ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করবে না। মিনায় অবস্থান খাওয়া-দাওয়া এবং আনন্দফুর্তির জন্য। (দারা কুতনী)

এখানেও যবাইকে পবিত্র করার মাধ্যম বলা হয়েছে। যবাইকারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রাণী ঠাণ্ডা-নিস্তেজ না হওয়া পর্যন্ত যেন তার চামড়া ছাড়ানো না হয়। যাতে আরামের সাথে তার প্রাণ বেরিয়ে যায়।

যবাই করার অন্যান্য পদ্ধতির ব্যাপারে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, মুহাম্মদ বিন সফওয়ান বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন দুটি খরগোশ আমার হাতে ঝুলানো ছিল। জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এ দুটি পেয়েছি এবং এগুলি যবাই করার জন্য লোহার কোনো জিনিস হাতের কাছে পেলাম না, তখন একটি ধারলো সাদা পাথর দিয়ে এগুলিকে যবাই করে ফেললাম। এখন আমি কি এগুলি খেতে পারি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, খাও।

• কা'ব ইবনে মালিক রাযি. বর্ণনা করেন, আমার বকরিপাল সিলা পাহাড়ের উপর চরত। আমার বাঁদী হঠাৎ দেখল, একটি বকরি মরে যাচ্ছে। সে একটি পাথর ভেঙে তার দ্বারা যবাই করে ফেলল। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হল। তিনি তা খাওয়ার নির্দেশ দিলেন। (বুখারী)

• আদী ইবনে হাতেম রাযি. বর্ণনা করেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! বলুন, যদি আমরা কোনো শিকার পাই এবং আমাদের নিকট ছুরি না থাকে, তা হলে কি আমরা পাথর অথবা লাকড়ির টুকরো দিয়ে যবাই করে ফেলব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন, যেটা দিয়ে মনে চায় যবাই করে নিবে এবং আল্লাহ তা'আলার নাম উচ্চারণ করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00