📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হারাম বস্তুর আসল রূপ

📄 হারাম বস্তুর আসল রূপ


প্রকাশ থাকে যে, ইসলাম কেবল সে সমস্ত বস্তু নিষিদ্ধ করেছে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও কষ্টদায়ক। এ বিষয়ে কুরআন আইন প্রণয়ন করে দিয়েছে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একে আরও স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন। ফিকহের কিতাব "তুহফাতুল আওয়াম"-এর মধ্যে হারাম বস্তুগুলোর একটি সুন্দর তালিকা প্রদত্ত হয়েছে। এতে সামান্য মতানৈক্য থাকতে পারে। সেগুলো নিম্নরূপ:

(১) কুকুর (২) শূকর (৩) বিড়াল (৪) ইঁদুর (৫) গোসাপ (৬) জোঁক (৭) শাহীন (৮) কচ্ছপ (৯) সিংহ (১০) চিতা বাঘ (১১) নেকড়ে বাঘ (১২) গণ্ডার (১৩) হাতি (১৪) ভল্লুক (১৫) শিয়াল (১৬) বাজপাখী (১৭) হায়েনা (১৮) খেঁকশিয়াল (১৯) চিল (২০) বাজ (২১) বাঁদুড় (২২) সাপ (২৩) মাকড়সা (২৪) বিচ্ছুত (২৫) কাঁকড়া (২৬) মশা (২৭) মাছি।

দুর্গন্ধ ভক্ষণকারী যাবতীয় প্রাণী হারাম। তদ্রুপ যদি হালাল প্রাণীও দুর্গন্ধ বস্তু ভক্ষণ করে, ফল তাও হারাম। একে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যোপযোগী করা হয়, তাকে ইসতিবরা বলে। নিয়ম হল, ময়লা-আবর্জনা ভক্ষণকারী প্রাণীকে কিছু দিনের জন্য নিরাপদ সংরক্ষিত স্থানে রেখে পাক-পবিত্র খাদ্যদ্রব্য খাওয়াতে হবে। উক্ত সময়ের মধ্যে পূর্বে ভক্ষণ করা খাদ্য থেকে কোনো রোগজীবাণু প্রবেশ করে থাকলে, তার লক্ষণ প্রকাশ পাবে।

এটা একটি বিজ্ঞানসম্মত, আইনসিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য পন্থা। এ পন্থায় উটকে ৪০ দিন, গাভীকে ২০ দিন, ভেড়া-বকরিকে ১০ দিন এবং গৃহপালিত মুরগী ইত্যাদিকে তিন দিন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। এ নির্ধারিত সময়-সীমা প্রাণীটি সুস্থাবস্থায় অতিবাহিত করলে এর গোশত ভক্ষণ করা বৈধ। অন্যথায় একে যবাহ করে বিনাশ করে দিতে হবে। কেননা তা মানুষের ভক্ষণ অনুপযোগী。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00