📄 পরীক্ষিত ঔষধ
তালবীনা দুধ, বার্লির গুড়া ও মধু মিশিয়ে করা হয়, যা অত্যন্ত সুস্বাদু। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরিবারে যখন কেউ অসুস্থ হত, তখন তিনি তালবীনা তৈরি করার নির্দেশ দিতেন। বলতেন, এটা শরীরের দুর্বলতা ও দুশ্চিন্তা দূর করে। যেমন, পানি দ্বারা মুখ ধৌত করলে মুখের ময়লা দূর হয়।
অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রমাণিত যে, তালবীনা নিম্নলিখিত রোগের জন্য পরীক্ষিত ও অদ্বিতীয় ঔষধ:
(১) হৃৎপিণ্ডের কম্পন ও উচ্চ রক্তচাপ। (২) রক্তে চর্বি ও ঘনত্ব বৃদ্ধি। (৩) হৃৎপিণ্ডের ভাল্বের জটিলতা। (৪) পাকস্থলীর শুষ্কতা ও উষ্ণতা। (৫) পাকস্থলীর এসিড ক্ষরণ। (৬) দৃষ্টিশক্তির দুর্বলতা। (৭) ক্ষুধার কষ্ট। (৮) অসুস্থতার পর দুর্বলতা। (৯) সার্বক্ষণিক কোষ্ঠ-কাঠিন্য। (১০) গর্ভবতী মহিলার জন্য উপকারী। (১১) বাচ্চাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট টনিক। (১২) কুমন্ত্রণা ও মনের ভয়ভীতি দূর করার জন্য অদ্বিতীয়। (১৩) পেশাবজনিত রোগ-ব্যাধির বিশেষ জ্বালাপোড়ায় খুব উপকারী। (১৪) যকৃতের ইনফেকশন (পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া) ও এর অকৃতকার্যতায় ব্যবহার করলে খুব উপকার পাওয়া যায়। যাদের যকৃতের মধ্যে বারবার পাথর হয়, তারা সর্বদা ব্যবহার করলে ঘনঘন পাথর হওয়াকে রোধ করে। (১৫) কোনো কোনো রোগে পেশাবের রাস্তা দিয়ে পুঁজ ইত্যাদি আসলে সে অবস্থায়ও তালবীনা উপকারী ও পরীক্ষিত। (১৬) যারা মস্তিষ্কের পরিশ্রমজনিত কাজে জড়িত থাকে, তাদের জন্য এটি আশার আলো ও শান্তিদায়ক।