📄 আকীকের রহস্যজনক বৈশিষ্ট্য
আকীক পাথর ব্যবহার করলে রাগ-গোস্বা দূর হয়। শত্রুর মনে ভীতি সৃষ্টি হয় এবং তার যাবতীয় প্রয়োজন পূর্ণ হয়। বুকের মধ্যে কখনও ব্যথা হয় না। যে আকীক ব্যবহার করে বিষাক্ত পোকা-মাকড় তার কাছে আসতে পারে না, এটা হার্টকে (হৃৎপিণ্ডকে) শক্তিশালী করে। আকীক ব্যবহার করলে তা আলো থেকে উত্তাপ সঞ্চয় করে শরীরে সরবরাহ করে, ফলে ভাল ও ইতিবাচক ফল দেখা যায় এবং স্বাস্থ্যও অক্ষুণ্ণ থাকে।
এ আকীক পাথর ব্যবহার করলে খিট খিটে মেজাজ ও বিরক্তি দূর হয়। হৃৎপিণ্ডের কম্পন সচল রাখে এবং মনের অস্থিরতা ও চাঞ্চল্যতাকে দূর করে। আকীকের আরেকটি রহস্যজনক বৈশিষ্ট্য হল অন্তরের নেফাকী (কপটতা) দূর করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধের পরিবেশ সৃষ্টি করে।
মোটকথা, আকীক পাথর সকল নর-নারীর জন্য উপকারী ও কল্যাণকর। দার্শনিক প্লেটো বলেন, সাদা আকীক পরলে মানুষের মান-মর্যাদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। অদ্রূপ হলুদ আকীক ব্যবহার করলে তাড়াতাড়ি মনের আশা পূরণ হয়।
এ পাথর পরিধান করলে সফরেও বিপদাপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বলা হয়, যে ব্যক্তি কপূর, আম্বর ও আকীকের চূর্ণ মিশ্রিত করে মাথার উপর রেখে বিচারকের নিকট যাবে বিচারক তার প্রতি সদয় হবে。
📄 চিকিৎসা বিজ্ঞানে আকীকের বৈশিষ্ট্য
আকীক ব্যবহারে মেজাজ ঠাণ্ডা ও শুষ্ক থাকে। নিয়মানুযায়ী এর সুরমা ব্যবহার করলে চোখের রোগ-ব্যাধিতে উপকার হয়। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। তা মাজনের মতো দাঁতে ব্যবহার করলে পাইরিয়া (ক্ষয়) দূর হয়। দাঁত দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। দাঁত শক্ত, ঝকঝকে সাদা ও স্বচ্ছ হয়। তদ্রুপ মুখ ভরে রক্ত আসা, আঘাত পেলে রক্ত পড়া ইত্যাদিও বন্ধ হয়। এর কুশতা (উত্তেজক ঔষধ) হৃৎপিণ্ডের কম্পন রোধ করে। মস্তিষ্কের পক্ষাঘাতে এর ব্যবহার খুবই উপকারী হয়। পুরাতন জখমের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য আকীকের কুশতা মলমের মতো উপকার দেয়। মেয়েদের আভ্যন্তরীণ জটিল রোগ-ব্যাধিতেও এর উপকারিতা প্রমাণিত। ফুসফুস থেকে রক্ত আসা বন্ধ করে দেয়। মূত্রথলী ও পেশাবের নলের কার্যকারিতা সচল রাখে।