📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হাদীসে রাসূল

📄 হাদীসে রাসূল


• হযরত আনাস রাযি. হতে বর্ণিত। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আংটি ছিল রূপার। নগীন। (পাথর) ছিল হাবশার। (শামায়েল তিরমিযী)

• রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রূপার আংটি পরিধান করতেন। নগীনা রূপার ছিল। কখনো কখনো আকীক পাথরের নগীনাও পরতেন। কখনো ডান হাতে আবার কখনো বাম হাতে পরিধান করতেন। তবে অধিকাংশ সময় তা ডান হাতে পরতেন এবং নগীনা হাতের তালুর দিকে রাখতেন। (তানবীরুল আযহার)

• হাদীসে উল্লেখ আছে, রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আকীক পাথরের নগীনা ব্যবহার করেছেন। তবে নিঃসন্দেহে তিনি যাবতীয় সমস্যা ও বিপদাপদ দূর হবে এমন নিয়তে আদৌ নগীনা ব্যবহার করেন নি বরং হাদীস বিশেষজ্ঞদের মতে তিনি স্বাভাবিক সৌন্দর্য বিকাশের জন্য নগীনা ব্যবহার করেছেন। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সূর্যের রশ্মি পাথরের উপর পড়লে আরেক প্রকার রশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটায়। এ দ্বিতীয় রশ্মি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেননা দ্বিতীয় রশ্মি স্নায়ুবিক শৃঙ্খলায় খুব খারাপ প্রভাব ফেলে।

তবে তা ঠাণ্ডা হলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ব্যতিক্রম হলে শরীরের উপর সর্বদা ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। পাথর সর্ম্পকে সাধারণ লোকেরা যা বলে, তা গুজব ছাড়া কিছুই নয়। আধুনিক বিজ্ঞান এর উপকারিতা সর্ম্পকে অধিক অবগত। তবে উল্লেখ্য যে, এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও রোগের উপকারিতা পর্যন্ত এর কার্যকারিতা সীমাব্ধ। এ ছাড়া ভাগ্য পরিবর্তন, মামলায় জেতা, রাতারাতি কোটিপতি হওয়া ইত্যাদি ধ্যান-ধারণা, কাল্পনিক, মিথ্যা ও প্রতারণা বৈ আর কিছুই নয়। পণ্ডিৎ অমর নাথ তার বিশ্বাস অনুযায়ী আকীক সর্ম্পকে এরূপ কিছু মন্তব্য করেছেন, যে এগুলোকে ইসলামি আকীদা সম্মত (বৈধ) মনে করা যাবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আকীক পাথর

📄 আকীক পাথর


আকীক সুন্দর আকৃতি বিশিষ্ট বিখ্যাত একটি পাথরি মুক্তা। ইংরেজিতে একে এগেট (Agate) ও কাইলিন বলে। ফারসী ও আরবিতে আকীক বলে। ইয়ামানী ও সংস্কৃতে হলীক বলে। এটা লাল, সাদা দুধ, হলুদ ও ঈষৎ লাল রংয়ের চকচকে পাথর। বিশ্বজুড়ে সর্বোৎকৃষ্ট পাথর হিসেবে ইয়ামানী পাথর সর্বজন স্বীকৃত। এর রং কলিজার মতো হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রাপ্তিস্থান

📄 প্রাপ্তিস্থান


আকীক পাথর কংকরময় ভূমিতে পাওয়া যায়। সমুদ্রের তলদেশেও পাওয়া যায়। আকীক পাথর কংকরময় মরুভূমির সংযুক্ত মাটির এক পাতলা স্তরে খোঁজা হয়। সে জন্য তা অতি সহজে পৃথক করা যায়। এটা আকারে যবের দানার মতো হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আকীক পাথরের খনি পাওয়া যায়। তন্মধ্যে জার্মানী, আরব, ব্রাজিল, উরুগুয়ে, ইয়ামান, আমেরিকা, ভারতের গুজরাট, হায়দারাবাদ ও দাক্ষিণাত্য উল্লেখযোগ্য।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আকীকের পরিচয়

📄 আকীকের পরিচয়


আকীকের রং লাল সাদা, কাল, ঈষৎ লাল, হলুদ কাচের রংয়ের মতো প্রকার হয়। আকীক গোলাকারও হয়। এর রং রেখার মতো ছড়ানো ও বিক্ষিপ্ত হয়। আকীক ঘর্ষণ করলে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00