📄 শক্তি বৃদ্ধিতে মালিশের আশ্চর্য ক্ষমতা
জ্বালাপোড়া, আঘাত, আহত, মচকানো ইত্যাদির চিকিৎসা মালিশ দ্বারাই করা হয়। ইউনানী, আয়ুর্বেদিক এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাতে মালিশের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকার রোগে বিভিন্ন উপায়ে মালিশ করতে হয়। রক্ত, শিরা ইত্যাদির উপর মালিশের খুব প্রভাব পড়ে। দুর্বল শরীর ও অবশ অঙ্গ প্রত্যঙ্গে মালিশ করলে তৃপ্তি ও প্রশান্তি পাওয়া যায়। শরীরের যে অংশে সর্বদা তেল মালিশ করা হয়, সে স্থান সতেজ ও শক্তিশালী হয়। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক লোকই জানে, বিশেষ অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে মালিশ করলে তাতে রক্তপ্রবাহ গতিশীল এবং সতেজ হয়ে ওঠে। যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে মালিশ অত্যন্ত কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।
(১) রানের ভিতরের অংশ, (২) নাভীর পেছনের অংশ, (৩) মাথার পিছনের অংশ ও (৪) কানের উপরের পাশের অংশ। শরীরে এ চারটি অংশ বিশেষ অঙ্গের সাথে গভীর সম্পর্ক রাখে। এজন্য উক্ত চার অংশে খুব সতর্কতার সাথে উত্তমরূপে মালিশ করতে হবে। কারও কানের উপরে রগ কেটে দেওয়া হলে সে কাপুরুষ হয়ে যাবে। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, এ অংশের শিরার সম্পর্ক সরাসরি বিশেষ অঙ্গের সাথে। অতএব এ অংশে মালিশ করা শক্তি বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। তদ্রূপ কানের উপরের অংশে দিনে দু-চার বার আস্তে আস্তে মালিশ করা শক্তি লাভের জন্য উপকারী।