📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মালিশ ও বিশেষজ্ঞগণ

📄 মালিশ ও বিশেষজ্ঞগণ


"শরীর মালিশ করলে শক্তি বৃদ্ধি পায়"-এ একটি সর্বজন স্বীকৃত বিষয়। গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা এ বিষয়ে অবগত আছে। মুষ্ঠিযোদ্ধাদেরও শরীরে তেল মালিশ করা এবং ঘরের বয়োবৃদ্ধাদের বিশেষত কচি বাচ্চাদের শরীরে ঘি অথবা শুধু তেল মালিশ করা এ কথাই প্রমাণ করে যে, আজ সাধারণ মানুষও মালিশের উপকারিতা সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। শিশুর দুর্বল বুকের উপর মালিশ করলে বক্ষ দ্রুত শক্তিশালী হয়। দুর্বল বাচ্চাদের জন্য মালিশ একটি নিয়ামত। যেসব শিশুর বুক দুর্বল দৈনিক তাদের বুক মালিশ করতে হবে। পরিষ্কার হাতের তালু দিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করতে হবে। বুকের উপর বেশি চাপ দিবে না। দুর্বল বাচ্চাদের জন্য মাছের তেল বা যয়তুনের তেল বেশি উপকারী। মালিশ করলে রুক্ষতা দূর হয়। শরীর স্বাস্থ্যবান ও সুদর্শন হয়। মাথায় তেল মালিশ করলে চুল বৃদ্ধি পায়, চোখ ও মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি পায়। পা ও হাতের তালুতে মালিশ করলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। মালিশের জন্য গাভীর ঘি, বাদাম, যয়তুন ও সরিষার তৈল বিশেষ করে ঘানীর তেল অধিক উপকারী।

মালিশে ঠাণ্ডা, গরম, শ্লেষ্মা ইত্যাদির উপশম হয় এবং ক্লান্তি-শ্রান্তি ও অবসন্নতা দূর হয়। শরীর সুশ্রী ও শক্তিশালী হয়। মাথায় তেল মালিশ করলে মস্তিষ্ক ও চোখে সতেজতা আসে। সুনিদ্রা হয়। হাত ও তালুতে মালিশ করলে স্বপ্নদোষ হয় না।

সারা শরীরে মালিশ করা উচিত। বিশেষ করে মাথা, নাভী, হাত-পায়ের তালুতে মালিশ করা খুব উপকারী। নাক ও কানের মধ্যে তেল ঢেলে দেওয়া সীমাহীন উপকারী। অবশ্য জ্বর, কাশি, এলার্জি, বমি ইত্যাদি রোগীকে মালিশ করা নিষেধ। মনে রাখতে হবে, মালিশের পরপরই গোসল করা যাবে না। কমপক্ষে এক ঘণ্টা বিরতি দিতে হবে。

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডাক্তার পেকসারের মতবাদ

📄 ডাক্তার পেকসারের মতবাদ


ডাক্তার লেকসার মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগের দায়িত্বে আছেন। তিনি একবার বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কলেজের বার্ষিক অনুষ্ঠানের বক্তব্যে বলেছিলেন, “দুনিয়ায় কুশ্রী লোকদের জীবিত থাকার অধিকার নেই। যখনই সৃষ্টিগত ঘাটতি সৃষ্টি হয়, তখনই সে ঘাটতিকে পূর্ণ করা বিজ্ঞানের কাজ।” প্লাস্টিক সার্জারীর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ত্রুটি-বিচ্যুতি, ঘাটতি ইত্যাদি দূর করা যায়। আর মালিশ দ্বারা সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করা যায়। সুতরাং বলা যায়, সার্জারী হল মালিশের প্রকৃত বোন। ডাক্তার লেক্সার প্লাষ্টিক সার্জারীর মাধ্যমে অভিজাত রমণী, অভিনেত্রী ও কদাকার লোকদেরকে সুশ্রী ও সুদর্শন করে দিয়েছেন। তিনি মালিশ সম্পর্কে নিজের বিশাল অভিজ্ঞতা ও গবেষণা বর্ণনা করে বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদেরকে হতবাক করে দিয়েছেন。

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডা. স্যার ওলিয়াম এর অভিজ্ঞতা

📄 ডা. স্যার ওলিয়াম এর অভিজ্ঞতা


বিশ্ব মেডিকেল কনফারেন্সের সভাপতি অনানারেবল ডা. স্যার ওলিয়াম ওলসার তার বক্তব্যে মালিশ সম্পর্কে বলেন, "মালিশ বিজ্ঞান জগতের একটি পৃথক শাখা। এটা চিকিৎসা ও ব্যক্তির মূল নির্দেশনা মোতাবেক বাস্তবোপযোগী। অন্যান্য চিকিৎসার মতো এতে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা প্রতিবন্ধকতা নেই। সেজন্য এর ক্ষতির আশঙ্কা নেই। মালিশে অবশ্যই সুস্থ মানুষ সৌন্দর্য ও যৌবন লাভ করে আর অসুস্থ মানুষ লাভ করে সুস্থতা।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 শক্তি বৃদ্ধিতে মালিশের আশ্চর্য ক্ষমতা

📄 শক্তি বৃদ্ধিতে মালিশের আশ্চর্য ক্ষমতা


জ্বালাপোড়া, আঘাত, আহত, মচকানো ইত্যাদির চিকিৎসা মালিশ দ্বারাই করা হয়। ইউনানী, আয়ুর্বেদিক এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাতে মালিশের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকার রোগে বিভিন্ন উপায়ে মালিশ করতে হয়। রক্ত, শিরা ইত্যাদির উপর মালিশের খুব প্রভাব পড়ে। দুর্বল শরীর ও অবশ অঙ্গ প্রত্যঙ্গে মালিশ করলে তৃপ্তি ও প্রশান্তি পাওয়া যায়। শরীরের যে অংশে সর্বদা তেল মালিশ করা হয়, সে স্থান সতেজ ও শক্তিশালী হয়। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক লোকই জানে, বিশেষ অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে মালিশ করলে তাতে রক্তপ্রবাহ গতিশীল এবং সতেজ হয়ে ওঠে। যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে মালিশ অত্যন্ত কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

(১) রানের ভিতরের অংশ, (২) নাভীর পেছনের অংশ, (৩) মাথার পিছনের অংশ ও (৪) কানের উপরের পাশের অংশ। শরীরে এ চারটি অংশ বিশেষ অঙ্গের সাথে গভীর সম্পর্ক রাখে। এজন্য উক্ত চার অংশে খুব সতর্কতার সাথে উত্তমরূপে মালিশ করতে হবে। কারও কানের উপরে রগ কেটে দেওয়া হলে সে কাপুরুষ হয়ে যাবে। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, এ অংশের শিরার সম্পর্ক সরাসরি বিশেষ অঙ্গের সাথে। অতএব এ অংশে মালিশ করা শক্তি বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। তদ্রূপ কানের উপরের অংশে দিনে দু-চার বার আস্তে আস্তে মালিশ করা শক্তি লাভের জন্য উপকারী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00