📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জনৈক পাইলটের ঈমান

📄 জনৈক পাইলটের ঈমান


পাকিস্তানী বিমানের বোম্বাইর পাইলটের হৃদপিণ্ডে অধিকাংশ সময় ব্যথা অনুভূত হত। চিকিৎসকদের নিকট গেলে তারা তাকে বার বার অপারেশন করার পরামর্শ দেয়। কিন্তু সে-সময় দেশ জুড়ে বৃষ্টির মতো গোলাগুলি হচ্ছিল। ফলে সেই সংকটময় মুহূর্তে অপারেশন থেকে তিনি বিরত থাকেন। অবশেষে ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শত্রু বাহিনী পাকিস্তানের উপর আক্রমণ করে বসে। এদিকে বিমান বাহিনীর অফিসারগণ জানতেন, অমুক পাইলট হৃদপিণ্ডের ব্যথায় কাবু হয়ে আছে। সুতরাং এমন অনিশ্চিত পাইলটের সঙ্গে কোনো বিমান-সৈনিক যেতে প্রস্তুত ছিল না। তথাপি তার প্রবল আগ্রহ দেখে একজন নবীন সৈনিক প্রস্তুত হয় এবং ভারতীয় সেনা শিবিরকে লক্ষ্য করে বোম্বিং করতে চলে যায়। পাইলট তখন হৃদপিণ্ডের ব্যথা থেকে বাঁচার জন্য বিমান নিয়ে যাত্রাকালে এবং প্রত্যাবর্তনের সময় কুরআন মজীদের এ আয়াত পড়েন:
الله نُورُ السَّمَواتِ وَالْأَرْضِ - (النور: ৩৫)
ফলে ১৭ দিন ব্যাপী যুদ্ধের মধ্যে তার হৃদপিণ্ডে আর একবারও ব্যথা অনুভব হয় নি। এভাবে যখন ব্যথা সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হয়, তখন অপারেশন করে এবং চিকিৎসকরা পিত্তথলি থেকে ১৯টি পাথর বের করে দেন। মূলত ডাক্তারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল পিত্তথলিতে ১৯টি পাথর বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্পূর্ণরূপে অচল এবং অকেজো। তাকে দিয়ে শারীরিক যে কোনো কাজ করানো একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু আল্লাহর কালামের বরকতে উক্ত ব্যক্তি অন্যদের সাথে সক্রিয় ও তৎপর থাকে এবং সুস্থ অন্য সৈনিকদের মতো প্রতিপক্ষদের উপর আক্রমণের কাজে পুরোপুরি শরিক থাকে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দু‘আর প্রভাব

📄 দু‘আর প্রভাব


ডাক্তার নূর আহমাদ নূর সাহেব বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমার এক ছেলে খুব আহত হয়েছিল। মাথার অর্ধেক পিষে গিয়েছিল। মুরগীর মতো ছটফট করছিল সে। চিকিৎসকরা মস্তিষ্ক অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিলেন। তখন আমি একটু পরেই হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সদকা করলাম এবং দুই রাকাআত নামাজ পড়ে দু'আ করলাম। এসব করতে করতে আমার প্রায় আধ ঘণ্টা সময় লেগে গেল। তারপর হাসপাতালে ফিরে এসে দেখি, ছটফট করা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অপারেশনও স্থগিত করা হয়েছে। এভাবে আল্লাহপাক অপারেশন ব্যতীত আমার ছেলেকে সম্পূর্ণরূপে সুস্থ করে দিয়েছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বরকতময় আয়াতের প্রভাব

📄 বরকতময় আয়াতের প্রভাব


আমাদের এক প্রফেসরের বোন ছয় মাস ধরে জ্বরে ভুগছিল। গত ছয় মাসে দুনিয়ার যত রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা ছিল, সবই একে একে শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কোনোভাবেই তার জ্বর উপশম হচ্ছিল না। মহিলা আমার চিকিৎসালয় ওয়ার্ডে আসল। আমি তাকে বলে দিলাম, অমুক আয়াতে কারীমা পড়তে থাকুন! আল্লাহর হুকুম না হওয়া পর্যন্ত ঔষধে কোনো কাজ হবে না। রোগের উপরও প্রভাব পড়বে না। সুতরাং আল্লাহ অভিমুখী হয়ে তাঁর সুদৃষ্টি কামনা করাই আসল পন্থা। প্রথমে তো মহিলা আয়াত পড়তে অনাগ্রহী ছিলেন; কিন্তু যখন জ্বর কমতে শুরু করে, তখন রাত-দিন সর্বদা
لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ‎ (লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনায যোয়ালিনীন) আয়াতে কারীমাটি পড়তে থাকেন। মাত্র ৭ দিনের মধ্যে আল্লাহ তাঁর কালামের বরকতে মহিলাকে আরোগ্য দান করেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জনৈক প্রফেসরের আরোগ্য লাভ

📄 জনৈক প্রফেসরের আরোগ্য লাভ


আমাদের এক সহযোগী অধ্যাপক মারাত্মক পাণ্ডুরোগে আক্রান্ত হয়ে আমার চিকিৎসাধীনে আসেন। হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড তাকে আর কোনো চিকিৎসার উপায় নেই বলে রিলিজ করে দিয়েছিল। কেউ তাঁর নিকট এ সংবাদ পৌঁছালে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কান্নাকাটি শুরু করে দেন।

আসরের নামাযের পর ওয়ার্ডের এক নার্স এসে আমাকে বলল, নিরুপায় হয়ে তিনি এখন কান্নাকাটি করছেন। ফলে আমি তার নিকট উপস্থিত হলাম। কেননা তিনি কুরআনে হাফেয ছিলেন। তাঁকে সূরা ইয়াসীন এবং বিভিন্ন আয়াতে কারীমার ফযীলত ও গুনাগুণ শুনিয়ে বললাম- আল্লাহর উপর আমার বিশ্বাস আছে। আপনি এ কালামে পাক একীনের সাথে পড়লে আপনার শেফা হবে।

প্রফেসর সাহেব আমার কথা স্বীকার করলেন এবং রাতদিন সর্বদা সূরা ইয়াসীন ও সেসব আয়াতে কারীমার অযীফা পড়তে থাকেন। আল্লাহর কি কুদরত! দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনি পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন। অথচ এ জাতীয় পাণ্ডুরোগের চিকিৎসা দুনিয়ার কোথাও নেই।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00