📄 চোখ থেকে অশ্রু নির্গমন
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
📄 গোফ ছাটা
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)