📄 হাদীসে রাসূল
• হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. হতে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি সুরমাদানী ছিল। তা থেকে তিনি প্রতি রাতে তিন শলাকা করে সুরমা উভয় চোখে ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)
সুরমা ব্যবহার করা যদিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তথাপি পার্থিব দিক দিয়ে এর মধ্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে।
(১) সুরমা শক্তিশালী জীবাণুনাশক।
(২) আধুনিক গবেষণা মতে চোখে সুরমা ব্যবহার করলে সূর্যের প্রখর কিরণ চোখের রেটিনার ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে এর ব্যতিক্রম করলে (সুরমা গ্রহণ না করলে) আল্ট্রাভাইওলেট রশ্মি চোখের রেটিনার যথেষ্ট ক্ষতি করে।
(৩) সুরমা দিলে চোখের উপর বিন্দুমাত্র লেড ইনফেকশন হয় না।
(৪) চক্ষুরোগীর জন্য সুরমা অত্যাধিক উপকারী। যে ব্যক্তি সর্বদা সুরমা ব্যবহার করে, তার চোখে জ্বালাপোড়া রোগ কম হয়।
(৫) চক্ষু বিশেষজ্ঞগণের মতে সুরমা চোখকে এমন রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে, যার চিকিৎসা আধুনিক বিজ্ঞানে অসম্ভব।
(৬) চোখের জখম, আঁচড়, জ্বালাপোড়া ইত্যাদির জন্য সুরমা অত্যন্ত উপকারী। এটা সর্বপ্রকার ছোঁয়াছে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়।
• হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. হতে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি সুরমাদানী ছিল। তা থেকে তিনি প্রতি রাতে তিন শলাকা করে সুরমা উভয় চোখে ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)
সুরমা ব্যবহার করা যদিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তথাপি পার্থিব দিক দিয়ে এর মধ্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে।
(১) সুরমা শক্তিশালী জীবাণুনাশক।
(২) আধুনিক গবেষণা মতে চোখে সুরমা ব্যবহার করলে সূর্যের প্রখর কিরণ চোখের রেটিনার ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে এর ব্যতিক্রম করলে (সুরমা গ্রহণ না করলে) আল্ট্রাভাইওলেট রশ্মি চোখের রেটিনার যথেষ্ট ক্ষতি করে।
(৩) সুরমা দিলে চোখের উপর বিন্দুমাত্র লেড ইনফেকশন হয় না।
(৪) চক্ষুরোগীর জন্য সুরমা অত্যাধিক উপকারী। যে ব্যক্তি সর্বদা সুরমা ব্যবহার করে, তার চোখে জ্বালাপোড়া রোগ কম হয়।
(৫) চক্ষু বিশেষজ্ঞগণের মতে সুরমা চোখকে এমন রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে, যার চিকিৎসা আধুনিক বিজ্ঞানে অসম্ভব।
(৬) চোখের জখম, আঁচড়, জ্বালাপোড়া ইত্যাদির জন্য সুরমা অত্যন্ত উপকারী। এটা সর্বপ্রকার ছোঁয়াছে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়।
• হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. হতে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি সুরমাদানী ছিল। তা থেকে তিনি প্রতি রাতে তিন শলাকা করে সুরমা উভয় চোখে ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)
সুরমা ব্যবহার করা যদিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তথাপি পার্থিব দিক দিয়ে এর মধ্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে।
(১) সুরমা শক্তিশালী জীবাণুনাশক।
(২) আধুনিক গবেষণা মতে চোখে সুরমা ব্যবহার করলে সূর্যের প্রখর কিরণ চোখের রেটিনার ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে এর ব্যতিক্রম করলে (সুরমা গ্রহণ না করলে) আল্ট্রাভাইওলেট রশ্মি চোখের রেটিনার যথেষ্ট ক্ষতি করে।
(৩) সুরমা দিলে চোখের উপর বিন্দুমাত্র লেড ইনফেকশন হয় না।
(৪) চক্ষুরোগীর জন্য সুরমা অত্যাধিক উপকারী। যে ব্যক্তি সর্বদা সুরমা ব্যবহার করে, তার চোখে জ্বালাপোড়া রোগ কম হয়।
(৫) চক্ষু বিশেষজ্ঞগণের মতে সুরমা চোখকে এমন রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে, যার চিকিৎসা আধুনিক বিজ্ঞানে অসম্ভব।
(৬) চোখের জখম, আঁচড়, জ্বালাপোড়া ইত্যাদির জন্য সুরমা অত্যন্ত উপকারী। এটা সর্বপ্রকার ছোঁয়াছে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়।
• হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. হতে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি সুরমাদানী ছিল। তা থেকে তিনি প্রতি রাতে তিন শলাকা করে সুরমা উভয় চোখে ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)
সুরমা ব্যবহার করা যদিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তথাপি পার্থিব দিক দিয়ে এর মধ্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে।
(১) সুরমা শক্তিশালী জীবাণুনাশক।
(২) আধুনিক গবেষণা মতে চোখে সুরমা ব্যবহার করলে সূর্যের প্রখর কিরণ চোখের রেটিনার ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে এর ব্যতিক্রম করলে (সুরমা গ্রহণ না করলে) আল্ট্রাভাইওলেট রশ্মি চোখের রেটিনার যথেষ্ট ক্ষতি করে।
(৩) সুরমা দিলে চোখের উপর বিন্দুমাত্র লেড ইনফেকশন হয় না।
(৪) চক্ষুরোগীর জন্য সুরমা অত্যাধিক উপকারী। যে ব্যক্তি সর্বদা সুরমা ব্যবহার করে, তার চোখে জ্বালাপোড়া রোগ কম হয়।
(৫) চক্ষু বিশেষজ্ঞগণের মতে সুরমা চোখকে এমন রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে, যার চিকিৎসা আধুনিক বিজ্ঞানে অসম্ভব।
(৬) চোখের জখম, আঁচড়, জ্বালাপোড়া ইত্যাদির জন্য সুরমা অত্যন্ত উপকারী। এটা সর্বপ্রকার ছোঁয়াছে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়।
📄 দৃষ্টিশক্তি রক্ষা
চোখের দৃষ্টিকে সতেজ ও সুন্দর রাখার জন্য অজু করার সময় চোখের পাতা খুলে চেহারার উপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া উচিত। এটা চোখ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার এবং চোখের রোগব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য অত্যন্ত সহজ ও সুব্যবস্থা। এছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও একটি অত্যন্ত উপকারী ও ফলপ্রসূ কাজের কথা বলেছেন। তা হল, শয়নকালে সুরমা ব্যবহার করো। (তিরমিযী)
তিনি আরও বলেন, আসমুদ নামক সুরমা ব্যবহার করো। কেননা এর দ্বারা চোখের পশম গজায় এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত অভ্যাস ছিল। যার ফলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টিশক্তি বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নি। অনেক বয়স্ক লোককে দেখেছি, তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকনির্দেশনার উপর বাস্তবে আমল করে নিজের দৃষ্টিশক্তিকে অটুট রেখেছেন। ৭০/৮০ বা ততধিক বয়সের বৃদ্ধও কেরোসিন তেলের বাতির আলোতে রাতে লেখাপড়া করেন। এমনকি এর চেয়ে সূক্ষ্ম কাজ সেলাই ইত্যাদিও করে।
রাতে সুরমা ব্যবহার করলে সারাদিন যে সমস্ত ধুলাবালি চোখে প্রবেশ করে তা সুরমার সাথে মিশ্রিত হয়ে চোখের কিনারা দিয়ে বের হয়ে যায়। আবার সকালে চোখ ধৌত করলে চেহারার উপর সুরমার কোন কালো দাগও থাকে না। লেখাপড়া বা এর চেয়ে সূক্ষ্ম ও কঠিন কাজে যারা, রত আছে, তাদের জন্য সুরমা ব্যবহার করা অতি জরুরি। নিয়মিত সুরমা ব্যবহার করলে চোখের দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা ও রোগ-ব্যাধি দূর হয়ে যায়। হামানদিস্তায় উত্তমরূপে চূর্ণ করা সাধারণ সুরমা অত্যাধিক উপকারী।
বর্তমান ইউরোপীয় সভ্যতায় সুরমা ব্যবহারের প্রচলন কম। আল্লাহ তা'আলা কুদরতীভাবে যে দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন, তা হ্রাস পেলে নব আবিষ্কৃত বস্তুর মাধ্যমে যেমন চশমা, কাঁচ ইত্যাদি ব্যবহার করে ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করা হয়। অথচ সহজে, স্বল্প খরচে, কল্যাণকর উপায় অবলম্বন করা হয় না। জাতিসংঘের (U.N.O) অধীনস্থ ইউনেস্কোর একটি প্রতিবেদন ও পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গোটা বিশ্বে আশি লক্ষ অন্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে ৮০ ভাগ এশিয়া ও আফ্রিকায়। এমনকি এ দুই মহাদেশে দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণের ব্যাপারে উদাসীনতা ও অনাগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চোখের দৃষ্টিকে সতেজ ও সুন্দর রাখার জন্য অজু করার সময় চোখের পাতা খুলে চেহারার উপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া উচিত। এটা চোখ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার এবং চোখের রোগব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য অত্যন্ত সহজ ও সুব্যবস্থা। এছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও একটি অত্যন্ত উপকারী ও ফলপ্রসূ কাজের কথা বলেছেন। তা হল, শয়নকালে সুরমা ব্যবহার করো। (তিরমিযী)
তিনি আরও বলেন, আসমুদ নামক সুরমা ব্যবহার করো। কেননা এর দ্বারা চোখের পশম গজায় এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত অভ্যাস ছিল। যার ফলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টিশক্তি বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নি। অনেক বয়স্ক লোককে দেখেছি, তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকনির্দেশনার উপর বাস্তবে আমল করে নিজের দৃষ্টিশক্তিকে অটুট রেখেছেন। ৭০/৮০ বা ততধিক বয়সের বৃদ্ধও কেরোসিন তেলের বাতির আলোতে রাতে লেখাপড়া করেন। এমনকি এর চেয়ে সূক্ষ্ম কাজ সেলাই ইত্যাদিও করে।
রাতে সুরমা ব্যবহার করলে সারাদিন যে সমস্ত ধুলাবালি চোখে প্রবেশ করে তা সুরমার সাথে মিশ্রিত হয়ে চোখের কিনারা দিয়ে বের হয়ে যায়। আবার সকালে চোখ ধৌত করলে চেহারার উপর সুরমার কোন কালো দাগও থাকে না। লেখাপড়া বা এর চেয়ে সূক্ষ্ম ও কঠিন কাজে যারা, রত আছে, তাদের জন্য সুরমা ব্যবহার করা অতি জরুরি। নিয়মিত সুরমা ব্যবহার করলে চোখের দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা ও রোগ-ব্যাধি দূর হয়ে যায়। হামানদিস্তায় উত্তমরূপে চূর্ণ করা সাধারণ সুরমা অত্যাধিক উপকারী।
বর্তমান ইউরোপীয় সভ্যতায় সুরমা ব্যবহারের প্রচলন কম। আল্লাহ তা'আলা কুদরতীভাবে যে দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন, তা হ্রাস পেলে নব আবিষ্কৃত বস্তুর মাধ্যমে যেমন চশমা, কাঁচ ইত্যাদি ব্যবহার করে ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করা হয়। অথচ সহজে, স্বল্প খরচে, কল্যাণকর উপায় অবলম্বন করা হয় না। জাতিসংঘের (U.N.O) অধীনস্থ ইউনেস্কোর একটি প্রতিবেদন ও পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গোটা বিশ্বে আশি লক্ষ অন্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে ৮০ ভাগ এশিয়া ও আফ্রিকায়। এমনকি এ দুই মহাদেশে দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণের ব্যাপারে উদাসীনতা ও অনাগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চোখের দৃষ্টিকে সতেজ ও সুন্দর রাখার জন্য অজু করার সময় চোখের পাতা খুলে চেহারার উপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া উচিত। এটা চোখ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার এবং চোখের রোগব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য অত্যন্ত সহজ ও সুব্যবস্থা। এছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও একটি অত্যন্ত উপকারী ও ফলপ্রসূ কাজের কথা বলেছেন। তা হল, শয়নকালে সুরমা ব্যবহার করো। (তিরমিযী)
তিনি আরও বলেন, আসমুদ নামক সুরমা ব্যবহার করো। কেননা এর দ্বারা চোখের পশম গজায় এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত অভ্যাস ছিল। যার ফলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টিশক্তি বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নি। অনেক বয়স্ক লোককে দেখেছি, তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকনির্দেশনার উপর বাস্তবে আমল করে নিজের দৃষ্টিশক্তিকে অটুট রেখেছেন। ৭০/৮০ বা ততধিক বয়সের বৃদ্ধও কেরোসিন তেলের বাতির আলোতে রাতে লেখাপড়া করেন। এমনকি এর চেয়ে সূক্ষ্ম কাজ সেলাই ইত্যাদিও করে।
রাতে সুরমা ব্যবহার করলে সারাদিন যে সমস্ত ধুলাবালি চোখে প্রবেশ করে তা সুরমার সাথে মিশ্রিত হয়ে চোখের কিনারা দিয়ে বের হয়ে যায়। আবার সকালে চোখ ধৌত করলে চেহারার উপর সুরমার কোন কালো দাগও থাকে না। লেখাপড়া বা এর চেয়ে সূক্ষ্ম ও কঠিন কাজে যারা, রত আছে, তাদের জন্য সুরমা ব্যবহার করা অতি জরুরি। নিয়মিত সুরমা ব্যবহার করলে চোখের দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা ও রোগ-ব্যাধি দূর হয়ে যায়। হামানদিস্তায় উত্তমরূপে চূর্ণ করা সাধারণ সুরমা অত্যাধিক উপকারী।
বর্তমান ইউরোপীয় সভ্যতায় সুরমা ব্যবহারের প্রচলন কম। আল্লাহ তা'আলা কুদরতীভাবে যে দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন, তা হ্রাস পেলে নব আবিষ্কৃত বস্তুর মাধ্যমে যেমন চশমা, কাঁচ ইত্যাদি ব্যবহার করে ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করা হয়। অথচ সহজে, স্বল্প খরচে, কল্যাণকর উপায় অবলম্বন করা হয় না। জাতিসংঘের (U.N.O) অধীনস্থ ইউনেস্কোর একটি প্রতিবেদন ও পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গোটা বিশ্বে আশি লক্ষ অন্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে ৮০ ভাগ এশিয়া ও আফ্রিকায়। এমনকি এ দুই মহাদেশে দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণের ব্যাপারে উদাসীনতা ও অনাগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চোখের দৃষ্টিকে সতেজ ও সুন্দর রাখার জন্য অজু করার সময় চোখের পাতা খুলে চেহারার উপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া উচিত। এটা চোখ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার এবং চোখের রোগব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য অত্যন্ত সহজ ও সুব্যবস্থা। এছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও একটি অত্যন্ত উপকারী ও ফলপ্রসূ কাজের কথা বলেছেন। তা হল, শয়নকালে সুরমা ব্যবহার করো। (তিরমিযী)
তিনি আরও বলেন, আসমুদ নামক সুরমা ব্যবহার করো। কেননা এর দ্বারা চোখের পশম গজায় এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত অভ্যাস ছিল। যার ফলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টিশক্তি বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নি। অনেক বয়স্ক লোককে দেখেছি, তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকনির্দেশনার উপর বাস্তবে আমল করে নিজের দৃষ্টিশক্তিকে অটুট রেখেছেন। ৭০/৮০ বা ততধিক বয়সের বৃদ্ধও কেরোসিন তেলের বাতির আলোতে রাতে লেখাপড়া করেন। এমনকি এর চেয়ে সূক্ষ্ম কাজ সেলাই ইত্যাদিও করে।
রাতে সুরমা ব্যবহার করলে সারাদিন যে সমস্ত ধুলাবালি চোখে প্রবেশ করে তা সুরমার সাথে মিশ্রিত হয়ে চোখের কিনারা দিয়ে বের হয়ে যায়। আবার সকালে চোখ ধৌত করলে চেহারার উপর সুরমার কোন কালো দাগও থাকে না। লেখাপড়া বা এর চেয়ে সূক্ষ্ম ও কঠিন কাজে যারা, রত আছে, তাদের জন্য সুরমা ব্যবহার করা অতি জরুরি। নিয়মিত সুরমা ব্যবহার করলে চোখের দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা ও রোগ-ব্যাধি দূর হয়ে যায়। হামানদিস্তায় উত্তমরূপে চূর্ণ করা সাধারণ সুরমা অত্যাধিক উপকারী।
বর্তমান ইউরোপীয় সভ্যতায় সুরমা ব্যবহারের প্রচলন কম। আল্লাহ তা'আলা কুদরতীভাবে যে দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন, তা হ্রাস পেলে নব আবিষ্কৃত বস্তুর মাধ্যমে যেমন চশমা, কাঁচ ইত্যাদি ব্যবহার করে ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করা হয়। অথচ সহজে, স্বল্প খরচে, কল্যাণকর উপায় অবলম্বন করা হয় না। জাতিসংঘের (U.N.O) অধীনস্থ ইউনেস্কোর একটি প্রতিবেদন ও পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গোটা বিশ্বে আশি লক্ষ অন্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে ৮০ ভাগ এশিয়া ও আফ্রিকায়। এমনকি এ দুই মহাদেশে দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণের ব্যাপারে উদাসীনতা ও অনাগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
📄 চোখ থেকে অশ্রু নির্গমন
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
অশ্রু নির্গমন স্বাস্থ্যসম্মত না রোগ? বর্তমানে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা মতে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার মধ্যে উপকারিতাও আছে এবং অপকারিতাও আছে। যদি আকর্ষণ, আবেগ, জিদ বা রাগ-অভিমান, প্রতিশোধ এবং পাগলামী বশত অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। পক্ষান্তরে যদি ভালবাসা, মহব্বত, সহযোগিতা, সহমর্মিতায় অশ্রু নির্গত হয়, তবে তা উপকারী।
সার্জারী বিশেষজ্ঞ একজন বড় প্রফেসর চোখের সার্জারী করার পর এ ফলাফল পেয়েছেন যে, চোখের উপর আবেগ ও উদ্দীপনার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। অশ্রু যদি আবেগ, প্রেম ভালবাসা, সহমর্মিতার কারণে প্রবাহিত হয়, তবে তা নারী-পুরুষের মুখের স্পট, গর্ত, দাগ, চিহ্ন, ক্ষত, এলার্জি ইত্যাদি দূর করে। পক্ষান্তরে উক্ত অশ্রু যদি ঘৃণা, প্রতিশোধ, টেনশনে প্রবাহিত হয়, তবে তা মস্তিষ্ক ও অস্থিতে ব্যাধি সৃষ্টি করে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের চোখে দূরারোগ্য রোগ দেখা যায়, তারা খুব আবেগপ্রবণ ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়।
📄 গোফ ছাটা
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোঁফ ছোট (খাট) কর; দাড়ি লম্বা করো। (আল-হাদীস)
ইদানিং লোকদের মুখে গোঁফ অনেক বড় দেখা যায়। কিন্তু দাড়ির কোনো চিহ্নও পাওয়া যায় না। বাস্তবে এতে কি কি ক্ষতি হয় এবং কোনো কোনো রোগের সম্মুখীন হতে হয়, তা আমাদের জানা নেই। তাই এ বিষয়ে নিম্নে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল।
কিউল ফাদার একজন পর্তুগীজ বিজ্ঞানী। তাঁর প্রদত্ত তথ্যানুসারে “মানুষের ঠোঁট খুব অনুভূতিপ্রবণ অঙ্গ। তার সঙ্গে মস্তিষ্কের সম্পর্ক গভীর। এ অনুভূতি নারী-পুরুষের পৃথক সম্পর্কের মধ্যে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। উপরের ঠোঁটের মধ্যে এমন হরমোন সৃষ্টি হয়, যার জন্য বাহ্যিক প্রভাব ও পানি অতি জরুরি। গোঁফ বড় থাকলে এসব প্রভাব পড়তে পারে না। অপরপক্ষে গোঁফ না থাকলে উপরের ঠোঁটে পানি লাগতে পারে এবং বাহ্যিক বায়বীয় প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে তা স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়। আর ঘন ও লম্বা গোঁফ থাকলে পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রবেশ করতে পারে না। সুতরাং গোঁফ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
যদি উক্ত গ্লাণ্ডসমূহে পানি, বায়ু ইত্যাদি স্পর্শ না করে, তবে সর্বদা সর্দি কাশি, দাঁতের মাড়ী ফোলা, অস্থি খিঁচুনী ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিকন্তু গোঁফ বড় হলে তাতে রোগজীবাণু আটকে যায় এবং খাওয়ার সময় তা পেটের মধ্যে চলে যায়। নিচের ঠোঁটের অবস্থা উপরের ঠোঁটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য ইসলাম গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার হুকুম দিয়েছে। (হাইজিন এণ্ড হিউম্যান)