📄 বাচ্চাদের ঘা অথবা চোট
ক্যানভাস জুতা ব্যবহারকারী বাচ্চাদের এ রোগ প্রায়ই দেখা যায়। এর কারণ হল, এ আঠাল সোল এবং রাবার সোলের উপরের অংশের সঙ্কীর্ণতার ভিতর যখন বাচ্চাদের পা সামনের দিকে পিছলে যায়, তখন সারাদিনে কয়েক হাজার বার অগ্রভাগের সঙ্গে পায়ের ধাক্কা লাগে। চামড়ার জুতায় এ অসুবিধা অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায়। কেননা চামড়ার তলা মাটির সাথে আটকে যায় না বরং সামনে দিকে পিছলে যায়।
📄 সোল নরম হওয়া
সাধারণত এ মনে করা হয়, ক্যানভাস সু এর নিচের সোল যথেষ্ট নরম হয়ে থাকে। কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ, ছোট বাচ্চাদের ক্যানভাস সু-এর সোল সাধরণত ১" ২" ইঞ্চি মোটা রাবারের হয়ে থাকে। বাচ্চাদের এ পরিমাণ ওজন হয় না যে, চলার সময় তারা সে সোল মুড়তে পাবে। অথবা পা নরম করতে পারে বরং তারা পা নরম করার পরিবর্তে খুব দৃঢ়তার সাথে আগে বাড়ায় আর এভাবে হাঁটলে সোল মুড়তে পারে না।
📄 উঁচু হিল জুতা
মেয়েদের উঁচু হিল জুতা পরার খুব শখ বা আগ্রহ থাকে। কিন্তু তারা জানে না যে, এতে তাদের পা, পায়ের গিরা, গোড়ালী এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কত ক্ষতি হয়। ইদানীং ফ্যাশনের বশবর্তী হয়ে মেয়েরা উঁচু হিলের জুতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। মূলত এরূপ জুতা-স্যাণ্ডেল পরিধান করলে পা ও গোড়ালীর রগগুলো ফুলে যায়। দীর্ঘদিন এরূপ জুতা পরলে হাড়ের মধ্যে ব্যথা শুরু হয়। দুর্বলতা জন্মে। আবার সংকীর্ণ পরলে পা ও গোড়ালীর কিছু অংশে রক্তচলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হয়। ফলে পা ও পায়ের গোড়ালীতে এবং কখনো কখনো কোমরে ব্যথা হয়। ফলে শরীর ফুলে উঠে, রগে ব্যথা হয়ে মোটা হয়ে যায় অর্থাৎ গোঁড়ালী বা পায়ের রগের মধ্যে রক্ত জমে গোশত পিণ্ডাকৃতি হয়ে যায়। মহিলারা যদি (বিপজ্জনক) এ জাতীয় জুতা পরা ত্যাগ করত, তবে অতি দ্রুত এমন কষ্টকর বিপজ্জনক অবস্থা হ্রাস পেত। উঁচু হিল জুতার গঠনই এমন যে, তাতে পা স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে না; চলাফেরার সময় বিশেষভাবে কষ্ট পেতে হয়।