📄 বদ আমল কি মানুষকে বিষাক্ত বানিয়ে দেয়?
কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী বদ-আমলের কারণে কি মানুষ জানোয়ার থেকেও অধম হয়ে যায়? সুদখোরী কি তাকে এত নিকৃষ্ট বানিয়ে দিয়েছে যে, তার নামও বিষাক্ত হয়ে গিয়েছে?
বলুন! এ উদাহরণটি কি এরূপ নয় যে, বিষই বিষকে খতম করতে পারে? আপনি কি জানেন, ক্যান্সার, ক্ষতরোগ এবং গলগণ্ড রোগের জখমের জন্য বিষাক্ত ঔষধ বা মলম ব্যবহার করলে এ সমস্ত রোগ খতম হয়ে যায়? সুতরাং আপনি এ তাবীজ থেকে সুফল কিভাবে পেলেন?
📄 পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের গবেষণা
পশ্চিমা ধর্মগুরু মনে করেন, মানুষের শরীর থেকে বিভিন্ন রংয়ের কিরণ বিচ্ছুরিত হয়। যা শরীরের আশপাশে একটি পরিমণ্ডল সৃষ্টি করে। এ কিরণ প্রতিটি মানুষই বিচ্ছুরণ করে। চাই সে ভালো লোক হোক অথবা খারাপ লোকই হোক। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, কিরণের রং কর্ম অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের হয়। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে এ বিচ্ছুরণ নীল বর্ণ থেকে কালো বর্ণ ধারণ করে।
আরেকটি মতবাদ আছে, প্রতিটি মানুষ তার চারপাশে নিজের আমল অনুযায়ী একটি পরিবেশ (Atmosphere) তৈরি করে নেয়। বদআমলকারীর পরিবেশ দেয়ালের মতো শক্ত হয়। যার ফলে কোনো ফরিয়াদ অথবা দু'আ বাইরে যেতে পারে না এবং কসমিক ওয়ার্ল্ডের উত্তম প্রভাব ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না। এরূপ লোকেরা অদৃশ্য শক্তির সাহায্য থেকে মাহরুম থাকে। আর মনে হয় কুরআনুল কারীমের শব্দ পর্দা, দেয়াল এবং 'গেলাফ' দ্বারা উদ্দেশ্য এ পরিবেশই।
ডাক্তার ক্রিংটন মনে করেন, Aura is an invisitble magnatic radiation from the human body which either attracts or ripels.
অর্থাৎ 'ওরা' এমন একটি অদৃশ্য ম্যাগনেটিক আলো, যা মানুষের শরীর থেকে বিচ্ছুরিত হয়। এটা হয়তো অন্যকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করে অথবা দূরে ঠেলে দেয়।
এ জাতীয় রশ্মিকে অস্বীকার করা যায় না। কারণ, কাউকে আকর্ষণ করা আর কারও কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া আমাদের দৈনন্দিনের অভিজ্ঞতা। এ আলোক রশ্মি মাটির শরীর এবং সূক্ষ্ম শরীর উভয় থেকেই বের হয়। ভালো লোকেরা সূক্ষ্ম শরীরের কিরণ দ্বারা দুনিয়াকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করে এবং দুনিয়া সুধারণা, ঈমান এবং শৃঙ্খলার হাদিয়া নিয়ে তার নিকট আগমন করে। অপরদিকে খারাপ লোকের রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অধঃপতনের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে। এর বেশি কিছু নয়।
📄 দু‘আ ও ইবাদতের দর্শন
দু'আ ও ইবাদতের হাকীকত বুঝতে হলে প্রথমে দুটি জিনিসের ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন।
(১) আত্মা বিশেষজ্ঞগণের মতে প্রতিটি অক্ষরের একটি বিশেষ রং এবং শক্তি থাকে। অদৃশ্য দর্শনকারীগণ (Clairvoyants) অক্ষরগুলি লিখে তৃতীয় চক্ষু দ্বারা দেখেছেন, তখন তারা 'আলিফ' এর রং লাল 'বা' এর রং নীল, 'ওয়াও' এর রং সবুজ এবং সীন এর রং হলুদ দেখতে পেয়েছেন। এরপর যখন এগুলির প্রভাব সম্পর্কে জরিপ করলেন, তখন দেখলেন, কোন্ শব্দ পড়লে রোগ ভালো হয়। কোনটি দ্বারা বৃশ্চিকদংশনের ব্যথা দূর হয় এবং কোন্টি দিয়ে সাপও ধরে আনা যায়। আম্বিয়া-আওলিয়াদের রূহানী শক্তি খুব বেশি হয়। তাদের শব্দসমূহে আশ্চর্যজনক শক্তি পাওয়া যায় এবং এরূপ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন শক্তি পাওয়া যায়, যার দ্বারা একজন হৃদয়বান ব্যক্তি মারাত্মক ব্যাধিও দূর করে দিতে পারে। আকাশে আল্লাহ তা'আলার পর সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হযরত জিব্রাইল আ.। আর তাঁরই মাধ্যমে কালামে এলাহী দুনিয়াতে আগমন করে। একারণেই অহী প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতিটি শব্দে শক্তির একটি ভাণ্ডার নিহিত থাকে। অন্য কথায় এলহামী শব্দসমূহ সর্বোচ্চ শক্তির আধার বা Highly Energised।
📄 তাবীজের শক্তির রহস্য
A talisman or an amult strongly Charged with magnatism for a particular purpose by some one who possesses strong magnetic power may be of invaluable help.
অর্থাৎ কোন তাবীজ বা টোটকায় কোনো ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগনেট ব্যক্তিত্ব কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ম্যাগনেট শক্তি ভরে দিলে, তা যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।