📄 হাদীসে রাসূল
• নবীজী বলেছেন- "হে লোকসকল! তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন নিজেদের এবং নিজেদের পিতার নামে ডাকা হবে। সুতরাং তোমরা নিজেদের নাম ভালো দেখে রাখ।" (আবু দাউদ)
• যে নামে আল্লাহর দাসত্ব এবং আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়, ওই নাম আল্লাহ তা'আলার নিকট খুবই প্রিয়। (বুখারী)
• হযরত আবু ওহাই (রাযি.) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা নবীদের নামে নাম রাখো। আল্লাহ তা'আলার নিকট সব চেয়ে প্রিয় নাম আব্দুল্লাহ এবং আব্দুর রহমান এবং সবচেয়ে সত্যবাদী নাম হারেস ও হাম্মাম। (আবু দাউদ, নাসায়ী)
📄 নাম এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য
আধুনিক বিজ্ঞান ভালো নামকে পছন্দ করে। তাদের এ পছন্দ মূলত নামের শব্দ এবং তার প্রভাবসমূহের কারণেই।
প্যারাসাইকোলোজির অভিজ্ঞ প্রফেসর প্যারিল মাস্টার তার সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রকাশ করেছেন, নাম মানব জীবনের উপর প্রভাব ফেলে। এমনকি নামের শব্দসমূহের অর্থও নামের উপকারিতা ও প্রভাব পরিবর্তন করে দেয়। প্রফেসর বলেন, আমি রহীম এবং পারভেজ উভয় নামের তুলনা করেছি। রহীম থেকে সবুজ এবং সাদা আলো বিচ্ছুরিত হতে দেখেছি এবং পারভেজ থেকে কালো এবং ধুম্র বর্ণের আলো বিচ্ছুরিত হতে দেখেছি।
তাবিজের উপকারিতা এবং তার শব্দসমূহেও আমরা একই অবস্থা প্রত্যক্ষ করেছি। মূলত শক্তি শব্দের ভিতর। চাই তা নামের আকারে হোক অথবা ওই নামই তাবিজে ব্যবহার করা হোক। আর এ নামই মানুষের আমলনামাকে বরকতময় বা খারাপ বানায়। ফেরাউন অথবা নমরুদ কয়েকটি শব্দের সমষ্টি মাত্র। কিন্তু তার তরঙ্গ শ্রবণকারীর অন্তরে ঘৃণা এবং অন্ধকার সৃষ্টি করে।
📄 শব্দেরও শক্তি আছে
আমার নিকট এক ব্যক্তি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আসলেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি নিজের ঘটনা শোনালেন। তিনি বলেন, আমার গাধার পেটের পাশে একটি গভীর জখম হয়েছিল। বহু চিকিৎসা করালাম। কিন্তু কোনো লাভ হল না। সে স্থানে পোকা হয়ে গেল। এক ব্যক্তি তার অভিজ্ঞতার কথা বলল, তুমি যদি চাও তোমার গাধা সুস্থ হয়ে যাক, পোকা শেষ হয়ে যাক এবং জখম ঠিক হয়ে যাক, তাহলে তুমি তিনজন পাকা সুদখোরের নাম কাগজে লিখে তাবিজের মতো বানিয়ে গাধার গলায় ঝুলিয়ে দাও। প্রথমে তো আমি খুবই আশ্চর্যবোধ করলাম যে, এতে আর এমনকি উপকার হবে? কিন্তু কথাটা বারবার বলার কারণে আমি আমার এলাকার তিনজন সুদ খোরের নাম কাগজে লিখে গাধার গলায় বেঁধে দিলাম। আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন! মাত্র তিন দিনের মাথায় আমার গাধা পূর্ণ সুস্থতা লাভ করল। পোকা মরে গেল এবং জখমও ভালো হয়ে গেল।
📄 বদ আমল কি মানুষকে বিষাক্ত বানিয়ে দেয়?
কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী বদ-আমলের কারণে কি মানুষ জানোয়ার থেকেও অধম হয়ে যায়? সুদখোরী কি তাকে এত নিকৃষ্ট বানিয়ে দিয়েছে যে, তার নামও বিষাক্ত হয়ে গিয়েছে?
বলুন! এ উদাহরণটি কি এরূপ নয় যে, বিষই বিষকে খতম করতে পারে? আপনি কি জানেন, ক্যান্সার, ক্ষতরোগ এবং গলগণ্ড রোগের জখমের জন্য বিষাক্ত ঔষধ বা মলম ব্যবহার করলে এ সমস্ত রোগ খতম হয়ে যায়? সুতরাং আপনি এ তাবীজ থেকে সুফল কিভাবে পেলেন?