📄 মারাজাল বাহরাইনের রহস্য
কোস্টো একজন প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানী। খ্রিস্টধর্মের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সে সমুদ্রের পানি নিয়ে গবেষণা করছিল, কী কারণে দুই সমুদ্রের পানি মিশে একাকার হয় না। এক সমুদ্রের পানি এক রংয়ের ও এক স্বাদের আর অপর সমুদ্রের পানি আরেক রংয়ের ও আরেক স্বাদের। কিন্তু এক পানি আরেক পানির সঙ্গে মিশে না কেন?
সে সমুদ্রে গিয়ে প্রত্যক্ষ করল। তারপর সে পানি সম্পর্কে গবেষণায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিল এবং কোস্টো-থিওরী নামে একটি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করল। কিছু দিন পর তার সঙ্গে একজন মুসলমান বিজ্ঞানীর সাক্ষাৎ হল। তাঁর সম্মুখে কোস্টো যখন তার থিওরী উত্থাপন করল, তখন তিনি কোস্টোকে বললেন, আপনি তো এখন রিসার্চ করছেন। আমি আপনাকে শতশত বছর আগের রিসার্চ দেখাতে পারব। যখন মুসলমান বিজ্ঞানী তাকে কুরআন দেখাল। তখন কোস্টো স্তম্ভিত হয়ে গেল এবং ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হল।
কোস্টো একজন প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানী। খ্রিস্টধর্মের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সে সমুদ্রের পানি নিয়ে গবেষণা করছিল, কী কারণে দুই সমুদ্রের পানি মিশে একাকার হয় না। এক সমুদ্রের পানি এক রংয়ের ও এক স্বাদের আর অপর সমুদ্রের পানি আরেক রংয়ের ও আরেক স্বাদের। কিন্তু এক পানি আরেক পানির সঙ্গে মিশে না কেন?
সে সমুদ্রে গিয়ে প্রত্যক্ষ করল। তারপর সে পানি সম্পর্কে গবেষণায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিল এবং কোস্টো-থিওরী নামে একটি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করল। কিছু দিন পর তার সঙ্গে একজন মুসলমান বিজ্ঞানীর সাক্ষাৎ হল। তাঁর সম্মুখে কোস্টো যখন তার থিওরী উত্থাপন করল, তখন তিনি কোস্টোকে বললেন, আপনি তো এখন রিসার্চ করছেন। আমি আপনাকে শতশত বছর আগের রিসার্চ দেখাতে পারব। যখন মুসলমান বিজ্ঞানী তাকে কুরআন দেখাল। তখন কোস্টো স্তম্ভিত হয়ে গেল এবং ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হল।
📄 কুরআনই সঠিক পথ দেখিয়েছে
(THE VERSE THAT SHOWED CORSLEAU THE RIGHT WAY)
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِينِ بَيْنَهُمَا بَرْزَخْ لا يَبْغِينِ
"দুটি সমুদ্রকে আল্লাহ তা'আলা পাশাপাশি প্রবাহিত করেছেন। তাদের মাঝে একটি অন্তরাল সৃষ্টি করে দিয়েছেন, যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।" (সূরা আর-রহমান)
"He has let two Seas that should meet together there is a barrier between them which they do not overpass"
(১) আয়াতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্ম বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
(২) দুটি সমুদ্রের বিরাট জলরাশি একটি সূক্ষ্ম জলস্রোতে (Strait) মিলিত হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার।
(৩) দুটি সমুদ্রের মাঝে একটি বিশেষ বাধা থাকায় পরস্পরে পুরোপুরি মিলিত হয় না।
আসুন! এ বিষয়ে সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করি। ফ্রান্সের বিজ্ঞানী জ্যাক ভি কোস্টো, যিনি সমুদ্রের ভিতর পানি রিসার্চ বিষয়ে প্রসিদ্ধ। তিনি বুঝতে পারলেন, রোম সাগর Medeterranian এবং আটলান্টিক Atlantic মহাসাগর রাসায়নিক দিক থেকে একটি অন্যটির চেয়ে ভিন্ন রকমের। তিনি এ বাস্তব সত্যটি অনুধাবন করার জন্য জিব্রাল্টরের দুই সমুদ্রের মোহনার কাছাকাছি সমুদ্রের তলদেশে গবেষণা চালান। সেখান থেকে তথ্য পেলেন যে, জিব্রাল্টরে উত্তর তীর (মরক্কো) এবং দক্ষিণ তীর (স্পেন) থেকে আশাতীতভাবে একটি মিষ্টি পানির ঝর্ণা উথলে উঠে এবং এ বড় ঝর্ণাটি উভয় সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ৪৫ ডিগ্রি সূক্ষ্ম কোণে দ্রুত গতিতে অগ্রসর হয়ে চিরুনীর দাঁতের আকৃতি ধারণ করে বাঁধের মতো কাজ করে। ফলে রোম সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর একটি আরেকটির সঙ্গে মিশতে পারে না।
কোস্টোকে এ গবেষণার পরই কুরআনের আয়াত দেখানো হয়েছিল। তিনি তখন খুবই আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং কুরআনের প্রশংসা ও বড়ত্ব প্রকাশ করে মুসলমান হয়ে গেলেন। এ আশ্চর্যজনক আয়াতটিতে জাবালুত তারেক (জিব্রালটর) এর সীমানা ও বাঁধটিকে সঠিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আসুন, আমরা আয়াতটিকে সূরায়ে আর-রাহমানের সাধারণ আলোচনার নিরিখে পরখ করে দেখি। নিঃসন্দেহে এ সূরার আলোচনায় আল্লাহ তা'আলার অপূর্ব সৃষ্টি এবং তাঁর অপার নেয়ামতের মধ্যে মানুষের জন্য সীমাহীন জ্ঞান-প্রজ্ঞার কথা রয়েছে।
সমুদ্রের এ মোহনায় যে বাঁধা রয়েছে, তার মূল রহস্য কি? সমুদ্রের প্রাণীর সংখ্যা স্থলের প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি। তাতে রয়েছে অসীম শরীরী Organism। আরও রয়েছে অসংখ্য অদ্ভুত ধরনের উদ্ভিদ। মোটকথা, তাতে আল্লাহ তা'আলার কুদরতের এক বিরাট কীর্তি রয়েছে। তা ছাড়া বিভিন্ন প্রকারের প্রাণী বিভিন্ন পরিবেশে বাস করতে অভ্যস্ত। তাই আল্লাহ তা'আলার কুদরত সমুদ্রগুলোকে একটি অপরটির মাঝে একাকার হতে দেয় না। এ বক্তব্যটি আমাদের দৃষ্টিকে ২২ নম্বর আয়াতে নিবদ্ধ করে দেয়। বিশেষভাবে সমুদ্র তৈরির ধাঁচের দিকে এবং সামুদ্রিক উদ্ভিদ এবং মাছের বিভিন্ন প্রকারের দিকে। এ আয়াত উভয় সমুদ্রে মুক্তা এবং সামুদ্রিক মূল্যবান পাথরের উপস্থিতির কথা ঘোষণা করে। সমুদ্রের পানি পরম্পর একাকার না হওয়ার কারণে সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ রয়েছে যেগুলিকে তাদের কুদরতী পরিবেশে দেখে সীমাহীন আনন্দ অনুভূত হয়।
সমুদ্রে এক বিশেষ ধরনের ফুল রয়েছে, যেগুলো কয়েক প্রকার উদ্ভিদে ঢাকা থাকে। যাদের উপমা স্থলভাগে খুঁজে পাওয়া যায় না। এ জাতীয় বিভিন্ন রকমের ফুল স্থলে থেকে কল্পনাও করা যায় না। সমুদ্রের তলদেশে লালা (Lepasfaris) ফুল হয়। যেগুলো স্থলভাগের লালা ফুল থেকে অনেক সুন্দর। সমুদ্রের তলদেশে এরূপ অনেক সুন্দর পোকা-মাকড়, কীট-পতঙ্গ আছে, যেগুলি দেখার মতো। এরা (Radar) রাডারের মতো কৌশল দ্বারা হাজার হাজার মিটার নিচে নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে।
Acan Thurus Triostegus নামক একটি মাছ আছে। যার লাল শরীরে ফ্লোরাইডের লাল লাল দাগ থাকে। যাদের থেকে খুবই সুন্দর আলো বের হয় এবং নিজেদের আশপাশের পরিবেশকে উজ্জ্বল করে দেয়। সমুদ্রের অতল গভীরে অন্ধকারে ত্রিশ প্রকারের বিভিন্ন আলোক মাছ পাওয়া গেছে।
এসব জীব আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির বিশেষ নমুনা এবং সমুদ্রগুলো পরস্পর সংমিশ্রণ না হওয়ার গোপন রহস্য প্রকাশ করে। যেমন: আয়াতে কারীমা থেকেও এরূপ বুঝে আসে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারাও প্রকাশ পায় যে, জিব্রাল্টরে সমুদ্রের মিলনস্থলের উভয় পাশের তলদেশে এবং সেখানে বিদ্যমান পাহাড়ের চূড়ায় বিভিন্ন প্রকারের সুন্দর সুন্দর উদ্ভিদ ও কীট-প্রতঙ্গ রয়েছে, যার পরিসংখ্যান এত উন্নত যুগেও সম্ভব হয় নি।
এ জাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির ফুল উভয় সমুদ্রেই রয়েছে। যেমন: নাগফনী, (একটি ফুলগাছ যার পাতা সাপের ফণার মতো এবং ফুল খুব সুন্দর হয়) থোহর (রং বেরংয়ের ফুল বিশেষ নীলাভ, বেগুনি, লাল ইত্যাদি রংয়ের নানাফুল।) কিন্তু উভয় সমুদ্রের ফুলের প্রকার আলাদা আলাদা। এমনিভাবে সমুদ্রের অথৈ পানির নিচে নীলাভ রং বিচ্ছুরণকারী একপ্রকারের কীট (Spiders) রয়েছে, যেগুলো এক স্বর্গীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে।
(THE VERSE THAT SHOWED CORSLEAU THE RIGHT WAY)
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِينِ بَيْنَهُمَا بَرْزَخْ لا يَبْغِينِ
"দুটি সমুদ্রকে আল্লাহ তা'আলা পাশাপাশি প্রবাহিত করেছেন। তাদের মাঝে একটি অন্তরাল সৃষ্টি করে দিয়েছেন, যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।" (সূরা আর-রহমান)
"He has let two Seas that should meet together there is a barrier between them which they do not overpass"
(১) আয়াতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্ম বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
(২) দুটি সমুদ্রের বিরাট জলরাশি একটি সূক্ষ্ম জলস্রোতে (Strait) মিলিত হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার।
(৩) দুটি সমুদ্রের মাঝে একটি বিশেষ বাধা থাকায় পরস্পরে পুরোপুরি মিলিত হয় না।
আসুন! এ বিষয়ে সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করি। ফ্রান্সের বিজ্ঞানী জ্যাক ভি কোস্টো, যিনি সমুদ্রের ভিতর পানি রিসার্চ বিষয়ে প্রসিদ্ধ। তিনি বুঝতে পারলেন, রোম সাগর Medeterranian এবং আটলান্টিক Atlantic মহাসাগর রাসায়নিক দিক থেকে একটি অন্যটির চেয়ে ভিন্ন রকমের। তিনি এ বাস্তব সত্যটি অনুধাবন করার জন্য জিব্রাল্টরের দুই সমুদ্রের মোহনার কাছাকাছি সমুদ্রের তলদেশে গবেষণা চালান। সেখান থেকে তথ্য পেলেন যে, জিব্রাল্টরে উত্তর তীর (মরক্কো) এবং দক্ষিণ তীর (স্পেন) থেকে আশাতীতভাবে একটি মিষ্টি পানির ঝর্ণা উথলে উঠে এবং এ বড় ঝর্ণাটি উভয় সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ৪৫ ডিগ্রি সূক্ষ্ম কোণে দ্রুত গতিতে অগ্রসর হয়ে চিরুনীর দাঁতের আকৃতি ধারণ করে বাঁধের মতো কাজ করে। ফলে রোম সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর একটি আরেকটির সঙ্গে মিশতে পারে না।
কোস্টোকে এ গবেষণার পরই কুরআনের আয়াত দেখানো হয়েছিল। তিনি তখন খুবই আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং কুরআনের প্রশংসা ও বড়ত্ব প্রকাশ করে মুসলমান হয়ে গেলেন। এ আশ্চর্যজনক আয়াতটিতে জাবালুত তারেক (জিব্রালটর) এর সীমানা ও বাঁধটিকে সঠিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আসুন, আমরা আয়াতটিকে সূরায়ে আর-রাহমানের সাধারণ আলোচনার নিরিখে পরখ করে দেখি। নিঃসন্দেহে এ সূরার আলোচনায় আল্লাহ তা'আলার অপূর্ব সৃষ্টি এবং তাঁর অপার নেয়ামতের মধ্যে মানুষের জন্য সীমাহীন জ্ঞান-প্রজ্ঞার কথা রয়েছে।
সমুদ্রের এ মোহনায় যে বাঁধা রয়েছে, তার মূল রহস্য কি? সমুদ্রের প্রাণীর সংখ্যা স্থলের প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি। তাতে রয়েছে অসীম শরীরী Organism। আরও রয়েছে অসংখ্য অদ্ভুত ধরনের উদ্ভিদ। মোটকথা, তাতে আল্লাহ তা'আলার কুদরতের এক বিরাট কীর্তি রয়েছে। তা ছাড়া বিভিন্ন প্রকারের প্রাণী বিভিন্ন পরিবেশে বাস করতে অভ্যস্ত। তাই আল্লাহ তা'আলার কুদরত সমুদ্রগুলোকে একটি অপরটির মাঝে একাকার হতে দেয় না। এ বক্তব্যটি আমাদের দৃষ্টিকে ২২ নম্বর আয়াতে নিবদ্ধ করে দেয়। বিশেষভাবে সমুদ্র তৈরির ধাঁচের দিকে এবং সামুদ্রিক উদ্ভিদ এবং মাছের বিভিন্ন প্রকারের দিকে। এ আয়াত উভয় সমুদ্রে মুক্তা এবং সামুদ্রিক মূল্যবান পাথরের উপস্থিতির কথা ঘোষণা করে। সমুদ্রের পানি পরম্পর একাকার না হওয়ার কারণে সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ রয়েছে যেগুলিকে তাদের কুদরতী পরিবেশে দেখে সীমাহীন আনন্দ অনুভূত হয়।
সমুদ্রে এক বিশেষ ধরনের ফুল রয়েছে, যেগুলো কয়েক প্রকার উদ্ভিদে ঢাকা থাকে। যাদের উপমা স্থলভাগে খুঁজে পাওয়া যায় না। এ জাতীয় বিভিন্ন রকমের ফুল স্থলে থেকে কল্পনাও করা যায় না। সমুদ্রের তলদেশে লালা (Lepasfaris) ফুল হয়। যেগুলো স্থলভাগের লালা ফুল থেকে অনেক সুন্দর। সমুদ্রের তলদেশে এরূপ অনেক সুন্দর পোকা-মাকড়, কীট-পতঙ্গ আছে, যেগুলি দেখার মতো। এরা (Radar) রাডারের মতো কৌশল দ্বারা হাজার হাজার মিটার নিচে নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে।
Acan Thurus Triostegus নামক একটি মাছ আছে। যার লাল শরীরে ফ্লোরাইডের লাল লাল দাগ থাকে। যাদের থেকে খুবই সুন্দর আলো বের হয় এবং নিজেদের আশপাশের পরিবেশকে উজ্জ্বল করে দেয়। সমুদ্রের অতল গভীরে অন্ধকারে ত্রিশ প্রকারের বিভিন্ন আলোক মাছ পাওয়া গেছে।
এসব জীব আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির বিশেষ নমুনা এবং সমুদ্রগুলো পরস্পর সংমিশ্রণ না হওয়ার গোপন রহস্য প্রকাশ করে। যেমন: আয়াতে কারীমা থেকেও এরূপ বুঝে আসে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারাও প্রকাশ পায় যে, জিব্রাল্টরে সমুদ্রের মিলনস্থলের উভয় পাশের তলদেশে এবং সেখানে বিদ্যমান পাহাড়ের চূড়ায় বিভিন্ন প্রকারের সুন্দর সুন্দর উদ্ভিদ ও কীট-প্রতঙ্গ রয়েছে, যার পরিসংখ্যান এত উন্নত যুগেও সম্ভব হয় নি।
এ জাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির ফুল উভয় সমুদ্রেই রয়েছে। যেমন: নাগফনী, (একটি ফুলগাছ যার পাতা সাপের ফণার মতো এবং ফুল খুব সুন্দর হয়) থোহর (রং বেরংয়ের ফুল বিশেষ নীলাভ, বেগুনি, লাল ইত্যাদি রংয়ের নানাফুল।) কিন্তু উভয় সমুদ্রের ফুলের প্রকার আলাদা আলাদা। এমনিভাবে সমুদ্রের অথৈ পানির নিচে নীলাভ রং বিচ্ছুরণকারী একপ্রকারের কীট (Spiders) রয়েছে, যেগুলো এক স্বর্গীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে।