📄 সুন্নাতে রাসূল
যে কোনো আত্মীয় স্বজন অনুমতি ছাড়াই কি ঘরে প্রবেশ করতে পারে? নিকটাত্মীয়দের সাথে ইসলাম পর্দার নির্দেশ কেন দিয়েছে? পর্দা আল্লাহর প্রদত্ত নির্দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী নির্দেশসমূহরে মধ্যে অন্যতম। ইসলাম মুসলমানদেরকে পর্দার নির্দেশ দিয়েছে। সুতরাং যতক্ষণ পর্দা থাকবে, ততক্ষণ ঘর নিরাপত্তা, স্থিরতা ও লজ্জার আদর্শ প্রতীক হয়ে থাকে। যে ঘর ও গোষ্ঠী থেকে পর্দা উঠে গিয়েছে, সে ঘর নির্লজ্জতা ও অস্থিরতায় পরিপূর্ণ থাকে। অধমের জানামতে এরূপ হাজারো ঘটনা রয়েছে, যার কারণ হল, পর্দা কম করা বা পর্দা ছেড়ে দেওয়া। পর্দা না করলে যে সকল চারিত্রিক অপকর্ম সংঘটিত হয়ে থাকে, তার বর্ণনা দেওয়া মুশকিল। এক্ষেত্রে আমরা একজন ইউরোপীয়ান যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের বর্ণনাকেই যথেষ্ট মনে করি।
📄 ডাক্তার স্টিফেন ক্লার্ক
তিনি সিসিলির একজন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, নারী-পুরষের অবাধ মেলামেশা, আত্মীয়-স্বজনদের নির্বিঘ্নে ঘরে যাতায়াত করা, সাধারণ আত্মীয়-স্বজন বিনা অনুমতিতে ঘরে অবস্থান করা এবং চা পান করা, আমার দৃষ্টিতে এ সব ক্ষতিকর। আর এর প্রভাব কয়েক পুরুষ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। আমি এরূপ মেলামেশায় নারীদেরকে অন্যান্য পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হতে দেখেছি। এ মেলামেশার দরুন তালাকের আধিক্য দেখতে পেয়েছি। যেনা এবং অপকর্ম বৃদ্ধি পেতে দেখেছি। ঘর উজাড় হয়ে যেতে দেখেছি। আত্মহত্যা করতে দেখেছি। নারী-পুরুষের জেলে যেতে দেখেছি। এসব কিছুর মূলে রয়েছে ঘরে যে কোনো নারী-পুরুষের অবাধে যাতায়াত করা। এছাড়া আর কিছু নয়। শরঈ পর্দা ছেড়ে দেওয়ার ফলে একজন কাফের এতগুলি ক্ষতির বর্ণনা দিয়েছে। অথচ আমার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরঈ পর্দার আদেশ দিয়ে আমাদেরকে সকল ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।