📄 মাছি ডুবিয়ে দেওয়ার রহস্য
• সুনানে ইবনে মাজাহ এর মধ্যে হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাযি.) থেকে, বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: মাছির এক ডানায় রোগ থাকে এবং অপর ডানায় থাকে ঔষধ। তাই এটি যখন (তরল) খাদ্যে পতিত হয়, তখন একে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দাও। কেননা সে রোগবিশিষ্ট ডানাটি আগে ডুবায়।
মূলত বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকেও মাছির এক ডানায় মারাত্মক ভাইরাস থাকে এবং এটা তাৎক্ষণিক কার্যকরী ক্ষমতা রাখে। মাছি যখন কোনো খাদ্যে বসে তখন যে ডানায় জীবাণু থাকে সে ডানাটি খাদ্যে ডুবিয়ে দেয়। অথচ তার অপর ডানায় থাকে প্রতিরোধক ভাইরাস (Anti Virus)। যদি মাছিকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়, তখন প্রতিরোধক ভাইরাস খাদ্যের সঙ্গে মিশে মারাত্মক জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এতে খাদ্যটি স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অনুকূল হয়। নতুবা এ খাদ্যটিই জীবাণুযুক্ত হয়ে মানব ধ্বংসের কারণ হয়ে যেতে পারে।
📄 বিজ্ঞানের আলোকে শেভ করার ক্ষতি
দাঁড়ি রাখা সুন্নত। এমন সুন্নতের প্রতি অনীহা প্রদর্শন সুস্থ্যতার প্রতি অনীহা প্রদর্শনেরই শামিল। দাঁড়ির ফায়দা ও উপকারিতা শরী'আতের দৃষ্টিতে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। এর বৈজ্ঞানিক ও মেডিক্যাল উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে শেভের ক্ষতিসমূহ লিখা হচ্ছে।
📄 ডাক্তার মোর এর গবেষণা
বার্লিন ইউনিভার্সিটির ডাক্তার মোর শেভ, ব্লেড এবং সাবানের উপর দীর্ঘদিন গবেষণার পর যে ফলাফল পেয়েছেন, তা দিল্লীর মাসিক পত্রিকা 'স্বাস্থ্য' তুলে ধরেছে নিম্নরূপ:
📄 চর্মরোগ (SKEENDISEASES)
শেভের কারণে চামড়ার যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, শরীরের অন্যান্য অংশে সম্ভবত এ পরিমাণ ক্ষতি সাধিত হয় না। মূলত শেভের সময় রেজার বা ক্ষুর চামড়াতে দলতে থাকে। আর প্রত্যেক শেভকারীই চায়, তার চেহারায় যেন একটি দাড়িও না থাকে এবং চেহারার সৌন্দর্য ফুটে উঠে। তাই বারবার একটি চামড়াকে ব্লেড অথবা ক্ষুর দিয়ে মুণ্ডানো হয়। ফলে চামড়া খুবই স্পর্শকাতর (Sensitive) হয়ে যায় আর বিভিন্ন রোগ সহজেই সৃষ্টি হয়।
ভোঁতা ক্ষুর অথবা ব্লেড দিয়ে শেভ করতে হলে যথেষ্ট বল প্রয়োগ করতে হয়। ফলে চামড়ায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়। যা আমাদের দৃষ্টিতে ধরা পড়ে না। কিন্তু এর প্রদাহ অনুভূত হয়। যখন চামড়ায় কোনো ক্ষত সৃষ্টি হয়, তখন জীবাণু প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এভাবেই শেভকারী বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির শিকার হয়ে যায়। প্রথমে চেহারায় একপ্রকারের গুটি দেখা দেয়। পরে অন্য একপ্রকার চর্ম প্রদাহ দেখা দেয়, যাকে Sycosis Borleac বলা হয়।
এ ছাড়া আরো অনেক ছোঁয়াচে রোগ চেহারায় দেখা দেয়। পরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। যার কিছু নমুনা নিম্নে প্রদান করা হল:
• চেহারার ব্রণ (Acne Vulgaris) • চেহারার খুশকী: (Dandruf Seleorrhoese) • মেছতা (চেহারার কালো দাগ) (Acne Rosaced) • একজিমা (Eczema) • নাকের গুটি ও মেছতা (Rhimophijma) • এ্যালার্জি (Allergy)